৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১১৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১১৮১
সালাতে ভুল-ত্রুটি হওয়া এবং এর জন্য সাহু সাজদাহ্ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন আসরের সালাত আদায় করতে তিন রাকাত আদায় করে সালাম ফিরালেন এবং নিজ কামরার মধ্যে প্রবেশ করলেন। তখন লম্বা দুইটি হাতবিশিষ্ট এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে? এ কথা শুনে তিনি (ﷺ) রাগান্বিত হয়ে বেরিয়ে আসলেন, অতঃপর যে এক রাকাত সালাত তিনি ছেড়েছিলেন তা আদায় করে সালাম ফিরালেন। এরপর সিজদাতুস সাহু দুইটি সিজদা করলেন এবং আবার সালাম ফিরালেন।
১১৮২
কুরআন তিলওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) কুরআন তিলাওয়াত করতেন। এ সময় তিনি এমন সূরাও তিলাওয়াত করতেন যাতে সিজদার আয়াত আছে। তখন তিনি সিজদা করতেন, আমরাও তার সাথে সিজদা করতাম। এমনকি (এ সময়) আমাদের মধ্যে তাঁর কপাল স্থাপনের (সিজদা করার) জায়গাটুকু পর্যন্ত পেত না।
১১৮৩
কুরআন তিলওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
কোন সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করলে যখন তিনি সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করতেন তখন আমাদের সাথে নিয়ে সিজদা করতেন। এ সময় খুব ভিড় বা জটলা হত। এমনকি আমাদের অনেকেই (কপাল স্থাপন করে) সিজদা করার মতো জায়গাটুকু পর্যন্ত পেত না। আর এ অবস্থার সৃষ্টি হত সালাতের বাইরে।
১১৮৪
কুরআন তিলওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) এক সময় সূরা ‘ওয়ান নাজম’ পাঠ করে সিজদা (তিলাওয়াতের সিজদা) করলেন। তাঁর সঙ্গে অন্য সকলেও সিজদা করল। শুধু এক বৃদ্ধ ব্যক্তি (সিজদা না করে) এক মুঠো কঙ্কর উঠিয়ে বলল: আমার জন্য এটাই যথেষ্ট। হাদীসটির বর্ণনাকারী সাহাবী আবদুল্লাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, আমি ঐ বৃদ্ধ লোকটিকে পরে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি।
১১৮৫
কুরআন তিলওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা ইবনু ইয়াসার (রহঃ)
তিনি একবার যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে সালাতে ইমামের পিছনে কিরআত তিলাওয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন। জবাবে যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) বলেছিলেনঃ সালাতে ইমামের পিছনে কিরআতের প্রয়োজন নেই। তিনি এ কথাও বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে সূরা “ওয়ান নাজমি ইযা- হাওয়া-” তিলাওয়াত করলেন। কিন্তু (সূরাটি শোনার পরও) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করলেন না।
১১৮৬
কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্‌ ইবনু ‘আবদূর রহ্‌মান (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) তাদের সামনে “ইযাস্ সামা'উন্ শাক্কাত” সূরাটি তিলাওয়াত করলেন এবং সিজদা করলেন। সিজদা শেষে তিনি তাদেরকে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ সূরাটি তিলাওয়াত করে সিজদা করেছিলেন।
১১৮৭
কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে পূর্ববর্ণিত হাদিসটির অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১১৮৮
কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমরা “ইযাস সামাউন শাক্কাত” এবং “ইকরা বিসমি রাব্বিকা” এই দুইটি সূরাতে নবী (ﷺ)-এর সাথে সিজদা করেছি [অর্থাৎ- এই দুইটি সূরা তিলাওয়াতকালে নবী (ﷺ) সিজদা করেছেন। আমরাও তাঁর সাথে সিজদা করেছি]।
১১৮৯
কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূরা “ইযাস্ সামাউন্ শাক্কাত” এবং “ইক্বরা বিস্‌মি রাব্বিক” পাঠকালে সিজদা করেছেন।
১১৯০
কুরআন তিলাওয়াতের সাজদাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উপরে বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।