৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১২৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১২৮১
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা আল আশ’আরী (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে তাকে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল - পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদিসের মতো। তবে এ হাদিসের বর্ণনাকারী বলেছেন যে, দ্বিতীয় দিন নবী (ﷺ) সান্ধ্যকালীন দিগন্তের লালিমা অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন।
১২৮২
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ গরমের প্রচন্ডতা দেখা দিলে (জুহরের) সালাত দেরি করে গরমের প্রচন্ডতা কমলে আদায় করো। গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই হয়ে থাকে।
১২৮৩
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন ……… পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদিসের মতো।
১২৮৪
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ গরমের দিনে (যুহরের) সালাত (গরমের প্রচন্ডতা হ্রাস পেয়ে ঠান্ডা হলে) আদায় করো। কারণ গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। আমর বলেছেনঃ আবু ইউনুস আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা উত্তাপ ঠান্ডা হলে যুহরের সালাত আদায় কর, কেননা গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ইবনু শিহাব, ইবনু মুসাইয়্যিব এবং আবু সালামা ও আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর মাধ্যমে আমর (রহঃ) রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
১২৮৫
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এ (প্রচণ্ড) গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়। সুতরাং তোমরা (জোহরের) সালাত দেরি করে (গরম কমে গেলে) আদায় কর।
১২৮৬
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
আবু হুরাইরা (রাঃ) আমার কাছে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তীব্র গরমের সময় সালাত আদায় না করে পরে (গরম কমলে) সালাত আদায় কর। কেননা, প্রচন্ড গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণেই সৃষ্টি হয়।
১২৮৭
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
(একদিন) রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুয়াজ্জিন যুহরের সালাতের আযান দিলে নবী (ﷺ) তাকে বলেছেনঃ আরে একটু ঠান্ডা হতে দাও না। অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ কিছু সময় অপেক্ষা কর। তিনি আরো বললেন যে, গরমের প্রচন্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণে হয়ে থাকে। সুতরাং গরম প্রচন্ডতা ধারণ করলে সালাত দেরী করে একটু ঠান্ডা হলে আদায় কর। আবূ যার (রাঃ) বলেনঃ (প্রচন্ড গরমের সময় রসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন সময় সালাত আদায় করতেন যে সময়) আমরা টিলার ছায়া দেখতে পেতাম।
১২৮৮
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে এ বলে ফরিয়াদ করল যে, তার এক অংশ আরেক অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামকে দুইবার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। একবার শীতকালে এবং আরেক বার গ্রীষ্মকালে। তোমরা যে প্রচণ্ড গরম অনুভব করে থাকো তা এ কারণেই।
১২৮৯
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ গরমের সময় যুহরের সালাত দেরি করে (গরমের প্রচণ্ডতা কমলে) আদায় কর। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়াতেই হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে অভিযোগ করলে মহান আল্লাহ তা’আলা তাকে প্রতি বছর দু’বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। শীতকালে একবার এবং গ্রীষ্মকালে একবার।
১২৯০
জামা’আতে রওনাকারীর জন্য পথিমধ্যে তীব্র গ্রীস্মের সময় তাপ ঠান্ডা হয়ে আসলে যুহর আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জাহান্নাম অভিযোগ করে আল্লাহর কাছে বলল, “হে আমার প্রভু! আমার এক অংশ অন্য অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আমাকে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের অনুমতি দিন।”তাই আল্লাহ তা’আলা তাকে দুবার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দান করলেন—একবার শীত মৌসুমে, আরেকবার গ্রীষ্ম মৌসুমে। তোমরা শীতকালে যে ঠান্ডা অনুভব করে থাকো তা জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে। আবার যে গরমে বা প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করে থাকো তাও জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে।