৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৩০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১২৯১
প্রচন্ড রোদ না হলে যুহরের সালাত আও্ওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ)
সূর্য (মাথার উপর থেকে) হেলে পড়লেই নবী (ﷺ) যুহরের সালাত আদায় করতেন।
১২৯২
প্রচন্ড রোদ না হলে যুহরের সালাত আও্ওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
খাব্বাব (রাঃ)
আমরা গরমের সময় সালাত আদায় করা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলে তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না।
১২৯৩
প্রচন্ড রোদ না হলে যুহরের সালাত আও্ওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
খাব্বাব (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে প্রচণ্ড গরমের (সালাত আদায়ের ব্যাপারে) অভিযোগ করলাম। কিন্তু তিনি (ﷺ) আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। বর্ণনাকারী যুহাইর বললেন, আমি আবু ইসহাককে জিজ্ঞেস করলামঃ তারা (খাব্বাব ও অন্য সাহাবীগণ) কি যুহরের সালাত (প্রচণ্ড গরমের মধ্যে) আদায় করা সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (যুহাইর) আবারও জিজ্ঞেস করলাম (যুহরের সালাত) আগেভাগে অর্থাৎ- ওয়াক্তের প্রথম দিকে আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? তিনি এবারও বললেন, হ্যাঁ।
১২৯৪
প্রচন্ড রোদ না হলে যুহরের সালাত আও্ওয়াল ওয়াক্তে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
প্রচন্ড গরমের সময়ও আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে (যুহরের) সালাত আদায় করতাম। আমাদের কেউ যখন (গরমের প্রচন্ডতার কারণে সিজদার সময়) কপাল মাটিতে স্থাপন করতে পারত না তখন সে কাপড় বিছিয়ে তার উপর সিজদা করত।
১২৯৫
আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সময় সালাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। সালাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মদীনার আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌঁছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত। তবে বর্ণনাকারী কুতাইবা তার বর্ণনায় “সে আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত” কথাটা উল্লেখ করেননি।
১২৯৬
‘আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আসরের সালাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত।
১২৯৭
আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমরা এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতাম যে সালাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদিনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌঁছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত।
১২৯৮
‘আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতাম যে, তারপর লোকজন বনি আমর ইবন আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সালাত আদায় করছে।
১২৯৯
আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
তিনি একদিন আনাস ইবন মালিক (রাঃ) এর বসরাস্থ বাড়িতে গেলেন। আর বাড়িটি মসজিদের পাশেই অবস্থিত ছিল। তিনি (আলা ইবন আবদুর রহমান) তখন সবেমাত্র জুহরের সালাত আদায় করছেন। আলা ইবন আবদুর রহমান বলেন: আমরা তাঁর (আনাস ইবন মালিকের) কাছে গেলে তিনি আমাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কি আসরের সালাত আদায় করেছ? আমরা জবাবে তাঁকে বললাম, আমরা এইমাত্র জুহরের সালাত আদায় করে আসলাম।এ কথা শুনে তিনি বললেন: যাও, আসরের সালাত আদায় করে আসো। এরপর আমরা গিয়ে আসরের সালাত আদায় করে তার কাছে ফিরে আসলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। ঐ সালাত হলো মুনাফিকের সালাত যে বসে বসে সূর্যের প্রতি তাকাতে থাকে আর যখন তা অস্তপ্রায় হয়ে যায় তখন উঠে গিয়ে চারবার ঠোকর মেরে আসে। এভাবে সে আল্লাহকে কমই স্মরণ করতে পারে।
১৩০০
আসরের সালাত আগে আগে আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ‘উসামাহ্ ইবনু সাহর (রহঃ)
আমরা একদিন উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহঃ)-এর সাথে যুহরের সালাত আদায় করলাম এবং সেখান থেকে আনাস ইবনে মালিক (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি আসরের সালাত আদায় করছেন। সালাত শেষে আমি জিজ্ঞেস করলাম: চাচাজান, এখন আপনি কোন ওয়াক্তের সালাত আদায় করলেন? তিনি বললেন: আসর, আর এটিই হচ্ছে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাত যা আমরা তাঁর সাথে আদায় করতাম।