৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৫১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৫০১
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
সুলাইমান আত্ তাইমী (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আর তিনি মু‘তামির (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে এটুকু বাড়িয়ে বলেছেন, “আল্লাহর কসম! আমাদের সাথে যেন সে উটনীটি না থাকে, যার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে আল্লাহর অভিশাপ বর্ষণ করা হয়েছে, কিংবা তিনি এরূপ কিছু বলেছেন।”
৬৫০২
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: একজন সিদ্দিকের পক্ষে অভিসম্পাতকারী হওয়া সমীচীন নয়।
৬৫০৩
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আলা ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
অত্র সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৬৫০৪
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ)
আবদুল মালিক ইবন মারওয়ান উম্মু দারদা (রাঃ)-এর নিকট তার নিজের পক্ষ থেকে সৌন্দর্য বর্ধক কিছু গৃহ সামগ্রী পাঠালেন। এক রাতে আবদুল মালিক নিদ্রা থেকে জেগে তার খাদিমকে ডাকলেন। সে তার নিকট আসতে দেরি করলে তিনি তাকে অভিশাপ করলেন। রাত্রি শেষে উম্মু দারদা (রাঃ) তাঁকে বললেন, আমি শুনলাম যখন আপনি রাতে আপনার খাদিমকে ডেকেছিলেন তখন তাকে লা’নাত করেছেন। অতঃপর তিনি বললেন, আমি আবু দারদা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অভিশাপকারীরা কেয়ামত দিবসে সুপারিশকারী কিংবা সাক্ষ্যদাতা হতে পারবে না।
৬৫০৫
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু আসলাম (রাঃ)
অত্র সনদে হাফস ইবনু মাইসারা (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
৬৫০৬
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ দারদাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, অভিসম্পাতকারীরা কেয়ামত দিবসে সাক্ষী ও সুপারিশকারী হতে পারবে না।
৬৫০৭
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি মুশরিকদের উপর বদদোয়া করুন। তিনি বললেন, আমি তো অভিসম্পাতকারীরূপে প্রেরিত হইনি; বরং প্রেরিত হয়েছি রহমত স্বরূপ।
৬৫০৮
যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একদা দুইজন লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দরবারে আসলেন। তারা তাঁর সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা করল। তা কী ছিল, আমি জানি না। অতঃপর তারা তাঁকে রাগান্বিত করেছিল। তিনি তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করলেন এবং তিরস্কার করলেন।যখন তারা বের হয়ে গেল, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! যারা (আপনার কাছ থেকে) কল্যাণ লাভ করে, এরা দুইজনে তার কিছুই পাবে না। তিনি বললেন, সে কী ব্যাপার! তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বললেন, আপনি তো তাদের উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন এবং ধিক্কার দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি কি জান আমার প্রতিপালকের সাথে এ বিষয়ে আমি কী শর্তারোপ করেছি? আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ! আমি একজন মানুষ। আমি কোন মুসলিমকে লা’নত করলে কিংবা তিরস্কার করলে তা তুমি তার জন্য পবিত্রতা ও পুরস্কার বানিয়ে দিও।”
৬৫০৯
যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রাঃ)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে এ সনদে জারীর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি ঈসা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলেন, এরপর তারা তাঁর সঙ্গে একান্তে মিলিত হলেন, তখন তিনি তাদের উভয়কে তিরস্কার করলেন এবং তাদেরকে লা‘নাত দিয়ে বের করে দিলেন।
৬৫১০
যাদের উপর নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিসম্পাত করেছেন, তিরস্কার করেছেন অথবা বদদু‘আ করেছেন; অথচ তারা এর যোগ্য নয় তাদের জন্য তা হবে পবিত্রতা, পুরস্কার ও রহ্‌মাত স্বরূপ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তো একজন মানুষ। সুতরাং আমি কোন মুসলিমকে গালমন্দ করলে কিংবা তাকে অভিশাপ দিলে অথবা আঘাত করলে, তখন তুমি তার জন্য তা পবিত্রতা ও রহমত অর্জনের উপায় বানিয়ে দিও।”