৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১০০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৯৯১
সাজদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, উভয় হাতের তালু জমিনে রাখা, উভয় কনুই পাঁজর থেকে পৃথক রাখা এবং সাজদায় পেট উরু থেকে উঁচু ও পৃথক রাখা। পরিচ্ছেদ নাই
বারা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তুমি সিজদা করো তোমার হাতের তালু মাটিতে রাখো এবং উভয় কনুই উঁচু করে রাখো।
৯৯২
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইব্‌নে মালিক ইবনু বুহাইনাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায় করার সময় দুই হাত (পাঁজর থেকে) এমনভাবে ফাঁকা রাখতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত।
৯৯৩
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
জা’ফার ইব্‌নে রাবী’আহ্ (রহঃ)
সূত্রে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে আমর ইবন হারিস-এর বর্ণনায় নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, তখন উভয় বাহু প্রসারিত করে রাখতেন। এর ফলে তার বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। লায়স-এর বর্ণনায় নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, উভয় বাহু পার্শ্বদেশ থেকে পৃথক রাখতেন। এমনকি আমি (আবদুল্লাহ ইবন মালিক ইবন বুহাইনাহ) তার বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।
৯৯৪
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
মাইমুনাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, কোন মেষ শাবক ইচ্ছা করলে তাঁর বাহুর ফাঁক দিয়ে চলে যেতে পারত।
৯৯৫
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর স্ত্রী মাইমুনাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, দু’বাহু এমনভাবে (পাঁজর থেকে) ফাঁকা রাখতেন যে, তাঁর পিছন থেকে বগলের শুভ্রতা দেখা যেত। তিনি যখন বসতেন, বাম উরুর উপর শান্তভাবে বসতেন।
৯৯৬
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
(উম্মুল মু’মিনিন) মাইমুনাহ্ বিনতু হারিস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সিজদা করতেন, বাহুদ্বয় (পাঁজর থেকে) ফাঁকা রাখতেন। এমনকি তাঁর পিছনের ব্যক্তিটি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেত। ওয়াকিয়া (রহঃ) বলেন, মাইমূনা (রাঃ) ঔজ্জ্বল্য দ্বারা ‘শুভ্রতা’ বুঝিয়েছেন।
৯৯৭
সালাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সালাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সালাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলে সালাত শুরু করতেন এবং সূরা আল-ফাতিহা দিয়ে কিরাআত পাঠ শুরু করতেন। তিনি যখন রুকূ করতেন, ঘাড় থেকে মাথা নীচু করতেন না, উপরেও উঁচু করে রাখতেন না বরং একই সমতলে রাখতেন। তিনি যখন রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন, সোজা হয়ে না দাঁড়িয়ে সিজদা করতেন না। তিনি (প্রথম) সিজদা থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে না বসা পর্যন্ত (দ্বিতীয়) সিজদায় যেতেন না। তিনি প্রতি দুই রাকাত অন্তর “আত্তাহিয়্যাতু” পাঠ করতেন। তিনি বসার সময় বাম পা বিছিয়ে দিতেন এবং ডান পা দাঁড় করিয়ে রাখতেন। তিনি শয়তানের বসা থেকে নিষেধ করতেন। তিনি পুরুষদের হিংস্র জন্তুর ন্যায় দু’হাত মাটিতে ছড়িয়ে দিতে নিষেধ করতেন। তিনি সালামের মাধ্যমে সালাতের সমাপ্তি ঘোষণা করতেন।ইবনু নুমাইর থেকে আবু খালিদের সূত্রে বর্ণিত আছে : তিনি শয়তানের মতো বসতে নিষেধ করতেন।
৯৯৮
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
মূসা ইবনু তাল্‌হাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি নিজের সামনে হাওদার (উটের পিঠে আসনের পিছভাগে দাঁড় করা) কাঠের ন্যায় কিছু রেখে দিয়ে নিশ্চিন্তে সালাত আদায় করতে পারে। এ সুতরার পিছন দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে সেদিকে তাকে ভ্রুক্ষেপ করতে হবে না।
৯৯৯
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
মূসা ইবনু তালহাহ্‌ (রাঃ)
আমরা সালাত আদায় করতাম, আর এমন সময় আমাদের সামনে দিয়ে জীবজন্তু চলাফেরা করত। এ ব্যাপারটি আমরা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে উত্থাপন করলাম। তিনি বললেন: তোমাদের কারো সামনে হাওদার পিছনের কাঠের ন্যায় কিছু দাঁড় করানো থাকলে, তার সামনে দিয়ে কোন কিছু যাতায়াত করলে তাতে কোন ক্ষতি নেই।ইবনু নমাইর-এর বর্ণনায় আছে : তার সামনে দিয়ে যে লোকই অতিক্রম করুক তাতে কোন ক্ষতি হবে না।
১০০০
সালাত আদায়কারীর সামনে সুত্‌রাহ্‌ (আড়াল) দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সালাত আদায়কারীর সামনে সুতরাহ রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বললেনঃ হাওদার পিছনের খুঁটির মতো।