৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১২৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১২৬১
যে ব্যাক্তি সালাতের এক রাক’আতও পেয়েছে, সে উক্ত সলাত পেয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সূর্যোদয়ের পূর্বে কেউ যদি ফজরের এক রাকাত সালাত আদায় করতে পারে তাহলে সে ফজরের সালাত আদায় করল। আর তেমনি যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের এক রাকাত সালাত আদায় করতে পারল সে যেন ঠিক ওয়াক্তেই আসরের সালাত আদায় করল।
১২৬২
যে ব্যাক্তি সালাতের এক রাক’আতও পেয়েছে, সে উক্ত সালাত পেয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
হাদীসটি যায়েদ ইবন আসলাম মালিক-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
১২৬৩
যে ব্যাক্তি সালাতের এক রাক’আতও পেয়েছে, সে উক্ত সালাত পেয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসর সালাতের একটি সিজদা করতে পারল কিংবা সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজর সালাতের একটি সিজদা করতে পারল সে উক্ত সালাত পেয়ে গেল। আর সিজদা অর্থ রাকাত।
১২৬৪
যে ব্যাক্তি সালাতের এক রাক’আতও পেয়েছে, সে উক্ত সালাত পেয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের এক রাকাত সালাত আদায় করল সে সময় মতোই সালাত আদায় করল। আবার যে ব্যক্তি সূর্যোদয়ের পূর্বে ফজরের এক রাকাত সালাত আদায় করল সেও সময় মতোই ফজরের সালাত আদায় করল।
১২৬৫
যে ব্যাক্তি সালাতের এক রাক’আতও পেয়েছে, সে উক্ত সালাত পেয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
মা’মার (রহঃ)
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
১২৬৬
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
উমর ইবন আবদুল আজিজ (রহঃ) একদিন আসরের সালাত আদায় করতে দেরী করলে উরওয়া (রহঃ) তাকে বললেন: একদিন জিবরাইল (আঃ) এসে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইমাম হয়ে সালাত আদায় করলেন। এ কথা শুনে উমর ইবন আবদুল আজিজ উরওয়াকে বললেন: উরওয়া! তুমি যা বলছ তা ভালমতো চিন্তা ভাবনা করে বলো।উরওয়া বললেন: আমি বশীর ইবন আবু মাসউদকে বলতে শুনেছি। তিনি বলছেন: আমি আবু মাসউদকে বলতে শুনেছি। আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। একদিন জিবরাইল (আঃ) এসে আমার ইমামতি করলেন। আমি তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর আমি তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর পুনরায় আমি তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। এরপর আমি আবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। তারপর আমি আরও একবার তাঁর সাথে সালাত আদায় করলাম। এভাবে তিনি আঙ্গুল গুনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের কথা বললেন।
১২৬৭
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
উমর ইবনু আবদুল আজিজ (রহঃ) একদিন সালাত আদায় করতে বেশ দেরি করে ফেললেন তাই উরওয়া ইবনু যুবাইর তার কাছে গিয়ে বললেন, কুফায় (গভর্নর) থাকাকালীন একদিন মুগীরা ইবনু শু'আবা (রাঃ) (আসরের) সালাত আদায় করতে দেরি করে ফেললেন। আবু মাসউদ আল আনসারি (রাঃ) গিয়ে তাঁকে বললেন, মুগীরা! একি করছ তুমি? তুমি কি জানো না যে, এক সময় জিবরীল (আঃ) এসে সালাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথে সালাত আদায় করলেন।তিনি [জিবরীল (আঃ)] আবার (আরেক ওয়াক্তের) সালাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাথে আবার সালাত আদায় করলেন। তিনি জিবরীল (আঃ) পুনরায় (আরেক ওয়াক্তের) সালাত আদায় করলেন। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) পুনরায় এ সালাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। তিনি [জিবরীল (আঃ)] আবারও (আরেক ওয়াক্তের) সালাত আদায় করলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) এ সালাত তাঁর সাথে আদায় করলেন। এরপর জিবরীল (আঃ) বললেন, আপনি এভাবে সালাত আদায় করতে আদিষ্ট হয়েছেন।এ কথা শুনে উমর ইবনু আজিজ উরওয়া ইবনু যুবাইরকে বললেনঃ উরওয়া! তুমি কি বলছ তা কি চিন্তা করে দেখেছ? জিবরীল (আঃ) নিজে কি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য সালাতের সময় নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন? জবাবে উরওয়া বলেন, বশীর ইবনু আবু মাসউদ তাঁর পিতা আবু মাসউদের নিকট থেকে তা এরূপই (সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া) বর্ণনা করতেন।
১২৬৮
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
উরওয়াহ্‌
নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়িশা (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যখন সূর্যকিরণ তাঁর কামরার মধ্যে থাকত। তখনো তা দেয়ালের উপর উঠে যেত না।
১২৬৯
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতেন যে, তখনো সূর্যকিরণ আমার কামরার মধ্যে ঝলমল করত, তখনও ছায়া পড়ত না। আবু বকর বলেনঃ ছায়া দেখা যেত না।
১২৭০
পাঁচ ওয়াক্ত ফরয সালাতের সময় পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর স্ত্রী আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে সময় আসরের সালাত আদায় করতেন তখন সূর্যের কিরণ তাঁর কামরার মধ্যে থাকত এবং তা কামরার মধ্যে থেকে উপরের দিকে (দেয়ালে) উঠে যেত না।