৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১২১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১২০১
সালাত সমাপনীর সালাম ও তার পদ্ধতি পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
জনৈক আমির অথবা কোনো এক ব্যক্তি দুইবার সালাম ফিরালেন। অতঃপর আব্দুল্লাহ (রাঃ) বললেন, “তুমি কোথা থেকে এটা পেয়েছ?”
১২০২
সালাত সমাপনীর সালাম ও তার পদ্ধতি পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ডানে এবং বামে সালাম ফিরাতে দেখতাম। এমনকি (তিনি এমনভাবে মুখ ঘুরাতেন যে,) আমি তাঁর গালের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।
১২০৩
সালাতের পর যিক্‌র পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমরা তাকবীর (আল্লাহু আকবর) পাঠ দ্বারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাত শেষ হওয়া জানতে পারতাম। অর্থাৎ - সালাত শেষ হলেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উচ্চৈঃস্বরে ‘আল্লাহু আকবর’ বলতেন। তখন আমরা বুঝতে পারতাম।
১২০৪
সালাতের পর যিক্‌র পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাত শেষ হওয়া তাকবীর পাঠ ছাড়া আর কিছু দ্বারা জানতে পারতাম না। আমর ইবনে দিনার বলেছেন: আমি পরবর্তী সময়ে (আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট থেকে হাদিসটির বর্ণনাকারী) আবু মা'বাদের হাদিসটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করলে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন: আমি তোমার কাছে এ হাদিস বর্ণনা করিনি। অথচ ইতোপূর্বে তিনি আমার নিকট হাদিসটি বর্ণনা করেছিলেন।
১২০৫
সালাতের পর যিক্‌র পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর যুগে ফরজ সালাত শেষে লোকেরা উচ্চৈঃস্বরে তাকবীর বা অন্য কোন যিকর পাঠ করত। আবু মা‘বাদ বলেন, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) আরো বলেছেন: ঐ উচ্চৈঃস্বরে শুনেই আমি সালাত শেষ হওয়ার কথা বুঝতে পারতাম।
১২০৬
ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাইরে থেকে আমার কাছে আসলেন। তখন আমার কাছে একজন ইহুদি মহিলা উপস্থিত ছিল। সে আমাকে বলছিলঃ তুমি কি জানো কবরেতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করা হবে?আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ ইহুদি মহিলার এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন। তিনি অবশ্য বললেনঃ পরীক্ষা বা ‘আযাব তো হবে ইহুদিদের।আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমরা এভাবে কয়েক রাত কাটালাম। পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি কি জানো আমার কাছে এ মর্মে ওহী পাঠানো হয়েছে যে, তোমাদেরকে কবরেতে পরীক্ষা করা হবে।আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ এর পরবর্তীকালে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কবরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি।
১২০৭
ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
তারপর থেকে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি।
১২০৮
ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
মাদিনার দুজন বৃদ্ধা ইহুদি মহিলা আমার কাছে আসলো। তারা বললঃ কবরের মানুষকে আযাব দেয়া হয়ে থাকে। আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাদের কথা মিথ্যা প্রতিপন্ন করলাম। তাদের কথা সত্য বলে বিশ্বাস করা আমার ভালো লাগলো না। পরে তারা চলে গেল।অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার কাছে আসলে আমি তাঁকে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! মাদিনার দুজন বৃদ্ধা ইহুদি মহিলা আমার কাছে এসেছিলেন। তারা বলল, কবরের মানুষকে আযাব দেয়া হয়। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তারা সত্য কথাই বলেছে। কেননা কবরের মানুষকে এমন আযাব দেয়া হয় যা চতুষ্পদ জীব-জন্তু পর্যন্ত শুনতে পায়। এ কথা বলে আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ এরপর আমি সব সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে দেখেছি।
১২০৯
ক্ববরের ‘আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এতে আছে, আয়িশা (রাঃ) বলেন, “এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখনই সালাত আদায় করেছেন, তখনই তাঁকে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে শুনেছি।”
১২১০
সালাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে সালাতে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে শুনেছি।