৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫৬১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫৬০১
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ) হতে জারীর (রহঃ)
কিন্তু হুশাইম ও শু'বা (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- তিনি তাঁর হস্ত দ্বারা তাকে (রোগীকে) মুছে দিলেন। আর (সুফইয়ান) সাওরি (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে- তিনি তাঁর ‘ডান’ হস্ত দ্বারা তাকে মুছে দিলেন।আর সুফইয়ান (রহঃ) -এর সূত্রে আ'মাশ (রহঃ) হতে ইয়াহিয়া (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবশিষ্টাংশে বর্ণনাকারী বলেছেন- পরে আমি এ হাদীস মানসূর (রহঃ) -কে শুনালে তিনি ইব্রাহিম (রহঃ) মাসরূক (রহঃ) ও আয়েশা (রাঃ) হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করে আমাকে শুনালেন।
৫৬০২
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন রোগগ্রস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে বলতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ اشْفِهِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا “সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে লোকেদের প্রতিপালনকারী! তাঁকে সুস্থ করে দিন, আপনিই সুস্থতা দানকারী। আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই- এমন শিফা, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী থাকে না।”
৫৬০৩
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন রোগগ্রস্থ ব্যক্তির নিকট গেলে তার জন্য দোয়া করতেন। তিনি বলতেনঃ أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لاَ شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا অর্থাৎ “বিপদাপদ সমস্যা বিদূরিত করে দিন হে মানুষের প্রতিপালক! আর আরোগ্য দান করুন। আপনিই আরোগ্য দানকারী, আপনার শিফা ছাড়া কোন শিফা নেই; এমন সুস্থতা দিন, যার পরে কোন রোগ-ব্যাধি বাকী না থাকে।” আবু বকর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে- তিনি রোগগ্রস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করতেন এবং বলতেন “ওয়া আংতাশ শাফি।” অর্থাৎ আর আপনিই সুস্থতা দানকারী।
৫৬০৪
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বর্ণনা (উপরোল্লিখিত) আবু আওয়ানাহ্‌ এবং জারীর (রহঃ)-এর হাদিসের অবিকল।
৫৬০৫
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দোয়া দিয়ে ঝাড়ফুঁক করতেন- أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ بِيَدِكَ الشِّفَاءُ لاَ كَاشِفَ لَهُ إِلاَّ أَنْتَ “হে জনগণের প্রতিপালক! বিপদাপদ সমস্যা বিদূরিত করুন; আপনার কাছেই রয়েছে উপশম। আপনি ছাড়া আর কেউ-ই (বিপদ) দূরকারী নেই।”
৫৬০৬
রোগীকে ঝাড়ফুঁক , মন্ত্র করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুবায়ব (রহঃ)
আবু কুরায়ব (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইব্রাহিম (রহঃ) হিশাম (রহঃ)-এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৫৬০৭
মু‘আববিযাত[২৭] সূরাহ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা এবং দম করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পরিবারবর্গের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু‘আব্বিযাত’ সূরাগুলো পড়ে তাকে ফুঁক দিতেন। পরবর্তীতে তিনি যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত হলেন তখন আমি তাকে ফুঁক দিতে লাগলাম এবং তাঁর-ই হাত দিয়ে তাঁর দেহটি মুছে দিতে লাগলাম। কেননা আমার হাতের তুলনায় তাঁর হাতটি ছিল অনেক বরকতময়। আর ইয়াহিয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ‘মু‘আববিযাত’ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করতেন।
৫৬০৮
মু‘আববিযাত[২৭] সূরাহ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা এবং দম করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ‘মু‘আব্‌বিযাত’ পাঠ করে স্বশরীরে দম করতেন। তাঁর ব্যাধি কঠিন রূপ ধারণ করলে আমি তা পড়ে তাঁর হাত দ্বারা তাঁর দেহটি মুছে দিতাম ঐ হাতের বরকতের আশায়।
৫৬০৯
মু‘আববিযাত[২৭] সূরাহ পড়ে ঝাড়ফুঁক করা এবং দম করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে মালিকের সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু মালিকের হাদীস ছাড়া তাদের কারো হাদীসে ‘তাঁর হাতের বরকতের আশায়’ কথাটি নেই। ইউনুস (রহঃ) ও যিয়াদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে আছে-নবী (ﷺ) অসুস্থ হয়ে গেলে নিজেকে ‘মু’আব্বিযাত’ দ্বারা দম করতেন এবং নিজ হস্তে স্বশরীরে মুছতেন।
৫৬১০
চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আস্‌ওয়াদ (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসারদের একটি পরিবারকে যে কোন বিষধর প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে মুক্তির জন্য ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।