৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৮১
মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ। ঈমান হ্রাস ও বৃদ্ধি হয়। ভালো কাজের আদেশ করা ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
তারিক ইবনু শিহাব (আবূ বাক্‌র ইবনু আবী শাইবার হাদীসে)
মারওয়ান ঈদের দিন সালাতের পূর্বে খুতবা দেয়ার (বিদআতি) প্রথা প্রচলন করে। এ সময় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ‘‘খুতবার আগে সালাত’’ (সম্পন্ন করুন)। মারওয়ান বললেন, এখন থেকে সে নিয়ম পরিত্যাগ করা হলো।সাথে সাথে আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) উঠে বললেন, ঐ ব্যক্তি তার কর্তব্য পালন করেছে। আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ গর্হিত কাজ হতে দেখলে সে যেন স্বহস্তে (শক্তি প্রয়োগে) পরিবর্তন করে দেয়, যদি তার সে ক্ষমতা না থাকে, তবে মুখ (বাক্য) দ্বারা এর পরিবর্তন করবে। আর যদি সে সাধ্যও না থাকে, তখন অন্তর দ্বারা করবে, তবে এটা ঈমানের দুর্বলতম পরিচায়ক।
৮২
মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ। ঈমান হ্রাস ও বৃদ্ধি হয়। ভালো কাজের আদেশ করা ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
মারওয়ানের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। আর এই হাদীসটি শু'বাহ ও সুফিয়ানের বর্ণিত হাদীসের মতোই।
৮৩
মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ। ঈমান হ্রাস ও বৃদ্ধি হয়। ভালো কাজের আদেশ করা ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার পূর্বে আল্লাহ তা'আলা যে নবীকেই কোন উম্মতের মধ্যে পাঠিয়েছেন, তাদের মধ্যে তাঁর জন্য একদল অনুসারী ও সাহাবা ছিল। তারা তাঁর সুন্নাতকে সমুন্নত রাখত এবং তাঁর নির্দেশের অনুসরণ করত। অতঃপর তাদের অবর্তমানে কতগুলো মন্দ লোক স্থলাভিষিক্ত হয়। তারা মুখে যা বলে নিজেরা তা করে না। আর যা করে তার জন্য তাদেরকে নির্দেশ করা হয়নি। অতএব যে ব্যক্তি তাদের হাত (শক্তি) দ্বারা মুকাবিলা করবে, সে মু’মিন। আর যে ব্যক্তি তাদের জিহ্বা দ্বারা মুকাবিলা করবে, সে মু’মিন। আর যে ব্যক্তি তাদের অন্তর দিয়ে মুকাবিলা করবে, সে মু’মিন। এরপর আর সরিষার দানা পরিমাণও ঈমানের স্তর নেই।আবু রাফি (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে বললাম। তিনি আমার সামনে এটা অস্বীকার করলেন। পরে এক সময় ইবন মাসউদ (রাঃ) ‘কানাত’ (মাদীনার কাছাকাছি একটি) নামক স্থানে আসলেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) অসুস্থ আবদুল্লাহ ইবন মাসউদকে দেখার জন্য আমাকে সাথে নিয়ে গেলেন। আমি তাঁর সাথে গেলাম। যখন আমরা বসে পড়লাম, তখন আমি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-কে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে অবিকল সেরূপ-ই বর্ণনা করলেন, যেরূপ আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে বর্ণনা করেছিলাম। সালিহ বলেন, আবু রাফি থেকে হুবহু এরূপই বর্ণিত হয়েছে।
৮৪
মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা ঈমানের অঙ্গ। ঈমান হ্রাস ও বৃদ্ধি হয়। ভালো কাজের আদেশ করা ও মন্দ কাজের নিষেধ করা ওয়াজিব পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “যে কোন নবীর জন্য এমন কিছু সংখ্যক নিবেদিত প্রাণ সহচর জুটেছিল, যারা তাঁর নির্দেশিত পথে জীবন যাপন করেছেন এবং তাঁর সুন্নাতকে সমুন্নত রেখেছেন।” হাদীসের অবশিষ্টাংশ হুবহু সালিহ-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় ইবনু মাসউদের আগমন ও তাঁর সাথে ইবনু উমর-এর একত্রিত হওয়ার কথা উল্লেখ নেই।
৮৫
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ)
নবী (ﷺ) তাঁর হাত দিয়ে ইয়ামানের দিকে ইশারা করে বললেন, জেনে রাখো, ঈমান সেখানেই। কঠোর ও পাষাণ হৃদয় হচ্ছে শয়তানের দুই শিংয়ের মধ্যে বসবাসকারী সে সব লোক যারা উটের লেজের গোড়া থেকে চিৎকার দিয়ে থাকে, অর্থাৎ রবি‘আ ও মুযার গোত্র।
৮৬
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইয়ামানের অধিবাসীরা এসেছে; তাদের হৃদয় বড়ই কোমল। ঈমান রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে, ধর্মীয় গভীর জ্ঞান রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে এবং হিকমত রয়েছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে।
৮৭
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতোই।
৮৮
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের নিকট ইয়ামানবাসীরা এসেছে। তারা নম্রচিত্ত ও কোমল হৃদয়ের অধিকারী। ধর্মীয় গভীর জ্ঞান ইয়ামানবাসীদের মধ্যে এবং হিকমতও ইয়ামানবাসীদের মধ্যে রয়েছে।
৮৯
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কুফরের মূল উৎস হচ্ছে পূর্ব দিকে। অহংকার ও দাম্ভিকতা রয়েছে উচ্চৈঃস্বরে চিৎকারকারী পশুপালক ঘোড়া ও উটওয়ালাদের মধ্যে। আর নম্রতা রয়েছে বকরিওয়ালাদের মধ্যে।
৯০
মু’মিনদের মধ্যে একে অপরের চাইতে ঈমানের গুনে প্রাধান্য থাকা এবং এ বিষয়ে ইয়ামানবাসীরা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঈমানের উৎস হচ্ছে ইয়ামানবাসীদের মধ্যে, আর কুফরের উৎস হচ্ছে পূর্ব দিকে এবং নম্রতা বকরিওয়ালাদের মধ্যে। আর অহংকার ও রিয়া চিৎকারকারী ঘোড়া ও উট পালকদের মধ্যে।