৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৯১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৯০১
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
আমরা যুহর ও আসরের সালাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কিয়ামের (দাঁড়ানোর) পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা করতাম। যুহরের প্রথম দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ ছিল সূরা “আলিফ, লাম, মীম, তানযীলুস সিজদা” পাঠ করার পরিমাণ সময়।তার পরবর্তী দুই রাকাতে আমরা তাঁর কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি ঐ সূরার অর্ধেক পাঠ করার পরিমাণ সময়। আমরা আসরের দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি যুহরের শেষের দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ সময়।আর আসরের শেষ দুই রাকাতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ ছিল- প্রথম দুই রাকাতের অর্ধেক পরিমাণ সময়। আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ তাঁর বর্ণনায় সূরা “আলিফ লাম মীম তানযীলের” উল্লেখ করেননি। তিনি কিয়ামের পরিমাণ ত্রিশ আয়াত পাঠের পরিমাণ সময় উল্লেখ করেছেন।
৯০২
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
নবী (ﷺ) যুহরের প্রথম দুই রাকাতে ত্রিশ আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন এবং শেষের দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে পনেরো আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন। অথবা (রাবীর সন্দেহ) তিনি (আবু সা‘ঈদ) বলেছেন, এর অর্ধেক পরিমাণ। তিনি আসরের প্রথম দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে পনেরো আয়াত পরিমাণ পাঠ করতেন এবং শেষের দুই রাকাতের প্রতি রাকাতে এর অর্ধেক পরিমাণ পাঠ করতেন।
৯০৩
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
কুফার অধিবাসীরা (তাদের গভর্নর) সা’দ (রাঃ) -এর বিরুদ্ধে তাঁর সালাত সম্পর্কে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) -এর কাছে অভিযোগ করল। উমর (রাঃ) তাঁকে ডেকে পাঠালেন। তিনি তাঁর দরবারে উপস্থিত হলেন। উমর (রাঃ) তাঁর সালাত সম্পর্কে উত্থাপিত অভিযোগ তাঁকে শুনালেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি তাদেরকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনুরূপ সালাত আদায় করি। এতে কোনোরূপ ত্রুটি করি না। আমি প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করি এবং শেষের দুই রাকাত সংক্ষিপ্ত করি। উমর (রাঃ) বললেন, হে আবূ ইসহাক (সা’দ)! এটাই তোমার কাছে আশা করি।
৯০৪
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
কুতাইবাহ্‌ ইবনু সা’ঈদ ও ইসহাক্‌ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ) ‘আবদুল মালিক ইবনু ‘উমায়র (রাঃ)
এ সনদে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৯০৫
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি জাবির ইবন সামুরার কাছে শুনেছি, তিনি বলেন, উমর (রাঃ) সা’দকে বললেন, তারা তোমার বিরুদ্ধে সব ব্যাপারেই অভিযোগ এনেছে; এমনকি সালাতের ব্যাপারেও। সা’দ (রাঃ) বললেন, আমি তো প্রথম দুই রাকাত লম্বা করে থাকি এবং পরবর্তী দুই রাকাত সংক্ষেপ করে থাকি। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সালাত আদায়ের নিয়ম অনুসরণ করতে মোটেও ত্রুটি করি না। উমর (রাঃ) বললেন, তোমার কাছ থেকে এটাই আশা করি অথবা তিনি বলেছেন, তোমার সম্পর্কে আমার এটাই ধারণা।
৯০৬
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আরো আছে, “সা’দ (রাঃ) বললেন, বেদুঈনরা আমাকে সালাত শিখাতে চায়?”
৯০৭
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
যুহরের সালাত শুরু হয়ে যেত। অতঃপর কোনো ব্যক্তি প্রয়োজন (প্রস্রাব-পায়খানা) পূরণের জন্য বাকি‘ নামকস্থানে যেত। সে নিজের প্রয়োজন সেরে ওজু করে এসে দেখত—রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখনো প্রথম রাকাতে আছেন। তিনি সালাত এতটা লম্বা করতেন।
৯০৮
যুহ্‌র ও ‘আস্‌র-এর সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
কায’আহ্‌ (রহঃ)
আমি আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) এর কাছে আসলাম, এ সময় তার কাছে অনেক লোক উপস্থিত ছিল। তারা তাঁর কাছ থেকে চলে গেলে আমি তাকে বললাম, তারা আপনার কাছে যা জিজ্ঞেস করেছে আমি তা জিজ্ঞেস করব না। আমি বললাম, আমি আপনার কাছে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করব।আবু সাঈদ (রাঃ) বললেন, এটা জানার মধ্যে তোমার কোন কল্যাণ নেই। কেননা, তুমি তাঁর মতো সালাত পড়তে সক্ষম হবে না। তিনি পুনরায় তাই জানতে চাইলেন। তখন আবু সাঈদ (রাঃ) বললেন, যুহরের সালাত শুরু হয়ে যাওয়ার পর আমাদের কোন ব্যক্তি 'বাকী' নামক স্থানে যেত। সে নিজের প্রয়োজন সেরে নিজ বাড়িতে এসে ওজু করে পুনরায় মসজিদে যেত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখনো প্রথম রাকআতেই থাকতেন।
৯০৯
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু সায়িব (রাঃ)
নবী (ﷺ) আমাদেরকে নিয়ে মক্কায় ভোরের (ফজরের) সালাত আদায় করলেন। তিনি সূরা আল মু’মিনূন পড়া শুরু করলেন। তিনি তা পড়তে পড়তে মূসা ও হারুন (আঃ) অথবা ঈসা (আঃ)-এর আলোচনা সম্পর্কিত আয়াতে পৌঁছে গেলেন। (এ ব্যাপারে মুহাম্মাদ ইবন আব্বাদ সন্দেহে পড়ে গেছেন অথবা রাবীদের মধ্যে মতভেদের সৃষ্টি হয়েছে)। এ সময় নবী (ﷺ)-এর কাশি আসলে তিনি রুকূতে চলে গেলেন। আবদুল্লাহ ইবন সাইবও সালাতে উপস্থিত ছিলেন। আবদুর রায্জাকের বর্ণনায় রয়েছে, ‘তিনি কিরাআত পাঠ থামিয়ে দিয়ে রুকূতে চলে গেলেন।’ তিনি তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবন আমর নাম উল্লেখ করেছেন, কিন্তু ইবনুল আস-এর নাম উল্লেখ করেননি।
৯১০
ফজরের সালাতের কিরাআত পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু হুরায়স (রাঃ)
তিনি ফজরের সালাতে নবী (ﷺ)-কে “ওয়াল লাইলি ইজা আসআসা” অর্থাৎ “শপথ রাতের যখন সে চলে যেতে থাকে”-(সূরা আত তাকওয়ীর ৮১:১৭) পাঠ করতে শুনেছেন।