৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬১
ঈমানের শাখা-প্রশাখার সংখ্যা, তাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন শাখার বর্ণনা, লজ্জা শরমের ফাযীলাত এবং তা ঈমানের অঙ্গ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
নবী (ﷺ) জনৈক আনসারীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, সে আনসারী তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে নাসীহাত করছিলেন।
৬২
ঈমানের শাখা-প্রশাখার সংখ্যা, তাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন শাখার বর্ণনা, লজ্জা শরমের ফাযীলাত এবং তা ঈমানের অঙ্গ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। লজ্জা-সম্ভ্রম কল্যাণকেই ডেকে আনে। বুশায়র ইবনু কা‘ব বলেন, জ্ঞান বিজ্ঞানের পুস্তকে লেখা আছে যে, এর (লজ্জা) মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে এবং প্রশান্তি নেমে আসে। তাঁর কথা শুনে ইমরান বলেন, আমি তোমাকে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুখ নিঃসৃত বাণীই বর্ণনা করছি। আর তুমি আমাকে বলছ, তোমাদের বইয়ের কথা।
৬৩
ঈমানের শাখা-প্রশাখার সংখ্যা, তাঁর সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন শাখার বর্ণনা, লজ্জা শরমের ফাযীলাত এবং তা ঈমানের অঙ্গ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কাতাদাহ (রহঃ)
আমাদের এক দল ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। আমাদের মাঝে বুশাইর ইবন কা’বও ছিলেন। তখন ইমরান (রাঃ) আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “লজ্জার সবটাই মঙ্গলজনক।” রাবী বলেন যে, কিংবা রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “লজ্জা সবটাই কল্যাণকর।” বুশাইর ইবন কা’ব (রহঃ) বলেন, কোন কোন কিতাবে কিংবা হিকমাতের গ্রন্থে আমরা পেয়েছি যে, লজ্জা থেকেই আল্লাহর জন্য গাম্ভীর্য ও প্রশান্তির উৎপত্তি এবং তা থেকে দুর্বলতারও উৎপত্তি।রাবী বলেন, এ কথা শুনে ইমরান (রাঃ) রেগে গেলেন, এমন কি তার দুই চোখ লাল হয়ে গেল। ইমরান (রাঃ) বলেন, সাবধান! আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদিস বলছি আর তার মুকাবিলায় তুমি পুঁথির কথা বলছ? এরপর ইমরান (রাঃ) পুনরুক্তি করলেন। আর বুশাইরও তার কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। এতে ইমরান (রাঃ) খুবই রেগে গেলেন। রাবী বলেন যে, আমরা বলতে লাগলাম, হে আবু নুজাইদ (ইমরানের উপনাম) সে আমাদেরই লোক। তার মধ্যে ত্রুটি নেই। ইসহাক ইবন ইব্রাহিম (রহঃ) ..... ইমরান ইবন হুসাইন (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে হাম্মাদ ইবন যায়দের মত হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৬৪
ইসলামের বৈশিষ্ট্যসমুহ পরিচ্ছেদ নাই
সুফইয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ‘আস সাকাফী (রাযি :)
আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন একটি কথা বলুন যে, আমাকে এ সম্পর্কে “আপনার পরে” অন্য কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। আবু উসামার হাদিসে রয়েছে- আপনি ছাড়া আর কাউকে জিজ্ঞেস করব না। তিনি বললেন, ‘বল, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলাম’, অতঃপর এর উপর অবিচল থাক।
৬৫
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে পরস্পর ফাযীলাত ও কোনটি সর্বোত্তম কাজ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)
এক ব্যক্তি রসূল (ﷺ)-কে প্রশ্ন করল যে, কোন ইসলাম উত্তম? রসূল (ﷺ) বলেন, “তুমি লোকদের পানাহার করাবে এবং পরিচিত এবং অপরিচিত সবাইকে সালাম করবে।”
৬৬
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে পরস্পর ফাযীলাত ও কোনটি সর্বোত্তম কাজ পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনু আল ‘আস (রাঃ)
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করল, ‘সর্বোত্তম মুসলিম কে?’ তিনি বললেন, ‘সে ব্যক্তি যার মুখ ও হাত থেকে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।’
৬৭
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে পরস্পর ফাযীলাত ও কোনটি সর্বোত্তম কাজ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, সত্যিকার মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে অন্যান্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।
৬৮
ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে পরস্পর ফাযীলাত ও কোনটি সর্বোত্তম কাজ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমি প্রশ্ন করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কোন ইসলাম উত্তম?’ তিনি বললেন, উত্তম ইসলাম হলো তার, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। ইবরাহীম ইবনু সাঈদ আল জাওহারী (রাঃ) ..... বুরায়দ ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, সর্বোত্তম মুসলিম কে? রাবী হাদীসের বাকী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো বর্ণনা করেন।
৬৯
যে এসব গুনে গুণান্বিত হবে সে ঈমানের মিষ্টতা পাবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে রয়েছে, সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করবে।(১) অন্য সবার তুলনায় যার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রসূল অধিক প্রিয়।(২) যে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তাঁর বান্দাকে ভালোবাসে।(৩) এবং যাকে আল্লাহ কুফর থেকে মুক্তি দিয়েছেন, তারপর সে কুফরের দিকে ফিরে যাওয়াকে এমন অপছন্দ করে যেমন আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অপছন্দ করে।
৭০
যে এসব গুনে গুণান্বিত হবে সে ঈমানের মিষ্টতা পাবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিনটি গুণ যার মধ্যে বিদ্যমান সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ পায়।(১) যে কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কাউকে ভালোবাসে,(২) যার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রসূল (ﷺ) অন্য সব কিছু থেকে অধিক প্রিয়,(৩) এবং আল্লাহ যাকে কুফর থেকে মুক্তি দিয়েছেন; এরপর সে কুফরের দিকে ফিরে যাওয়ার তুলনায় আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে অধিক পছন্দ করে।