৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০২১
শারী’য়াত হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা আদেশ করেছেন তা পালন করা ওয়াজিব আর পার্থিব বিষয়ে তিনি যে অভিমত ব্যক্ত করেন তা পালন করা ওয়াজিব নয় পরিচ্ছেদ নাই
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদীনায় আসলেন। সে সময় লোকেরা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ- খেজুর বৃক্ষকে পরাগায়ন করাত। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা কি করছ? তারা বলল, আমরা তো এমন করে আসছি। তিনি বললেন, (আমার মনে হয়) তোমরা এমন না করলেই ভাল হয়। তাই তারা তা ছেড়ে দিল। আর এতে করে খেজুর ঝরে পড়ল কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, তার উৎপাদন হ্রাস পেল।বর্ণনাকারী বলেন, মানুষেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ ঘটনা ব্যক্ত করল। তখন তিনি বললেন, আমি তো একজন মানুষ মাত্র এতে কোন সন্দেহ নেই। দ্বীনের ব্যাপারে যখন তোমাদের আমি কোন নির্দেশ দেই তোমরা তখন তা পালন করবে, আর যখন কোন কথা আমি আমার ধ্যান-ধারণা থেকে বলি, তখন (বুঝতে হবে) আমি একজন মানুষ মাত্র। বর্ণনাকারী ‘ইক্‌রামাহ্ (রহঃ) বলেন, নবী (ﷺ) অনুরূপ বলেছেন। আর মা’কিরী (রহঃ) নিঃসন্দেহে শুধু ‘নাফাযাত’ (ঝড়ে পড়ল) বলেছেন।
৬০২২
শারী’য়াত হিসেবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা আদেশ করেছেন তা পালন করা ওয়াজিব আর পার্থিব বিষয়ে তিনি যে অভিমত ব্যক্ত করেন তা পালন করা ওয়াজিব নয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) যারা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত এদের কতক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এটি যদি না করতে তাহলে তোমাদের ভাল হতো। লোকেরা বিরত থাকল। এতে চিটা খেজুর উৎপন্ন হলো।তারপরে কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের খেজুর বৃক্ষের কি হলো? ব্যক্তিরা বলল, আপনি এরূপ এরূপ বলেছিলেন (সেটি করায় এমন হয়েছে)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের দুনিয়াবী ব্যাপারে তোমরাই ভাল জানো।
৬০২৩
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখার ফযীলত ও এর আকাঙ্ক্ষা পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে আমাদের নিকট রিওয়ায়াত করেছেন, তার মাঝে হতে একটি হাদিস হলো এই যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের জীবন তাঁর শপথ! তোমাদের উপর এমন এক মুহূর্ত আসবে যখন তোমরা আমার সাক্ষাৎ পাবে না; আর আমার সাক্ষাৎ লাভ তোমাদের নিকট তখন তোমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের চেয়েও অধিক আকাঙ্ক্ষার বস্তু হবে। আবু ইসহাক বলেন, হাদিসের শব্দের মধ্যে কিছু তাকদীম ও তাখীর হয়েছে। আমার মতে, হাদিসের অর্থ হল “আমাকে তাদের সাথে দেখতে পাওয়াটা তাদের নিকট তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়ে অধিক প্রিয় হবে।”
৬০২৪
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আমি মারিয়ামের পুত্রের সর্বাধিক কাছাকাছি। নবীগণ একে অপরের ভাইয়ের মতো এবং আমার ও তাঁর মাঝে কোন নবী নেই।
৬০২৫
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রfসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি ঈসা (আঃ)-এর সর্বাধিক কাছাকাছি। নবীগণ একে অপরের (বৈমাত্রেয় ভাইয়ের) পিতৃসন্তানের মতো এবং আমার ও ঈসার মধ্যবর্তী সময়ে কোন নবী নেই।
৬০২৬
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
দুনিয়া ও আখিরাতে আমি ঈসা (আঃ)-এর সর্বাধিক নিকটবর্তী। লোকেরা বলল, এটি কীভাবে হে আল্লাহর রসূল! তখন তিনি বললেন: নবীগণ একই পিতার সন্তানের মতো। তাঁদের মাতা ভিন্ন। তাঁদের দীন একটিই। আর তাঁর এবং আমার মাঝে কোন নবীও নেই।
৬০২৭
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: এমন কোন নবভূমিষ্ঠ সন্তান নেই যাকে শয়তান স্পর্শ করে না। আর সে নবজাত সন্তান শয়তানের স্পর্শে কান্নাকাটি শুরু করে, কেবল মারিয়াম পুত্র এবং তাঁর মা ব্যতীত। তারপর আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তোমাদের ইচ্ছা হলে পড়ো: “অবশ্যই আমি অভিশপ্ত শয়তান থেকে তাঁর ও তাঁর বংশধরদের জন্য তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি”–(সূরা আলে ইমরান ৩:৩৬)।
৬০২৮
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রে রিওয়ায়াত করেছেন, “জন্মের সময় সে তাকে স্পর্শ করে, তখন শয়তানের স্পর্শে সে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়।” শু‘আইবের হাদিসে আছে “শয়তানের স্পর্শ”।
৬০২৯
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সনদে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
প্রত্যেক বনী আদমকেই শয়তান স্পর্শ করে, যেদিন তার মা তাকে প্রসব করে, কেবল মারিয়াম ও তাঁর পুত্র [‘ঈসা (আঃ)] এর ব্যতিক্রম।
৬০৩০
‘ঈসা (আঃ)এর ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রাক্কালে বাচ্চার চিৎকার শয়তানের খোঁচার কারণে হয়।