৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১০৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১০৪১
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে উম্মু সালামার ঘরে একটি কাপড় পরে সালাত আদায় করতে দেখেছি। তিনি এর দুই দিক দুই বিপরীত কাঁধে রেখেছিলেন।
১০৪২
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনু আবূ সালামাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একটি মাত্র কাপড় পড়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি। এর দুই কিনারা দুই কাঁধের উপর দিয়ে সামনে টেনে এনে বুকের উপর গিট দিয়েছেন। ঈসা ইবনু হাম্মাদের বর্ণনায় কাঁধের উপর বেঁধেছেন বলে অতিরিক্ত আছে।
১০৪৩
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে একটি কাপড় পরে সালাত আদায় করতে দেখেছি। তিনি কাপড়টির দুই মাথা পিছন দিক থেকে দুই কাঁধের উপর দিয়ে ঘুরিয়ে এনে বুকের উপর বেঁধেছেন।
১০৪৪
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
সুফ্‌ইয়ান (রহঃ)
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবনু নুমাইর-এর বর্ণনায় আছে: আমি (জাবির) রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে প্রবেশ করলাম।
১০৪৫
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র আল মাক্কী (রহঃ)
তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে একটি কাপড়ে জড়িয়ে সালাত আদায় করতে দেখেছেন। অথচ তাঁর কাছে আরো কাপড় বর্তমান ছিল। জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, তিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এমনটি করতে দেখেছেন।
১০৪৬
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমাকে আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) বলেছেন, একদিন তিনি নবী (ﷺ)-এর কাছে আগমন করলেন। আমি তাঁকে একটি চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করতে এবং সিজদা করতে দেখলাম। তিনি আরও বলেন, আমি একটি কাপড় দ্বারা জড়িয়ে সালাত আদায় করতে দেখলাম।
১০৪৭
একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা এবং তা পরিধান করার নিয়ম বিধান পরিচ্ছেদ নাই
আল আ‘মাশ (রহঃ)
এ সূত্রেও উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আবু কুরায়ব-এর বর্ণনায় আছে, কাপড়ের দু’কিনার দু’কাঁধের উপর ছিল। আবু বকর ও সুয়াইদ-এর বর্ণনায় আছে, তিনি ডান কাঁধের কাপড় বাম হাতের নিচে এবং বাম কাঁধের কাপড় ডান হাতের নিচে দিয়ে পরে একত্র করে বুকের উপর বেঁধেছিলেন।
১০৪৮
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবু যার (রাঃ)
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! পৃথিবীতে কোন মসজিদটি সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল? তিনি বললেন, মসজিদুল হারাম। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম এরপর কোনটি (মসজিদটি)? তিনি বললেন, আল মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মাকদিস। আমি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম, এ দুটি মসজিদের নির্মাণকালের মধ্যে ব্যবধান কত? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। (তিনি আরও বললেনঃ) যে স্থানেই সালাতের সময় উপস্থিত হবে, তুমি সেখানেই সালাত আদায় করে নিবে। কারণ সে জায়গাটাও মসজিদ। আবু কামিল বর্ণিত হাদিসে আছে, তাই যেখানেই সালাতের সময় হবে, তুমি সেখানেই সালাত আদায় করে নিবে। কারণ সেটিও মসজিদ।
১০৪৯
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবরাহীম ইবনু ইয়াযীদ আত্ তায়মী (রহঃ)
আমি আমার পিতাকে “সাদ্দাহ” অর্থাৎ মসজিদের দরজার বাইরে কুরআন মাজিদ পাঠ করে শুনাতাম। আমি সিজদার আয়াত পড়লে তিনি তখন সিজদা করতেন। আমি তাকে বলতাম, আব্বাজান! আপনি রাস্তায় সিজদা করছেন? তিনি বলতেন, আমি আবু যার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে পৃথিবীতে নির্মিত সর্বপ্রথম মসজিদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, মসজিদুল হারাম (সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল)।আমি জিজ্ঞাসা করলাম, এর পর কোন মসজিদ (নির্মিত হয়েছিল?) তিনি বললেন, মসজিদুল আকসা। আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, এই দুইটি মসজিদের (নির্মিত কাজের) মধ্যে কতদিনের ব্যবধান? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। এছাড়া গোটা পৃথিবীই তো মসজিদ। সুতরাং যেখানেই সালাতের সময় হবে, সেখানেই সালাত আদায় করে নেবে।
১০৫০
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল আনসারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিশেষ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা অন্য কোন নবীকে দেয়া হয়নি, প্রত্যেক নবীকে শুধু তার কওমের জন্য পাঠানো হতো। কিন্তু আমাকে সাদা ও কালো সবার জন্য নবী করে পাঠানো হয়েছে। আমার জন্য গণিমত বা যুদ্ধলব্ধ অর্থ-সম্পদ হালাল করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আমার পূর্বে আর কারো (কোন নবীর) জন্য তা হালাল ছিল না।আমার জন্য গোটা পৃথিবী পাক-পবিত্র ও মসজিদ করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং সালাতের সময় হলে যে কোন লোক যে কোন স্থানে সালাত আদায় করে নিতে পারে। আমাকে এক মাসের পথের দূরত্ব পর্যন্ত অত্যন্ত শান শওকত সহকারে (শত্রু ও অন্তর ভীতি দ্বারা) সাহায্য করা হয়েছে। আর আমাকে শাফা’আতের সুযোগ দান করা হয়েছে।