৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১২৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১২২১
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাওবান (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষ করে তিনবার ইস্তিগফার করতেন এবং বলতেন-اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ(আল্লাহুম্মা আনতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু তাবারাকতা যাল জালালি ওয়াল ইকরাম)"হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সম্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।"হাদীস বর্ণনাকারী ওয়ালীদ বলেন- আমি আওযাঈকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি (ﷺ) কিভাবে ইস্তিগফার করতেন? তিনি বললেন, তিনি (ﷺ) বলতেন-‘আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ’।
১২২২
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
সালাতে সালাম ফিরানোর পরে নবী (ﷺ) ততটুকু সময় বসতেন- “আল্লাহুম্মা আনতাস সালামু ওয়া মিনকাস সালামু তাবারাকতা যাল জালালি ওয়াল ইকরাম” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমিই শান্তিময় এবং তোমার থেকে শান্তি আসে। তুমি কল্যাণময় এবং সম্মান ও প্রতিপত্তির অধিকারী।) এ দোয়াটা পড়তে যতটুকু সময় লাগে। ইবনু নুমাইর-এর একটি বর্ণনায় يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ এর স্থলে ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ উল্লেখ আছে।
১২২৩
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
একই সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনি يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ উল্লেখ করেছেন।
১২২৪
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনাতে এ কথাটুকু নেই যে, তিনি يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ (হে শান-শওকতময়, দয়াবান) বলতেন।
১২২৫
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ
মুগীরা বিন শু’আবা (রাঃ) মু’আবিয়া (রাঃ)-কে লিখে পাঠান যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতেন- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা শরীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর, আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বাইতা ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা ওয়ালা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ - আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শরীক বিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না)।
১২২৬
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্‌ ইবনু শায়বাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) -এর একই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু বকর ও আবু কুরায়ব তাদের বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন যে, ওয়ারাদ বলেছেনঃ মুগীরা দোয়া দুটি আমাকে শিখিয়েছেন। অতঃপর তা আমি মুয়াবিয়াকে লিখে পাঠিয়েছি।
১২২৭
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) কর্তৃক আযাদকৃত ক্রীতদাস ওয়ার্‌রাদ
মুগিরা ইবন শু’আবা (রাঃ) মু’আবিয়া (রাঃ)-এর কাছে ওয়াররাদকে দিয়ে লিখিয়েছিলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে সালাত শেষে সালাম ফিরিয়ে বলতে শুনেছি...। তবে এ বর্ণনায় وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ বাক্যটির উল্লেখ নেই, কেননা তিনি তা উল্লেখ করেননি।
১২২৮
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ (রহঃ)
(আমীর) মু’আবিয়া (রাঃ) মুগীরা (রাঃ)-এর কাছে লিখেছিলেন। ... এরপর তিনি মানসূর ও আ’মাশ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন।
১২২৯
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আব্‌দাহ্‌ ইবনু আবূ লুবাবাহ্‌ ও ‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (উভয়ে) মুগীরাহ্‌ ইবনু শু’বাহ্‌ (রাঃ) - এর কাতিব (সেক্রেটারী) ওয়ার্‌রাদ
(আমীর) মু’আবিয়া (রাঃ) মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলেনঃ তুমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে শুনেছ এমন কিছু লিখে পাঠাও। ওয়ার্‌রাদ (রাঃ) বর্ণনা করেনঃ এ পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে মুগীরাহ ইবনু শুবাহ (রাঃ) তাকে লিখে জানালেন যে, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি সালাত শেষে (এ দোয়াটি) বলতেন, “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শরীক লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হাম্দু ওয়া হুয়ালা- কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর। আল্লাহুম্মা লা- মানিয়া লিমা- আ'ত্বয়তা ওয়া লা- মু'ত্বিয়া লিমা- মানাআতা ওয়া লা- ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দ” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি এক ও শরীকবিহীন। সার্বভৌম ক্ষমতা তাঁর জন্য নির্দিষ্ট। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। হে আল্লাহ! তুমি যা দিতে চাও তাতে বাধা দেয়ার শক্তি কারো নেই। আর যা দিতে না চাও তার দেবার শক্তিও কারো নেই। আর কোন সম্পদশালীর সম্পদ তোমার নিকট থেকে রক্ষা করতে পারে না।)
১২৩০
সালাতের পর যিকির মুস্তাহাব এবং এর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবুয্‌ যুবায়র (রাঃ)
আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ) প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর, লা-হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হি লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়ালা- না’বুদু ইল্লা- ঈয়্যা-হু লাহুন নি’মাতু ওয়ালাহুল ফাযলু ওয়ালাহুস্ সানা-উল হাসানু লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুখলিসীনা লাহুদ্‌দীনা ওয়ালাও কারিহাল কাফিরূন” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও শরীকবিহীন। তিনিই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সব প্রশংসা তাঁরই প্রাপ্য। তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন আশ্রয় এবং শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তাঁকে ছাড়া আর কারো ইবাদত করি না, যদিও কাফিরদের তা পছন্দ নয়।) আর তিনি (ইবন যুবাইর) বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের পরে কথাগুলো বলে আল্লাহর প্রশংসা করতেন।