৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৫০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৪৯১
কারো দুরাচরণের ভয়ে সহনশীলতা প্রদর্শন পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু মুন্কাদির (রাঃ)
ইবন মুন্‌কাদির (রহঃ) থেকে অত্র সানাদে এ মর্মে বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনায় পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি فلبئس ابن العشريرالى الاخر এর স্থলে بِئْسَ أَخُو الْقَوْمِ وَابْنُ الْعَشِيرَةِ (গোত্রের সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ভাই এবং বংশের কুসন্তান) বলেছেন।
৬৪৯২
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জারীর (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নম্র আচরণ থেকে বঞ্চিত, সে প্রকৃত কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত।
৬৪৯৩
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জারীর (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। যে ব্যক্তি নম্রতা থেকে বঞ্চিত, সে কল্যাণমূলক সব কিছু থেকে বঞ্চিত।
৬৪৯৪
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নম্রতা থেকে বঞ্চিত ব্যক্তি যাবতীয় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। কিংবা বলেছেন, যে ব্যক্তি নম্রতা থেকে বঞ্চিত হবে সে কল্যাণ থেকে বঞ্চিত থাকবে।
৬৪৯৫
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: “হে আয়িশা! আল্লাহ তা’আলা নম্র ব্যবহারকারী। তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্রতার দরুন এমন কিছু দান করেন যা কঠোরতার দরুন দান করেন না; আর অন্য কোন কিছুর দরুনও তা দান করেন না।”
৬৪৯৬
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: নম্রতা যে কোন বিষয়কে সৌন্দর্যমন্ডিত করে। আর যে কোন বিষয় থেকে নম্রতা বিতাড়িত হলে তাকে কলুষিত করে।
৬৪৯৭
নম্রতার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্
মিকদাম ইবন শুরায়হ্ ইবন হানি (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা করতে শুনেছেন। তিনি তাঁর হাদিসে বাড়িয়ে বলেছেন, আয়িশা (রাঃ) একটি উটের পিঠে সওয়ার হয়েছিলেন। উটটি ছিল কঠোর স্বভাবের। তাই তিনি তাকে শক্তভাবে ফিরাচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, “তোমার উচিত নম্র ব্যবহার করা।” পরবর্তী অংশ রাবী উক্ত হাদিসের মতই বর্ণনা করেছেন।
৬৪৯৮
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক সফরে ছিলেন। সে সময় এক আনসার নারী একটি উটনীর পিঠে আরোহী ছিলেন। তিনি (তার আচরণে) বিরক্ত হয়ে তার উপর অভিশাপ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা শুনে বললেন, এর উপরে যা আছে তা নিয়ে নাও এবং একে ছেড়ে দাও। কেননা সে তো অভিশপ্ত হয়ে পড়েছে। ইমরান (রাঃ) বলেন, আমি যেন সে উটনীকে এখনও দেখতে পাচ্ছি, যে মানুষের মাঝে হেঁটে বেড়াচ্ছে; অথচ কেউ তার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করছে না।
৬৪৯৯
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
ইসমা’ঈলের সনদে আইয়ূব
ইসমাইনলের সনদে আইয়ুব থেকে তাঁর হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদ কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে ইমরান বলেছেন- فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهَا نَاقَةً وَرْقَاءَ (আমি যেন সে মেটে রঙের উষ্ট্রীটি এখনো দেখতে পাচ্ছি); আর সাকাফী (রহঃ) বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ওয়াসাল্লাম বলেছেন,خُذُوا مَا عَلَيْهَا وَأَعْرُوهَا فَإِنَّهَا مَلْعُونَةٌ ‘এর উপর যা কিছু আছে তা নামিয়ে ফেলো এবং তাকে মুক্ত করে দাও। কেননা সে তো অভিশপ্ত’
৬৫০০
চতুষ্পদ প্রাণী ইত্যাদিকে অভিশাপ করা থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বারযাহ্‌ আল আসলামী (রাঃ)
একবার একটি বালিকা একটি উটনীর উপর আরোহিত ছিল। সেটির উপরে তার গোত্রের কিছু মালামালও ছিল। হঠাৎ সে নবী (ﷺ)-কে দেখতে পেল। আর পাহাড়ের কারণে তাদের পথটি ছিল সংকীর্ণ। ফলে উটের রশি টেনে বালিকাটি বলল- حَلْ اللَّهُمَّ الْعَنْهَا ‘হে আল্লাহ! এর উপর অভিসম্পাত বর্ষণ করুন’। রাবী বলেন, তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ যে উটনীর উপর অভিসম্পাত করা হয়েছে, সেটি যেন আমাদের সাথে না থাকে।