৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১০৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১০৫১
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)
নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন..... অতঃপর তিনি উপরে বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
১০৫২
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
হুযায়ফাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: অন্য সব লোকের চেয়ে তিনটি বিষয়ে আমাদেরকে (উম্মতে মুহাম্মাদীকে) মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাদের (সালাতের) কাতার বা সারি ফেরেশতাদের কাতার বা সারির মত করা হয়েছে। সমগ্র পৃথিবী আমাদের জন্য মসজিদ করে দেয়া হয়েছে। আর পানি না পেলে পৃথিবীর মাটিকে আমাদের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ করে দেয়া হয়েছে। এরপর তিনি আরেকটি বিষয়ও উল্লেখ করলেন।
১০৫৩
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
হুযায়ফাহ্ (রাঃ)
তিনি (ﷺ) বলেছেন, ........ এরপর এ কথা বলে তিনি পূর্ব বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করলেন।
১০৫৪
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অন্য সব নবীদের চাইতে আমাকে ছয়টি বিশেষ মর্যাদা দান করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গণীমতের (যুদ্ধলব্ধ) অর্থ সম্পদ হালাল করা হয়েছে। আমার জন্য গোটা পৃথিবীর ভূমি বা মাটি পবিত্রতা হাসিলকারী বা মসজিদ করা হয়েছে। আমাকে সমগ্র সৃষ্টির জন্য (নবী করে) পাঠানো হয়েছে। আর আমাকে দিয়ে নবীদের আগমন-ধারা সমাপ্ত করা হয়েছে।
১০৫৫
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। আমাকে অত্যন্ত প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধনভাণ্ডারের চাবিসমূহ এনে আমার হাতে দেয়া হলো। আবু হুরায়রা (রাঃ) (এর ব্যাখ্যা করে) বলেছেন: রসূলুল্লাহ (ﷺ) তো বিদায় নিয়ে চলে গিয়েছেন, আর তোমরা তা আহরণ করে চলেছ।
১০৫৬
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর ইউনুস বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
১০৫৭
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরায়রাহ্ (রাঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) এর মাধ্যমে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
১০৫৮
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবুত্ ত্বহির (রহঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (ﷺ) বলেছেন, আমাকে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দান করা হয়েছে। আর একদিন ঘুমের মাঝে স্বপ্নে আমার কাছে পৃথিবীর ধনভাণ্ডারের চাবিসমূহ এনে আমার হাতে দেয়া হয়েছে।
১০৫৯
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাদ ইবনু মুনাববিহ (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) ... রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করে আমাদের শুনালেন। তার মধ্যে একটি হাদীস হলো, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমাকে প্রবল প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে এবং আমাকে সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক কথা বলার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
১০৬০
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদ নির্মাণ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হিজরত করে মদিনায় আগমন করলেন, মদিনার উচ্চভূমিতে বনি আমর ইবন আওফ গোত্রের এলাকায় অবতরণ করলেন এবং সেখানে চৌদ্দ রাত অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি বনি নাজ্জার গোত্রের লোকজনকে ডেকে পাঠালেন, তারা সবাই (খোলা) তরবারিসহ আগমন করলো।হাদীসের বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ) বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর সওয়ারী বা বাহনের উপর দেখতে পাচ্ছি। আবু বকর (রাঃ) তাঁর পেছনে বসে আছেন এবং বনি নাজ্জারের লোকজন তাঁকে ঘিরে আছেন। অবশেষে তিনি আবু আইয়ুব (আনসারি) বাড়ির আঙিনায় অবতরণ করলেন। বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ) বলেছেন, সালাতের সময় হলেই রসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করে নিতেন। এমনকি তিনি বকরির খোঁয়াড়েও সালাত আদায় করতেন।পরে তিনি মসজিদ নির্মাণ করতে আদিষ্ট হলে বনি নাজ্জার গোত্রের নেতৃস্থানীয় লোকদের ডেকে পাঠালেন। তারা উপস্থিত হলে তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “হে বনি নাজ্জার! তোমরা তোমাদের এ বাগানটি অর্থের বিনিময়ে আমার কাছে বিক্রি কর।” তারা বলল, “না, আল্লাহর শপথ! আমরা আল্লাহর নিকট ছাড়া আপনার কাছে এর মূল্য দাবী করব না।”আনাস (রাঃ) বলেন, ঐ বাগানটিতে যা ছিল তা আমি বর্ণনা করছি। ঐ বাগানে ছিল খেজুর গাছ, মুশরিকের কিছু কবর এবং কিছু ঘর-বাড়ির ধ্বংসস্তূপ। অতঃপর রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশে খেজুর গাছগুলো কেটে ফেলা হলো, মুশরিকদের কবরগুলো খুঁড়ে ফেলা হলো এবং ধ্বংসাবশেষগুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হলো। তারা (কর্তিত) খেজুর গাছের গুড়িসমূহ কেবলার দিকে সারি করে রাখল এবং দরজার দু’পাশে পাথর স্থাপন করল।আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, এসব কাজ করার সময় তারা একসুরে কবিতা আবৃতি করছিল এবং তাদের সাথে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-ও একসুরে কবিতা আবৃতি করছিলেন। তারা বলছিল, “হে আল্লাহ! আখিরাতের কল্যাণ ছাড়া প্রকৃত কোন কল্যাণ নেই। তুমি আনসার ও মুহাজিরদের সাহায্য করো।”