৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১০১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১০০১
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
তাবুকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সালাত আদায়কারীর সামনের সুতরা (আড়াল) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বললেন: হাওদার পিছনের খুঁটির ন্যায়।
১০০২
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ঈদের সালাত আদায় করতে বের হতেন, একটি বর্শা সাথে নেয়ার জন্য নির্দেশ দিতেন। এটা তাঁর সামনে দাঁড় করিয়ে রাখা হত এবং তিনি এর দিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর পিছনে থাকত। তিনি সফরে থাকাকালীন সময়েও এমন করতেন। তাঁর পরবর্তী সময়ের শাসকগণও এটাকে সুতরাহ হিসেবে ব্যবহার করতেন।
১০০৩
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) সামনের দিকে আনাযাহ (বর্শা) পুঁতে দিতেন। অধস্তন রাবী আবু বকর-এর বর্ণনায় আছে: তিনি বল্লম পুঁতে দিতেন এবং সেদিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন। আবু শাইবা বলেন, উবায়দুল্লাহ বলেছেন, এটা ছিল বর্শা।
১০০৪
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) তাঁর উট আড়াআড়ি করে বসাতেন। অতঃপর তা সামনে রেখে সালাত আদায় করতেন।
১০০৫
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ
নবী (ﷺ) তাঁর বাহনকে সামনে রেখে সালাত আদায় করতেন। ইবনু নুমায়ের-এর বর্ণনায় রয়েছে: নবী (ﷺ) (সফরে থাকাকালীন সময়ে) তাঁর উট সামনে রেখে সালাত আদায় করতেন।
১০০৬
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ্‌ (রাঃ) থেকে তার পিতা
তিনি (জুহাইফা) বলেন, আমি মক্কায় নবী (ﷺ)-এর কাছে আসলাম। তিনি তখন আবতাহ (মুহাসসাব) নামক স্থানে লাল চামড়ার তৈরি একটি তাঁবুতে অবস্থান করছিলেন। রাবী বলেন, বিলাল (রাঃ) তাঁর ওজুর পানি নিয়ে আসলেন। কেউ পানি পেল, কেউ পেল না- সে অন্যের কাছ থেকে সামান্য নিয়ে নিল। নবী (ﷺ) বের হয়ে আসলেন। তাঁর গায়ে লাল রং-এর চাদর শোভা পাচ্ছিল। আমি যেন তাঁর পায়ের গোছার শুভ্রতা এখনো দেখতে পাচ্ছি।তিনি ওজু করলেন এবং বিলাল (রাঃ) আজান দিলেন। আমি তাঁর (বিলাল) অনুসরণ করে এদিকে-ওদিক মুখ ঘুরাতে লাগলাম। সে ডানে বাঁয়ে মুখ ঘুরিয়ে “হাইয়া আলাস সালাহ” ও “হাইয়া আলাল ফালাহ” বলল। রাবী বলেন, অতঃপর একটি বর্শা দাঁড় করিয়ে পুঁতে দেয়া হলো। তিনি সামনে অগ্রসর হয়ে যুহরের দুই রাকাত (ফরজ) সালাত আদায় করলেন। তাঁর (সুতরার) সামনে দিয়ে গাধা, কুকুর ইত্যাদি যাচ্ছিল কিন্তু তিনি বাধা দিলেন না। অতঃপর তিনি আসরের ফরজ সালাতও দুই রাকাত পড়লেন। মাদিনা-য় ফিরে আসার সময় পর্যন্ত তিনি এভাবে দুই রাকাত করে সালাত আদায় করেছেন।
১০০৭
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ্‌ (রাঃ)
তাঁর পিতা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে লাল চামড়ার তৈরি তাঁবুর মধ্যে দেখতে পেলেন। আমি (আবু জুহাইফা) বিলাল (রাঃ)-কে তাঁর ওজুর অবশিষ্ট পানি নিয়ে বের হয়ে আসতে দেখলাম। যারা তা পেল, তারা নিজেদের শরীরে তা মাখল। আর যারা তা পায়নি, তারা নিজেদের সাথীদের ভেজা হাতের স্পর্শ লাভ করল।অতঃপর আমি দেখলাম, বিলাল (রাঃ) একটি বর্শা বের করে এনে তা মাটিতে পুঁতে দিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লাল এক জোড়া চাদর পরিধান করে তা পায়ের গোছা পর্যন্ত উঁচু করে বের হলেন। অতঃপর তিনি বর্শাটি সামনে রেখে লোকদের নিয়ে দুই রাকাত ফরজ সালাত আদায় করলেন। আমি বর্শার বহিরাংশ দিয়ে মানুষ এবং চতুষ্পদ জন্তু অতিক্রম করতে দেখলাম।
১০০৮
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আওন ইবনু আবূ জুহাইফাহ্‌ (রাঃ
তিনি তাঁর পিতার সূত্রে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মালিক ইবন মিগওল-এর বর্ণনায় আছে: যখন দুপুর হলো, বিলাল (রাঃ) এসে সালাতের জন্য আজান দিল।
১০০৯
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ জুহাইফাহ্‌ (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুপুর বেলা তাঁবু থেকে বের হয়ে মাঠের দিকে গেলেন, অতঃপর ওজু করলেন। অতঃপর তিনি যুহরের সময়ের দুই রাকাত এবং আসরের সময়েরও দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তাঁর সামনে একটি বর্শা ছিল। শু’আবাহ বলেন, আওন তার পিতা আবু জুহাইফা (রাঃ) সূত্রে আরো বর্ণনা করেছেন যে, বর্শার অপরদিক দিয়ে মহিলা এবং গাধা অতিক্রম করছিল।
১০১০
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্‌ (রাঃ)
তিনি এ সূত্রে উপরোল্লিখিত সূত্রদ্বয়ের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হাকামের বর্ণনায় আরো আছে : লোকেরা তাঁর ওজুর অবশিষ্ট পানি (গায়ে মাখার জন্য বরকতস্বরূপ) নিতে লাগল।