৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬০০১
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
এ সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। শু‘আয়ব এবং মা‘মার (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে ‘আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে শুনেছি’ তিনি বর্ণনা করেছেন। আর মা‘মারের হাদীসে আছে, তিনি বলেন, আমি যুহরী (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, ‘আল-আকিব’ কী? তিনি বললেন, এমন লোক যার পর আর নবী নেই। মা‘মার ও ‘উকায়ল-এর হাদীসে রয়েছে ‘আল-কাফারাতা’, আর শু‘আয়ব-এর হাদীসে আছে ‘আল-কুফুর’।
৬০০২
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট তাঁর নিজের নামগুলো রিওয়ায়াত করেছেন। “আমি মুহাম্মাদ, আহমাদ, আল-মুকাফফি (সর্বশেষ), আল-হাশির (একত্রকারী), তাওবার নবী ও রহমতের নবী।”
৬০০৩
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আল্লাহ সম্বন্ধে জ্ঞান এবং তাঁকে অত্যধিক ভয় করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একটি কাজ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) করলেন এবং এটি জারি রাখলেন। এ খবর তাঁর কিছু সাহাবীর নিকট পৌঁছলে তারা এ কাজটি পছন্দ করলেন না এবং এ থেকে বিরত রইলেন। এ কথা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জানতে পেরে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন। তিনি বললেনঃ জনগণের কী হলো, তাদের নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, একটা কাজে আমি সম্মতি দিয়েছি, তারপরও তারা একে নিকৃষ্ট মনে করছে এবং এ থেকে বিরত থাকছে। আল্লাহর শপথ! আল্লাহ সম্পর্কে আমি সবচেয়ে বেশি জানি এবং আল্লাহকে তাদের তুলনায় অত্যধিক ভয় করি।
৬০০৪
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আল্লাহ সম্বন্ধে জ্ঞান এবং তাঁকে অত্যধিক ভয় করা পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রহঃ)
এ সূত্রে জারীর (রাঃ)-এর হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০০৫
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর আল্লাহ সম্বন্ধে জ্ঞান এবং তাঁকে অত্যধিক ভয় করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি কাজকে জায়িয করলেন, কিছু লোক তা খারাপ মনে করল। এ কথা নবী (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি রেগে গেলেন; এমনকি তাঁর মুখে রাগ প্রকাশ পেল। তখন তিনি বললেনঃ কিছু লোকের কী হলো যে, আমার জন্য বৈধ একটা কাজে তারা আগ্রহ প্রকাশ করছে না? আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই আল্লাহ সম্পর্কে তাদের চেয়ে অধিক জানি এবং তাঁকে অধিক ভয় করি।
৬০০৬
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অনুসরণ ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)
আনসারদের জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে যুবাইর (রাঃ)-এর সাথে পানি সেচের নালা নিয়ে বিতর্ক করল যা থেকে তারা খেজুর গাছে পানি দিত। আনসার ব্যক্তিটি বললেন, পানি ছেড়ে দাও, তা প্রবাহিত হতে থাকুক। যুবাইর (রাঃ) তা মানলেন না।শেষ অবধি সকলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সম্মুখে তর্ক করলে তিনি যুবাইরকে বললেন, হে যুবাইর! তোমার পানি নেয়া হলে তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও। সে সময় আনসার ব্যক্তিটি রাগান্বিত স্বরে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! যুবাইর তো আপনার ফুফাতো ভাই। এতে নবী (ﷺ)-এর চেহারার রং পাল্টে গেলো।তিনি বললেন, হে যুবাইর! নিজের বৃক্ষগুলোকে পানি দাও এবং পানি আটকিয়ে রাখো, যে পর্যন্ত না পানি বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার ধারণা হয় এ আয়াত সে ব্যাপারেই নাযিল হয় : “তোমার প্রতিপালকের কসম! ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মু’মিন হতে পারবে না ......”- (সূরা আন-নিসা ৪ : ৬৫)।
৬০০৭
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ও সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ)
তারা দুইজনে বলেন, আবু হুরায়রা (রাঃ) বলতেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, “আমি তোমাদের যা বারণ করেছি তা হতে বিরত থাকো এবং যা তোমাদের নির্দেশ করেছি তা সাধ্যানুযায়ী পালন করো। কেননা, অধিক জিজ্ঞাসা ও স্বীয় নবীদের সঙ্গে মতবিরোধ তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে।”
৬০০৮
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রাঃ)
এ সূত্রে অবিকল হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০০৯
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: “আমি তোমাদের জন্য যা ছেড়ে দিয়েছি তোমরাও আমাকে সে বিষয়ে ছেড়ে দাও” (অর্থাৎ সে বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করো না)। হাম্মাম (রহঃ)-এর হাদীসে আছে, “যে বিষয়ে তোমাদের ছাড় দেয়া হয়েছে।” কারণ তোমাদের পূর্ববর্তীরা ধ্বংস হয়েছে, এরপর তাঁরা আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে যুহরী এবং আবু সালামা (রহঃ)-এর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৬০১০
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে সম্মান প্রদর্শন করা এবং অকারণে বেশি প্রশ্ন করা বা কষ্ট দেয়া ও অবাঞ্চিত ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলিমদের মাঝে সর্বাধিক দোষী ঐসব লোক, যে এমন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে, যা মুসলিমদের জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ ছিল না। আর তার জিজ্ঞেস করার কারণে সে ব্যাপারটি মুসলিমদের উপর হারাম করে দেওয়া হয়।