৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৭৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৭২১
যারা আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহ তাদের সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আর যারা আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তাদের সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ) সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ অপছন্দ করে আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।
৬৭২২
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, “আমি আমার বান্দার ধারণা অনুযায়ী আছি। আর যখন সে আমাকে ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দেই।”
৬৭২৩
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, যখন আমার বান্দা আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে তখন আমি তার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসি। আর যখন সে আমার প্রতি এক হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার প্রতি এক গজ অগ্রসর হই। আর যখন সে আমার প্রতি হেঁটে আসে তখন আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি।
৬৭২৪
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
মু‘তামির (রহঃ) তার পিতার সনদে এ সূত্রে
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় إِذَا أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً (যখন সে পায়ে হেঁটে আসে তখন আমি তার দিকে দৌড়ে আসি) উল্লেখ করেননি।
৬৭২৫
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেনঃ আমি আমার বান্দার নিকট তার ধারণা অনুযায়ী থাকি। যখন সে আমার স্মরণ করে তখন আমি তার সাথী হয়ে যাই। যখন সে একাকী আমার স্মরণ করে তখন আমি একাকী তাকে স্মরণ করি। যখন সে কোন সভায় আমার স্মরণ করে তখন আমি তাকে তার চেয়েও উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার প্রতি এক বিঘত অগ্রসর হয় আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে এক গজ (দুই হাত) অগ্রসর হই। যদি সে আমার প্রতি পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি।
৬৭২৬
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন, যে লোক একটি নেক কাজ করবে তার জন্য রয়েছে দশগুণ প্রতিদান; আর আমি তাকে আরও বৃদ্ধি করে দিব। আর যে লোক একটি খারাপ কর্ম করবে তার প্রতিদান সে কর্মের সমান অথবা আমি তাকে মাফ করে দিব। যে লোক আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে আমি তার প্রতি এক হাত অগ্রসর হই। আর যে লোক আমার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসে আমি তার দিকে দুইহাত (এক গজ) অগ্রসর হই। যে লোক আমার নিকট পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি। যে লোক আমার সাথে কাউকে কোন বিষয়ে শরীক স্থাপন ব্যতীত পৃথিবী তুল্য গুনাহ নিয়েও আমার সাথে সাক্ষাৎ করে তাহলে আমি তার সাথে অনুরূপ পৃথিবী তুল্য মার্জনা নিয়ে সাক্ষাৎ করি। ইব্রাহিম বলেন, হাসান ইবনু বিশর হাদীসটি ওয়াকী‘ সানাদে অবিকল বর্ণনা করেছেন।
৬৭২৭
যিকর, দু‘আ ও আল্লাহর সান্নিধ্য অর্জন করার মর্যাদা পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রহঃ)
অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, তার জন্য রয়েছে দশগুণ প্রতিদান কিংবা আমি আরও বৃদ্ধি করে দিব।
৬৭২৮
দুনিয়াতে শাস্তি কার্যকরের জন্য দু‘আ করা অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একজন মুসলিম রোগীকে সেবা করতে গেলেন। সে (অসুখে কাতর হয়ে) অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল, এমনকি সে পাখির ছানার মতো হয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি কি কোন বিষয় প্রার্থনা করছিলে অথবা আল্লাহর নিকট বিশেষভাবে কিছু চেয়েছিলে? সে বলল, হ্যাঁ। আমি বলেছিলাম, হে আল্লাহ! আপনি পরকালে আমাকে যে সাজা দিবেন তা এ ইহকালেই দিয়ে দিন। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার এমন সামর্থ্য নেই যে, তা বহন করবে? অথবা তুমি তা সহ্য করতে পারবে না। তুমি এমনটি বললে না কেন? হে আল্লাহ! আমাদের কল্যাণ দাও পৃথিবীতে এবং কল্যাণ দান করো পরকালেও। আর জাহান্নাম হতে আমাদেরকে রক্ষা করো। তিনি (রাবী) বলেন, তখন তিনি তার জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করেন। আর আল্লাহ তাকে সুস্থ করে দেন।
৬৭২৯
দুনিয়াতে শাস্তি কার্যকরের জন্য দু‘আ করা অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
হুমায়দ (রহঃ)
হুমায়দ (রহঃ)-এর সূত্রে ‘জাহান্নাম থেকে আমাদের রক্ষা কর’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন, এর অতিরিক্ত অংশ তিনি উল্লেখ করেননি।
৬৭৩০
দুনিয়াতে শাস্তি কার্যকরের জন্য দু‘আ করা অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের মধ্য থেকে এক রোগীকে সেবা করতে যান। সে ভীষণ কাতর হয়ে পাখির ন্যায় হয়ে গিয়েছিল। হুমায়দ-এর হাদীস-এর অর্থানুযায়ী বর্ণনা করেন, কিন্তু তার হাদীসে আছে যে, “আল্লাহর শাস্তি সহ্য করার মতো সামর্থ্য তোমার নেই” আর এরপর “তিনি আল্লাহর নিকট দোয়া করলেন এবং আল্লাহ তাকে সুস্থ করলেন” কথাটি তিনি উল্লেখ করেননি।