৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬০০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৯৯১
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কায় তের বছর অবস্থান করেছিলেন, সে সময় তাঁর উপর ওহী অবতীর্ণ হয় এবং মদীনায় দশ বছর ছিলেন। আর তাঁর যখন ওফাত হয়, তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর।
৫৯৯২
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ইসহাক্‌ (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ ইবন উতবা (রাঃ)-এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন মানুষেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বয়স নিয়ে আলোচনায় লিপ্ত হল। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলল, আবু বকর (রাঃ) (বয়সে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর তুলনায় বড় ছিলেন।আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইন্তিকাল হয় তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর। আর আবু বকর (রাঃ)-এর যখন ওফাত হয়, তখন তাঁর বয়সও তেষট্টি বছর হয়েছিল। আর উমর (রাঃ) শাহাদাত বরণ করেন তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর।বর্ণনাকারী বলেন, লোকদের মাঝে আমির ইবন সাদ নামধারী একজন বলল, জারীর আমাকে বলেছেন যে, আমরা মুয়াবিয়া (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলাম। মানুষেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বয়সের বর্ণনা করল। সে সময় মুয়াবিয়া (রাঃ) বললেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ইন্তিকাল হয় তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর। আর যখন আবু বকর (রাঃ) ইন্তিকাল করেন তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর এবং উমর (রাঃ) শাহাদাতপ্রাপ্ত হন তখন তাঁর বয়সও তেষট্টি বছর ছিল।
৫৯৯৩
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
জারীর (রাঃ)
তিনি মু’আবিয়া (রাঃ)-কে খুতবা দিতে শুনেছেন। মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাত হয়, তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর। আবু বকর (রাঃ), উমর (রাঃ)-ও তেষট্টি বছর (বয়সে ইন্তিকাল করেন) এবং আমি তেষট্টি বছর (বয়সের)।
৫৯৯৪
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
বানূ হাশিমের মুক্তদাস ‘আম্মার (রহঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যখন ওফাত হয় তখন তাঁর (বয়স) কত ছিল? ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, আমি চিন্তা করিনি যে, তুমি তাঁর গোত্রের ব্যক্তি হয়েও এ কথাটা অজানা রইবে। আমি বললাম, আমি লোকদের প্রশ্ন করেছি, তারা ভিন্ন মতাবলম্বন করেছেন। তাই এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য জানা আমি বেশি ভাল মনে করলাম। ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তুমি কি হিসাব করতে জানো? তিনি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আচ্ছা ‘চল্লিশ’ স্মরণ রেখো। এ সময় তিনি রাসূল হন। এর সাথে পনের বছর যোগ করো, মক্কায় যখন অবস্থান করেন ভয় এবং নিরাপত্তায়। আরও দশ বছর হিজরত করার পর হতে মদিনায়।
৫৯৯৫
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
ইউনুস (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে ইয়াজিদ ইবন জুরাই-এর হাদিসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৯৯৬
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পঁয়ষট্টি বছর বয়সে ইন্তিকাল করেন।
৫৯৯৭
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ)
এই সূত্রে খালিদ হতে রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৯৯৮
মক্কায় ও মাদীনায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর অবস্থানকাল কত ছিল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় পনের বছর থাকেন, সাত বছর শব্দ শুনতেন এবং আলো দেখতে পেতেন, কিন্তু ভিন্ন কিছু দেখতেন না। আর আট বছর তার নিকট ওহী আসত। অতঃপর মদীনায় দশ বছর থাকেন।
৫৯৯৯
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
জুবায়র ইবনু মুত‘ইম (রহঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মুহাম্মাদ (প্রশংসিত), আমি আহমাদ (অত্যধিক প্রশংসাকারী), আমি আল-মাহী (বিলুপ্তকারী) এমন লোক যে, আমার মাধ্যমে কুফরকে নিঃশেষ করা হবে। আমি আল-হাশির (একত্রকারী) এমন ব্যক্তি যে, আমার পেছনে লোকেদের একত্রিত করা হবে। আমি আল-আকিব (সর্বশেষ); আর আল-আকিব, ঐ লোক যার পর আর কোন নবী নেই।
৬০০০
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নামসমূহ পরিচ্ছেদ নাই
জুবায়র ইবনু মুত‘ইম (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমার বহু নাম রয়েছে। আমি মুহাম্মাদ, আমি আহমাদ, আমি ‘আল-মাহী’ (বিলোপ সাধনকারী); সেই ব্যক্তি যার মাধ্যমে আল্লাহ কুফরকে নিঃশেষ করবেন, আমি ‘আল-হাশির’ (একত্রকারী); সেই ব্যক্তি যার পায়ের নিকট লোকদের একত্রিত করা হবে। আমি ‘আল-আকীব’ (শেষ); সেই ব্যক্তি, যার পরে আর কেউ (নবী) নেই এবং আল্লাহ তাঁর নাম রেখেছেন রউফ ও রহীম।