৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১০৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১০৬১
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
মসজিদ নির্মাণের পূর্বে বকরির খোঁয়াড়েও সালাত আদায় করতেন।
১০৬২
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উপরে বর্ণিত হাদিসটির বিষয়বস্তুর অনুরূপ করতেন।
১০৬৩
বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
কুরআন মাজিদের আয়াত ‘‘ওয়া হায়সু মা কুনতুম ফাওয়াল্লু উজূহাকুম শাতরাহ’’ (অর্থাৎ - এখন যেখানেই তোমরা অবস্থান করো না কেন, ঐ (কাবা ঘরের) দিকে মুখ করে সালাত আদায় করো) অবতীর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আমরা ষোল মাস যাবৎ বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নবী (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। নবী (ﷺ) সালাত আদায়ের পর এ আয়াত অবতীর্ণ হলো। তখন তাদের মধ্য হতে জনৈক ব্যক্তি উঠে রওয়ানা হলো। সে সালাতরত একদল আনসারদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় তাদের কাছে হাদিসটি বর্ণনা করলেন। তারা সবাই (সালাতরত অবস্থায়ই) মুখ ফিরিয়ে বায়তুল্লাহ বা কাবা ঘরের দিকে করে নিলো।
১০৬৪
বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন পরিচ্ছেদ নাই
বারা ইবনু ‘আযিয (রাঃ)
আমরা বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে ষোল কিংবা সতের মাস পর্যন্ত রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। এরপর আমাদেরকে কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়। অর্থাৎ, ষোল কিংবা সতের মাস পরে আমরা কাবার দিকে মুখ করে সালাত আদায়ের নির্দেশ লাভ করি।
১০৬৫
‘কুবা’ নামক মসজিদে লোকজন ফজরের সালাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল, “আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওপর একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।” তখন তাদের (মসজিদে কুবায় সালাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বাইতুল মাকদিস বা মসজিদে আকসার, যা বর্তমানে ফিলিস্তিনে অবস্থিত) দিকে। অতঃপর (সালাতরত অবস্থায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
‘কুবা’ নামক মসজিদে লোকজন ফজরের সালাত আদায় করছিল। ঠিক তখনই একজন আগন্তুক এসে তাদেরকে বলল, “আজ রাতে কা’বার দিকে মুখ ফিরিয়ে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওপর একটি আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।” তখন তাদের (মসজিদে কুবায় সালাত আদায়কারী মুসল্লীদের) মুখ ছিল শামের (বাইতুল মাকদিস বা মসজিদে আকসার, যা বর্তমানে ফিলিস্তিনে অবস্থিত) দিকে। অতঃপর (সালাতরত অবস্থায়) তারা কা’বার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো।
১০৬৬
বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন পরিচ্ছেদ নাই
সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ইবনু ‘উমার ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু দীনার-এর মাধ্যমে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
লোকজন ফজরের সালাত আদায় করছিল। ঠিক তখন একজন সেখানে এসে হাজির হলো ... এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি মালিক বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন।
১০৬৭
বায়তুল মুকাদ্দাস হতে কা’বার দিকে ক্বিবলাহ্ পরিবর্তন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন। তারপর এক সময় এ আয়াত অবতীর্ণ হলো قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ অর্থাৎ- “আমি বারবার তোমাকে আসমানের দিকে তাকানো দেখেছি। এখন আমি তোমাকে তোমার পছন্দনীয় কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলাম। সুতরাং তুমি তোমার মুখ মসজিদুল হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও”—(সূরা আল বাক্বারাহ ২:১৩৩)। এরপর জনৈক ব্যক্তি ভোরবেলা বানু সালামা গোত্রের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করছিল। সে দেখতে পেল তারা ফজর সালাতের এক রাকাত আদায় করেছে এবং দ্বিতীয় রাকাতে রুকুতে আছে। তখন সে ডেকে বলল, কেবলা কিন্তু পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। (এ কথা শুনার পর) তারা সালাতরত অবস্থায়ই (নতুন) কেবলার দিকে ঘুরে গেল।
১০৬৮
ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
উম্মু হাবীবা (রাঃ) ও উম্মু সালামা (রাঃ) (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দুই স্ত্রী) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এমন একটি গির্জার বর্ণনা দিলেন যার মধ্যে মূর্তি বা ছবি ছিল যা তাঁরা হাবশায় দেখেছিলেন। তাঁদের কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তারা এরূপই করে থাকে। তাদের মধ্যকার কোন নেক লোক মারা গেলে তারা তার কবরের উপর মসজিদ নির্মাণ করে এবং তার মধ্যে ছবি বা মূর্তি স্থাপন করে। কেয়ামতের দিন এরা হবে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট সৃষ্টি।”
১০৬৯
ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন পীড়িত ছিলেন, তখন সাহাবীগণ তাঁর কাছে কথা-বার্তা বললেন। তখন উম্মু সালামা (রাঃ) ও উম্মু হাবিবা (রাঃ) গির্জার কথা বর্ণনা করলেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদিসটিতে পূর্বে বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন।
১০৭০
ক্ববরের উপর মসজিদ নির্মাণ, মাসজিদে ছবি বানানো, ক্ববরকে সাজদার স্থান নির্ধারণ করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ আবিসিনিয়ায় (যা বর্তমানে ইথিওপিয়া) ‘মারিয়া’ নামক যে এক রকম গির্জা দেখেছিলেন তার আলোচনা করলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর বর্ণনাকারী হাদিসটির অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন।