৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৭১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৭০১
আল্লাহ তা‘আলার যিক্‌রের প্রতি অনুপ্রাণিত করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কার পথে চলতে থাকেন। অতঃপর জুমদান নামে একটি পর্বতের কাছে গেলেন। এরপর তিনি বললেন, তোমরা এ জুমদান পর্বতে সফর করো। মুফাররিদগণ অগ্রগামী হয়েছে। মানুষেরা প্রশ্ন করল, মুফাররিদ কারা! হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)? তিনি বললেন, বেশি বেশি আল্লাহর জিকিরে নিয়োজিত পুরুষ ও নারী।
৬৭০২
আল্লাহর নামসমূহের বর্ণনা এবং যারা এগুলো সংরক্ষণ করে তার মর্যাদা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আল্লাহ তা‘আলার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে। যে লোক এ নামগুলো সংরক্ষণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা বেজোড়। তিনি বেজোড় ভালবাসেন। ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ)-এর বর্ণনায় مَنْ حَفِظَهَا (সংরক্ষণ করে)-এর স্থলে مَنْ أَحْصَاهَا (যে তা আয়ত্ত করে) বর্ণিত আছে।
৬৭০৩
আল্লাহর নামসমূহের বর্ণনা এবং যারা এগুলো সংরক্ষণ করে তার মর্যাদা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
“অবশ্যই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম—অর্থাৎ এক কম একশটি নাম রয়েছে। যে লোক তা আয়ত্ত করবে, সে জান্নাতে গমন করবে।” হাম্মাম (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে এটুকু বাড়িয়ে বলেছেন যে, “তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড় পছন্দ করেন।”
৬৭০৪
দু‘আতে দৃঢ়তা অবলম্বন করা এবং ‘আল্লাহ তুমি যদি চাও’ এ কথা না বলার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন দোয়া করে সে যেন দৃঢ়তা প্রকাশের সাথে দোয়া করে। আর সে যেন না বলে, “হে আল্লাহ! যদি তুমি ইচ্ছা কর তবে আমাকে দান কর”। কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য কোন বাধ্যকারী নেই।
৬৭০৫
দু‘আতে দৃঢ়তা অবলম্বন করা এবং ‘আল্লাহ তুমি যদি চাও’ এ কথা না বলার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যখন দোয়া করে তখন সে যেন না বলে اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ (হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন)। কিন্তু সে যেন দৃঢ়তার সাথে দোয়া করে। সে যেন আগ্রহ নিয়ে দোয়া করে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা তাকে যা দান করেন তা আল্লাহ তা‘আলার নিকট তেমন কোন বিশাল জিনিস নয়।
৬৭০৬
দু‘আতে দৃঢ়তা অবলম্বন করা এবং ‘আল্লাহ তুমি যদি চাও’ এ কথা না বলার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কখনো এ কথা না বলে যে, “হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন, হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমার প্রতি রহমত করুন।” সে যেন অবশ্যই দৃঢ়তার সাথে দোয়া প্রার্থনা করে। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা মহান কারিগর, তিনি যা চান তাই করেন। তাঁর উপর বাধ্যবাধকতা করার কেউ নেই।
৬৭০৭
বিপদে পড়লে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা পোষণ অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যেন বিপদে পড়ার কারণে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা না করে। তবে যদি মৃত্যু তার কামনা হয়, তাহলে সে যেন বলে- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার হায়াত আমার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়, তবে আমাকে মৃত্যু দিন।”
৬৭০৮
বিপদে পড়লে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা পোষণ অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)-এর সনদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আনাস (রাঃ)-এর সনদে নবী (ﷺ) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ এর স্থলে مِنْ ضُرٍّ أَصَابَهُ বলেছেন।
৬৭০৯
বিপদে পড়লে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা পোষণ অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
নায্‌র ইবনু আনাস (রাঃ)
আনাস (রাঃ) তখন জীবিত ছিলেন। তিনি (নযর) বলেন, আনাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যদি না বলতেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কখনো মৃত্যুর আশা করবে না”, তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যু কামনা করতাম।
৬৭১০
বিপদে পড়লে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা পোষণ অপছন্দনীয় পরিচ্ছেদ নাই
কায়স ইবনু আবূ হাযিম (রাঃ)
আমরা খাব্বাব (রাঃ)-এর নিকটে প্রবেশ করলাম। তিনি তাঁর উদরে সাতবার লোহা গরম করে সেঁক দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বললেন, যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মৃত্যু কামনা করে দোয়া করতে বারণ না করতেন তাহলে অবশ্যই আমি মৃত্যুর জন্য দোয়া করতাম।