৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৩৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৩২১
আনসারগণের উত্তম গৃহসমূহ। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ উবাইদুল্লাহ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ ইবনু মাসউদ
আবু হুরায়রা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুসলিমদের এক বিরাট সমাবেশে বলেছেনঃ আমি কি লোকেদেরকে আনসারদের সর্বাপেক্ষা ভাল গৃহ সম্বন্ধে উল্লেখ করব? তখন তারা বললেনঃ জ্বি হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ বানু আব্দুল আশহাল। তাঁরা বললেনঃ তারপর কারা? হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)! তিনি বললেনঃ তারপর বানু নাজ্জার। তাঁরা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ) তারপর কারা? তিনি বললেনঃ এরপর বানু হারিস ইবন খাযরাজ। তাঁরা বললেনঃ এরপর কারা হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ)? তিনি বললেনঃ বানু সাঈদা। তাঁরা বললেনঃ তারপর কারা? তখন তিনি বললেনঃ প্রত্যেক আনসারীর গৃহে কল্যাণ বিরাজ করছে।তখন সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) রাগতস্বরে উঠে দাঁড়িয়ে বললেনঃ আমরা কি চারের মাঝে সর্বশেষ? যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের নামোল্লেখ করলেন তখন তিনি তাঁর কথার বিরুদ্ধাচরণ করার আকাঙ্ক্ষা করছিলেন। তখন তাঁর সম্প্রদায়ের কতক ব্যক্তি তাঁকে বললঃ আপনি বসে পড়ুন। আপনি কি এতে খুশী নন যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে চারটি সম্প্রদায়ের কথা বলেছেন তন্মধ্যে আপনার সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করেছেন? যাদের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন তাদের চাইতে যাদের কথা তিনি বর্ণনা করেননি তাদের সংখ্যাই তো বেশি। তখন সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথার প্রত্যুত্তর করা হতে বিরত থাকলেন।
৬৩২২
আনসারগণের উত্তম সান্নিধ্য। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমি জারীর ইবন আবদুল্লাহ বাজালী (রাঃ)-এর সাথে এক সফরে বের হলাম। এ সফরে তিনি আমার সেবায় নিযুক্ত থাকতেন। তখন আমি তাকে বললাম, এমন করবে না। তিনি বললেন, আমি নিশ্চিত দেখেছি যে, আনসারগণ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে এমন খিদমাত করতেন। তখন আমি শপথ করেছি যে, আমি যখন আনসারদের কারো সঙ্গী হবো তখন তাঁর সেবায় থাকব। ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার তাদের বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন, জারীর আনাসের চাইতে বড় ছিলেন এবং ইবনু বাশশার বলেছেন, তিনি আনাসের চেয়ে বৃদ্ধ ও বেশি বয়স্ক ছিলেন।
৬৩২৩
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু সামিত (রাঃ)
আবূ যার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: গিফার সম্প্রদায়কে আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন এবং আসলাম সম্প্রদায়ের লোকদের আল্লাহ তা’আলা নিরাপত্তা দিয়েছেন।
৬৩২৪
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যারগিফারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন: তুমি তোমার সম্প্রদায়ের নিকট যাও এবং বলে দাও যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ‘আসলাম গোত্রকে আল্লাহ নিরাপত্তা বিধান করেছেন এবং গিফার গোত্রের লোকদেরকে আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন।’
৬৩২৫
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রাঃ)
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৬৩২৬
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ ও ইবনু আবূ উমার(রহঃ)
অপর সানাদে উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ), অন্য সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ), অন্য এক সানাদে মুহাম্মাদ ইবনু রাফি …. আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে। অপর এক সূত্রে ইয়াহিয়া ইবনু হাবীব (রহঃ), অন্য সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) অপর এক সূত্রে সালামা ইবনু শাবীব (রহঃ) জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেন: আল্লাহ আসলাম সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দান করেছেন এবং গিফার গোত্রকে আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন।
৬৩২৭
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রা)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আসলাম গোত্রকে আল্লাহ তা’আলা নিরাপত্তা বিধান করেছেন এবং গিফার গোত্রের লোকেদের আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন। কিন্তু এ কথা আমি বলিনি বরং আল্লাহ তা’আলাই বলেছেন।
৬৩২৮
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
খুফাফ ইবনু ঈমা আল-গিফারী (রা)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক সালাতের দোয়ার বলেছেন: “হে আল্লাহ! বানু লিহয়ান, রিল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যাহ্‌ গোত্রের উপর অভিসম্পাত করো। কারণ, তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে। আর গিফারকে আল্লাহ তা'আলা মাফ করে দিয়েছেন এবং আসলামকে নিরাপত্তা বিধান করেছেন।”
৬৩২৯
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রা)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: গিফার গোত্রের লোকেদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন, আসলাম গোত্রের লোকেদেরকে নিরাপত্তা দান করেছেন এবং উসাইয়্যাহ গোত্র আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করেছে।
৬৩৩০
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু উমার (রা)
অবিকল বর্ণিত। কিন্তু সালিহ ও উসামা বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিম্বারে দাঁড়িয়ে এ কথা বলেছেন।