৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৯২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৯১১
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
কুত্‌বাহ্‌ ইবনু মালিক (রাঃ)
আমি সালাত আদায় করেছি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সালাত আদায় করিয়েছেন। তিনি “ক্বাফ, ওয়াল কুরআনিল মাজীদ” অর্থাৎ- “ক্বাফ, সম্মানিত কুরআনের শপথ”- (সূরা ক্বাফ ৫০ : ১) পাঠ করলেন। তিনি “ওয়ান নাখলা বাসিকাতিন” অর্থাৎ- “লম্বা খেজুর বৃক্ষ...”- (সূরা ক্বাফ ৫০ : ১০) পর্যন্ত পাঠ করলেন। রাবী বলেন, আমিও তা পাঠ করলাম কিন্তু এর তাৎপর্য বুঝতে পারতাম না।
৯১২
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
কুত্‌বাহ্‌ ইবনু মালিক (রাঃ)
তিনি ফজরের সালাতে নবী (ﷺ)-কে “ওয়ান্‌ নাখলা বাসিকাতিন লাহা তল‘উন নযীদ” অর্থাৎ- “লম্বমান খেজুর বৃক্ষ যাতে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ খেজুর”- (সূরা ক্বাফ ৫০ : ১০) পাঠ করতে শুনেছেন।
৯১৩
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
যিয়াদ ইবনু ‘ইলাকাহ্‌
তিনি (চাচা) নবী (ﷺ)-এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। তিনি প্রথম রাকাতে “ওয়ান নাখলা বাসিকাতিন লাহা তালউন নাযীদ”- (সূরা ক্বাফ ৫০ : ১০) পাঠ করলেন। কখনো তিনি বলেছেন, নবী (ﷺ) সূরা ক্বাফ পাঠ করলেন।
৯১৪
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে “ক্বাফ, ওয়াল কুরআনিল মাজীদ” (সূরা ক্বাফ ৫০:১) পাঠ করতেন। এর পরে তাঁর সালাতগুলো সংক্ষিপ্তাকার ছিল।
৯১৫
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
সিমাক ইবনু হারব (রহঃ)
আমি জাবির ইবন সামুরা (রাঃ)-এর কাছে নবী (ﷺ)-এর সালাত সম্পর্কে জানতে চাইলাম। তিনি বললেন, তিনি হালকাভাবে সালাত আদায় করতেন। ঐসব লোকের মত (বড় বড় সূরা দিয়ে) সালাত আদায় করতেন না।তিনি আরো বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতে সূরা ক্বাফ বা এ আকারের সূরা পাঠ করতেন।
৯১৬
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) যুহরের সালাতে “ওয়াল-লাইলি ইযা ইয়াগ্‌শা” (সূরা আল-লাইল ৯২ : ১) পাঠ করতেন এবং আসরের সালাতেও অনুরূপ কোন সূরা পাঠ করতেন। ফজরের সালাতে তিনি এর চেয়ে দীর্ঘ সূরা পাঠ করতেন।
৯১৭
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) যুহরের সালাতে “সাব্বিহিস্‌মা রব্বিকাল আ'লা” অর্থাৎ- “তুমি তোমার সর্বোচ্চ প্রতিপালকের নামের ঘোষণা কর”- (সূরা আ'লা ৮৭:১) পাঠ করতেন এবং ফজরের সালাতে এর চেয়ে লম্বা সূরা পাঠ করতেন।
৯১৮
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভোরের (ফজরের) সালাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বার্‌যাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভোরের (ফজরের) সালাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।
৯১৯
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বারযাহ্‌ আল আস্‌লামী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশ আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।
৯২০
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
উম্মুল ফায্‌ল বিনতু হারিস (রাঃ)
তিনি আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে “ওয়াল মুরসালাতি উরফান” (সূরা মুরসালাত) পাঠ করতে শুনলেন। তিনি (উম্মু ফজল) বললেন, হে বৎস! তুমি এ সূরা পাঠ করে আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলে যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে সর্বশেষ যে সূরাটি শুনেছি তা ছিল এ সূরা (সূরা মুরসালাত)। তিনি এটা মাগরিবের সালাতে পড়েছিলেন।