৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৭১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৭০১
অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রহঃ)
হারুন ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) শু’বাহ (রহঃ) উপরোল্লিখিত সূত্রে একই হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি [আরবীতে ‘হাক্ক’] (এটা সত্য) শব্দটি বলেননি।
৫৭০২
অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
হামযাহ্‌ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) .... হামজা ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর সনদে তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি অশুভ লক্ষণ কোন কিছুতে থেকে থাকে তাহলে তা রয়েছে ঘোড়া, ঘর-বাড়ি ও নারীর মাঝে।
৫৭০৩
অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রহঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি তা থাকে তাহলে নারী, ঘোড়া ও ঘর-বাড়ি অর্থাৎ অশুভ লক্ষণ।
৫৭০৪
অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সাঈদ (রাঃ)-এর সানাদে নবী (ﷺ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন।
৫৭০৫
অশুভ লক্ষণ, সুলক্ষণ ও সম্ভব্য অপয়া বিষয়বস্তুর বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
ইসহাক ইবন ইব্রাহিম হানযালী (রহঃ) আবু যুবাইর (রহঃ) জাবির (রাঃ) থেকে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন কিছুতে যদি (অশুভ লক্ষণ) থেকে থাকে, তাহলে ঘর (আবাসস্থল), খাদিম ও ঘোড়া (এ তিনটি জিনিসে) রয়েছে।
৫৭০৬
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষীর কাছে গমনাগমন নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
মু’আবিয়াহ্‌ ইবনু হাকাম সুলামী (রাঃ)
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! কিছু কাজ আমরা অজ্ঞতার যুগে করতাম, (তার মধ্যে একটি হল) আমরা জ্যোতিষীর নিকট যেতাম। তিনি বললেন, আর জ্যোতিষীর নিকটে যেয়ো না। আমি বললাম, আমরা (নানা পদ্ধতিতে) ভাগ্য গণনা করতাম। তিনি বললেন, সেটি এমন একটি জিনিস, যা তোমাদের কেউ তার মনে উপলব্ধি করে, তবে সেটি যেন তোমাদের (কাজ-কর্ম হতে) বিরত না রাখে।
৫৭০৭
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষীর কাছে গমনাগমন নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
মুহাম্মাদ ইবন রাফি, ইসহাক ইবন ইব্রাহিম, আবদ ইবন হুমায়দ ও আবু বাকর ইবন আবু শাইবাহ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে ইউনুস (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু বর্ণনাকারী মালিক (রহঃ) তাঁর বর্ণিত হাদীসে ‘শুভাশুভ’ এর কথা উল্লেখ করেছেন। তাতে জ্যোতিষীর ব্যাপারটি উল্লেখ নেই।
৫৭০৮
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষীর কাছে গমনাগমন নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
মু’আবিয়াহ ইবনু হাকাম সুলামী (রাঃ)
মুহাম্মাদ ইবন সাব্বাহ (রহঃ) ও আবু বাকর ইবন আবু শাইবাহ (রহঃ), ইসহাক ইবন ইব্রাহীম (রহঃ) … মু’আবিয়া ইবন হাকাম সুলামী (রাঃ)-এর সানাদে নবী (ﷺ) থেকে, মু’আবিয়া (রাঃ) হতে আবু সালামা (রহঃ)-এর সানাদে যুহরী (রহঃ)-এর অবিকল বর্ণনা করেছেন।কিন্তু ইয়াহিয়া ইবন কাসীর (রহঃ) বর্ধিত করে বলেছেন, আমি (মু'আবিয়া) বললাম, আমাদের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে, যারা রেখা এঁকে (ভাগ্য নির্ধারণ) করে থাকে। তিনি বললেন, নবীদের মধ্যে একজন নবী রেখা অঙ্কন (ভাগ্য নির্ণয়) করতেন। সুতরাং যার রেখা তাঁর (রেখার) অবিকল হবে তা সেরূপই (সত্য)।
৫৭০৯
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষীর কাছে গমনাগমন নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) জ্যোতিষীরা কোন ব্যাপারে আমাদের কোন কথা বলত, অতঃপর তা আমরা বাস্তবে প্রত্যক্ষ করতাম। তিনি বললেন, সেটি একটি বাস্তব সত্য কথা, যা কোন জিন চুরি করে এনে সেটি তার দোসর ঠাকুরের কর্ণে প্রবেশ করাতো, আর সে তার সঙ্গে একশটি অবাস্তব মিথ্যা জুড়ে দিত।
৫৭১০
জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষীর কাছে গমনাগমন নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
একদল লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট জ্যোতিষীদের ব্যাপারে জানতে চাইল। সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বললেন, ওরা (বাস্তব) কোনো কিছুর উপরে (প্রতিষ্ঠিত) নয়। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তারা তো প্রায় সময় এমন কিছু বিষয়ে (আগাম) কথা বলে, যা বাস্তব হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ঐ (একটি) কথা বাস্তব সত্যের অন্তর্ভুক্ত, যা জিনেরা চুরি করে নিয়ে আসে এবং মুরগির মতো কুট কুট করে তা তার দোসরের শ্রবণশক্তিতে ঢুকিয়ে দেয়। পরবর্তীতে তারা তার সঙ্গে শতাধিক মিথ্যা জুড়ে দেয়।