৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৩৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৩২১
ফজর ও ‘আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) বলেন, “আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবূ উসামাহ্ ও ওয়াকী
একই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেনঃ তোমাদেরকে তোমাদের রবের দরবারে পেশ করা হবে। তখন তোমরা তাঁকে এমনভাবে স্পষ্ট দেখতে পাবে যেমনভাবে এই চাঁদকে দেখতে পাচ্ছ। তিনি আরো বলেছেনঃ অতঃপর তিনি (আয়াত) পাঠ করলেন। তবে জারীর (পাঠ করলেন) কথাটা উল্লেখ করেননি।
১৩২২
ফজর ও ‘আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু ‘উমারাহ্ ইবনু রুআয়বাহ্ তার পিতা রুআয়বাহ্
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ এমন কোন ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের পূর্বের এবং সূর্যাস্তের পূর্বের সালাত অর্থাৎ- ফজর ও আসরের সালাত আদায় করে। এ কথা শুনে বসরার অধিবাসী একটি লোক তাঁকে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি নিজে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট থেকে এ কথা শুনেছ? সে বলল, হ্যাঁ। তখন লোকটি বলে উঠল, আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি নিজে এ হাদিসটি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট থেকে শুনেছি। আমার দু’কান তা শুনেছে আর মন তা স্মরণ রেখেছে।
১৩২৩
ফজর ও ‘আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু রুআয়বাহ্ (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের পূর্বে সালাত আদায় করবে সে জাহান্নামে যাবে না। এ সময় তার কাছে বসরার অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি বসেছিল। সে বলল, “তুমি কি সরাসরি নবী (ﷺ)-এর নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছ?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি এ হাদীসটি নবী (ﷺ)-এর নিকট থেকে শুনেছি।” এ কথা শুনে বসরার অধিবাসী লোকটি বলল- “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ হাদীসটি আমিও নবী (ﷺ)-এর নিকট থেকে যে স্থানে তুমি শুনেছ সে স্থানেই শুনেছি।”
১৩২৪
ফজর ও ‘আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর তার পিতার
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুইটি ঠান্ডা সময়ের (ফজর ও আসর) সালাত ঠিকমত আদায় করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
১৩২৫
ফজর ও ‘আসর সালাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম (রহঃ)
একই সনদে উপরে বর্ণিত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস স্যারি আবু বকরকে আবু মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবু বকর ইবনু আবু মূসা বলে উল্লেখ করেছেন।
১৩২৬
সূর্যাস্তের পর মূহুর্তেই মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ)
সূর্য অস্তমিত হয়ে অদৃশ্য হলেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাগরিবের সালাত আদায় করতেন।
১৩২৭
সূর্যাস্তের পর মূহুর্তেই মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে মাগরিবের সালাত আদায় করতাম। অতঃপর আমাদের কেউ তীর ছুঁড়ে তা পতিত হওয়ার জায়গা পর্যন্ত দেখতে পেত (অর্থাৎ-ওয়াক্তের প্রথমেই শীঘ্র শীঘ্র সালাত আদায় করা হত)।
১৩২৮
সূর্যাস্তের পর মূহুর্তেই মাগরিবের প্রথম ওয়াক্ত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমরা মাগরিবের সালাত আদায় করতাম (উপর্যুক্ত বর্ণিত হাদিসের) অনুরূপ।
১৩২৯
ইশার সময় ও তাতে বিলম্ব করা পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী আয়িশাহ্ (রাঃ)
এক রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইশার সালাত- যাকে ‘আতামা’ বলা হত - আদায় করতে অনেক দেরি করলেন। অনেক রাত পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (ﷺ) আসলেন না। এমনকি শেষ পর্যন্ত উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) গিয়ে বললেন, মেয়ে ও শিশুরা ঘুমিয়ে পড়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আসলেন এবং এসে মসজিদের লোকদেরকে বললেনঃ এ সালাতের জন্য (এত রাতে) তোমরা ছাড়া এ পৃথিবীবাসীদের আর কেউই অপেক্ষা করছে না। এ ঘটনাটি ছিল মানুষের মধ্যে ইসলাম বিস্তার লাভ করার পূর্বের।হারমালার বর্ণনায় এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, ইবনু শিহাব বলেছেনঃ আমার কাছে বলা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে বললেনঃ তোমাদের জন্য এটা ঠিক নয় যে, তোমরা আল্লাহর রসূলকে সালাতের জন্য তাগিদ করবে। উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) যখন উচ্চৈঃস্বরে ডাকলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ কথাটা বললেন।
১৩৩০
ইশার সময় ও তাতে বিলম্ব করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ সনদে বর্ণিত হাদীসে তিনি যুহরীর কথা وَذُكِرَ لِي থেকে শুরু করে পরবর্তী অংশটুকু উল্লেখ করেননি।