৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৪৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৪২১
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ)
আমরা প্রায় একই বয়সের কিছু যুবক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বিশ রাত (অর্থাৎ বিশ দিন) অবস্থান করলাম। রসূলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু ও নম্র হৃদয়। তিনি বুঝতে পারলেন যে, আমরা আমাদের পরিবারের লোকজনের প্রতি আগ্রহী হয়ে পড়েছি। তাই নিজ পরিবারে আমরা কাকে কাকে রেখে গিয়েছি এ বিষয়ে তিনি আমাদের জিজ্ঞেস করলে আমরা তাঁকে সে বিষয়ে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেনঃ ঠিক আছে, তোমরা নিজ পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের মধ্যে অবস্থান করে তাদেরকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষাদান করো। আর এ বিষয়ে তাদেরকে বিভিন্ন কাজ করতে আদেশ করো। আর সালাতের সময় হলে তোমাদের কেউ আজান দিবে। তবে বয়সে যে সবার বড় সে ইমামত করবে।
১৪২২
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? পরিচ্ছেদ নাই
আইয়ূব (রহঃ)
একই সনদে বর্ণিত।
১৪২৩
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস আবূ সুলাইমান (রাঃ)
আমি আমার সমবয়সী একদল যুবকের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কাছে আসলাম। এতটুকু বর্ণনা করার পর তারা সবাই ইবন উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন।
১৪২৪
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ইবনু হুওয়াইরিস (রাঃ)
আমি এবং আমার এক বন্ধু নবী (ﷺ)-এর কাছে গেলাম। যখন আমরা তাঁর নিকট থেকে ফিরতে চাইলাম তখন তিনি আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন: সালাতের সময় হলে আজান দিবে এবং তারপর ইকামত দিবে (অর্থাৎ-সালাত আদায় করবে)। তবে তোমাদের মধ্যে যে বয়সে বড় হবে সেই যেন ইমামত করে।
১৪২৫
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে ? পরিচ্ছেদ নাই
খালিদ আল হায্‍যা (রহঃ)
একই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে হাফস ইবনু গিয়াস এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেন যে, হাজ্জা (রহঃ) বলেছেন, তারা উভয়ে (মালিক ইবনুল হুওয়াইরিস (রাঃ) এবং তার বন্ধু) কিরাআতের ব্যাপারে সমকক্ষ ছিলেন।
১৪২৬
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সাালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতে কিরাআত শেষ তাকবীর দিয়ে রুকুতে গিয়ে রুকু থেকে যখন মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ, রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ” - (অর্থাৎ - যে আল্লাহর প্রশংসা করে আল্লাহ তাঁর প্রশংসা শুনেন। হে আমাদের প্রভু! সকল প্রশংসা তোমারই জন্য নির্দিষ্ট।)।এরপর তিনি দাঁড়িয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! ওয়ালিদ ইবনু ওয়ালিদ, সালামা ইবন হিশাম ও আইয়্যাশ ইবন আবু রাবিয়াহ এবং দুর্বল ও নিপীড়িত মুমিনদের নাজাত দান করো। হে আল্লাহ! তুমি মুযার গোত্রকে কঠোর হস্তে পাকড়াও করো। আর ইউসুফ (আঃ)-এর সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো দুর্ভিক্ষ দিয়ে তাদের শায়েস্তা করো। হে আল্লাহ! তুমি লিহইয়ান, রি'ল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যাহ গোত্রের ওপর অভিসম্পাত বর্ষণ করো। কেননা তারা আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের অবাধ্য হয়েছে।”অতঃপর আমরা জানতে পারলাম যে, আয়াত- “হে নবী! এর ব্যাপারে তোমার কোন করণীয় নেই। আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করুন আর তাদেরকে শাস্তি দান করুন এ ব্যাপারে তিনি পূর্ণ ইখতিয়ারের অধিকারী। কেননা তারা তো জালিম” – (সূরা আলে ইমরান ৩:১২৮)। অবতীর্ণ হওয়ার পর নবী (ﷺ) এভাবে কুনুত পড়া ছেড়ে দিয়েছিলেন।
১৪২৭
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সাালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে ইউসুফের সময়ে দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের মুখোমুখী করা পর্যন্ত উল্লেখ করেছেন। পরের অংশটুকু উল্লেখ করেননি।
১৪২৮
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সাালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) এক সময় এক মাস যাবত ফজরের সালাতে দ্বিতীয় রাকাতে রুকু থেকে ওঠার পরে কুনুত পড়েছেন। এতে তিনি যখন রুকু থেকে উঠে "সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলতেন তখন কুনুত পড়তে গিয়ে বলতেন: “হে আল্লাহ, ওয়ালিদ ইবনুল ওয়ালিদকে মুক্ত করে দাও। হে আল্লাহ! সালামা ইবনু হিশামকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! আইয়াশ ইবনু আবু রাবিয়াকে মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! দুর্বল অসহায় মুমিনদেরকেও মুক্তি দাও। হে আল্লাহ! তুমি মুযার গোত্রকে তোমার কঠোরতা দ্বারা পিষে মারো। হে আল্লাহ! তুমি তাদের ওপর ইউসুফ (আঃ)-এর সময়ের দুর্ভিক্ষের মতো দুর্ভিক্ষ দান করো।” আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেছেন, পরে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ দোয়া পরিত্যাগ করতে দেখেছি। এতে আমি বিস্মিত হয়ে বললাম: আমি দেখছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এখন তাদের জন্য দোয়া করা ছেড়ে দিয়েছেন। আমাকে তখন বলা হলো তুমি কি দেখছো না যে, তারা সবাই মুক্ত হয়ে চলে এসেছেন?
১৪২৯
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সাালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘ইশার সালাত আদায় করেছিলেন। সিজদা করার পূর্বে রুকূ থেকে উঠে যখন তিনি “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বললেন তখন এ বলে দোয়া করলেনঃ “হে আল্লাহ! আইয়্যাশ ইবনু আবু রাবীআকে মুক্তিদান করো” এতটুকু বর্ণনা করার পর আবূ হুরায়রা আওযায়ী বর্ণিত হাদীসের বা সিনী ইউসুফ [অর্থাৎ- ইউসুফ (আঃ) ]-এর যুগের দুর্ভিক্ষের ন্যায় দুর্ভিক্ষ দিয়ে শাস্তিদান করো পর্যন্ত উল্লেখ করলেন। এতে তিনি আওযায়ী বর্ণিত হাদীসের পরের অংশটুকু উল্লেখ করেননি।
১৪৩০
যখন মুসলিমদের ওপর কোন বিপদ আপতিত হয়, তখন সকল সালাতে ‘কুনূ্তে নাযিলাহ্’ পাঠ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মতো করে (প্রায় অনুরূপ) সালাত আদায় করে দেখাব। এরপর আবু হুরায়রা (রাঃ) যুহর, ইশা ও ফজরের সালাতে কুনূত পড়তেন। এতে তিনি মুমিনদের জন্য দোয়া করতেন এবং কাফিরদেরকে অভিশাপ দিতেন।