৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৮৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৮৮১
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
বিলাল ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার অধিকারে তোমরা বাধা দিও না। তারা যদি তোমাদের নিকট অনুমতি চায়।”বিলাল বললেনঃ “আল্লাহর শপথ! অবশ্যই আমরা তাদেরকে বাধা দিব।”ইবনু উমর উত্তরে বললেনঃ “আমি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নির্দেশ সম্পর্কে অবহিত করছি, আর তুমি বলছ : তাদেরকে অবশ্যই বাধা দিব।”
৮৮২
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
সাকীফ গোত্রের যাইনাব আস্ সাকাফিয়্যাহ্ (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের (মহিলাদের) কেউ যখন ইশার সালাতে শামিল হতে চায়, সে রাতে সে যেন সুগন্ধি ব্যবহার না করে।
৮৮৩
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহর স্ত্রী যাইনাব (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বললেনঃ তোমাদের কোন নারী যখন মসজিদে উপস্থিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে, সে যেন সুগন্ধি স্পর্শ না করে আসে।
৮৮৪
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
যে কোন স্ত্রীলোক সুগন্ধি দ্রব্যের ধোঁয়া গ্রহণ করে, সে যেন আমাদের সাথে ইশার সালাতে শামিল না হয়।
৮৮৫
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান-এর কন্যা ‘আমরাহ্ (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, মহিলারা (সাজসজ্জার যেসব) নতুন পন্থা বের করে নিয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এগুলো দেখলে বনী ইসরাঈলের মহিলাদের মত তাদেরকেও মসজিদে আসতে নিষেধ করতেন। ইয়াহিয়া ইবন সাঈদ বলেনঃ আমি আমরা কে জিজ্ঞেস করলাম, ইসরাঈল বংশের মহিলাদেরকে কি মসজিদে আসতে নিষেধ করে দেয়া হয়েছিল? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।
৮৮৬
অবাঞ্ছিত কিছু ঘটার সম্ভাবনা না থাকলে মহিলাদের মাসজিদে যাওয়া কিন্তু সুগন্ধি মেখে তারা বের হবে না পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (রহঃ)
উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৮৮৭
সালাতে মধ্যম আওয়াজে কিরাআত পাঠ করবে, যদি সশব্দে কিরাআত পাঠ করাতে অবাঞ্ছিত কিছু বিপদের সম্ভাবনা থাকে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আল্লাহ তা’আলার বাণী- “নিজেদের সালাত খুব উচ্চৈঃস্বরেও পড়বে না এবং খুব নিচু স্বরেও পড়বে না, (এর মাঝামাঝি আওয়াজে পড়বে)”-(সূরা বনী ইসরাইল/ইসরা ১৭ : ১১০)।তিনি এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেন, এ আয়াত এমন এক সময় নাযিল হয় যখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কায় (লোকচক্ষুর অন্তরালে) গোপন জীবন-যাপন করছিলেন। অতঃপর তিনি সাহাবীদের নিয়ে যখন সালাত আদায় করতেন উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করতেন। মুশরিকরা যখন তা শুনতে পেত তারা কুরআনের অবতীর্ণকারী এবং এটা নিয়ে আগমনকারীকে গালি দিত।মহান আল্লাহ তাঁর নবী (ﷺ)-কে বললেনঃ “তোমার সালাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ করো না।” তাহলে মুশরিকরা তোমার কিরাআত শুনে ফেলবে। “আর নিচু স্বরেও পাঠ করো না”- তাহলে তোমার সাহাবীরা তোমার কুরআন পাঠ শুনতে পাবে না। অবশ্য উচ্চৈঃস্বরেও পাঠ করবে না, বরং এ দু’য়ের মাঝামাঝি আওয়াজে পাঠ করবে। অর্থাৎ উচ্চৈঃস্বর ও নিম্নস্বরের মাঝামাঝি স্বরে পাঠ করবে।
৮৮৮
সালাতে মধ্যম আওয়াজে কিরাআত পাঠ করবে, যদি সশব্দে কিরাআত পাঠ করাতে অবাঞ্ছিত কিছু বিপদের সম্ভাবনা থাকে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
মহান আল্লাহর বাণী- “নিজেদের সালাত খুব উচ্চৈঃস্বরেও পড়বে না এবং নীচুস্বরেও পড়বে না”- এ আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা দোয়া সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (অর্থাৎ- দোয়া খুব উচ্চৈঃস্বরেও করবে না এবং খুব নীচুস্বরেও করবে না)।
৮৮৯
সালাতে মধ্যম আওয়াজে কিরাআত পাঠ করবে, যদি সশব্দে কিরাআত পাঠ করাতে অবাঞ্ছিত কিছু বিপদের সম্ভাবনা থাকে পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
উপরোল্লিখিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৮৯০
কিরাআত পাঠ মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
মহান আল্লাহর বাণী- “তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্য আপনি দ্রুত ওহী আবৃত্তি করবেন না”- (সূরা আল কিয়ামাহ ৭৫ : ১৬)।তিনি এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বলেন, জিবরীল (আঃ) যখন নবী (ﷺ)-এর কাছে ওহী অবতীর্ণ করতেন তিনি তা আয়ত্ত করার জন্য জিহ্বা ও ঠোঁট নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ত। তাঁর অবস্থা থেকেই এটা বুঝা যেত। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেন: “এ ওহী খুব তাড়াতাড়ি মুখস্থ করার জন্য নিজের জিহ্বা নাড়াবেন না। এটা মুখস্থ করিয়ে দেয়া ও পড়িয়ে দেয়া আমারই দায়িত্ব”- (সূরা আল কিয়ামাহ ৭৫ : ১৬-১৭)। অর্থাৎ- এটা তোমার অন্তরে পুঞ্জীভূত করে দেয়া এবং তোমাকে পড়িয়ে দেয়া আমার দায়িত্ব।“অতএব আমি যখন তা পাঠ করতে থাকি তখন তুমি তা মনোযোগ দিয়ে শুনতে থাকো”- (সূরা আল কিয়ামাহ ৭৫ : ১৮)। অর্থাৎ- এ ওহী আমি অবতীর্ণ করছি, তুমি তা মনোযোগ সহকারে শোন। এর তাৎপর্য বুঝিয়ে দেয়া আমাদেরই দায়িত্ব। “তোমার মুখ দিয়ে তা বলানো আমার দায়িত্ব”- (সূরা আল কিয়ামাহ ৭৫ : ১৯)।এরপর থেকে যখন জিবরীল (আঃ) তাঁর কাছে ওহী নিয়ে আসতেন, তিনি মনোযোগ সহকারে তা শুনতেন। তিনি চলে যাওয়ার পর মহান আল্লাহর ওয়া’দা অনুযায়ী নবী (ﷺ) তা পাঠ করতেন।