৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৮৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৮৫১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ আমার উম্মতের একদল লোক হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে তাদের বিরোধিতা তাদের ক্ষতিসাধন করতে পারবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রাহমান ইবন শুমাসাহ (রাঃ)
একদা আমি মাসলামা ইবন মুখাল্লাদ (রাঃ)-এর কাছে বসা ছিলাম। তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, কেয়ামত কেবল তখনই কায়েম হবে যখন সৃষ্টির নিকৃষ্টতম লোকরা থাকবে, ওরা জাহিলিয়া সম্প্রদায়ের লোকদের চাইতেও নিকৃষ্ট হবে। তারা আল্লাহর কাছে যে বস্তুর জন্যই দোয়া করবে তিনি তা প্রত্যাখান করবেন। তারা যখন এ আলোচনায় ছিলেন এমন সময় উকবা ইবন আমির (রাঃ) সেখানে এলেন। তখন মাসলামা (রাঃ) বললেন, হে উকবা, শুনুন, আবদুল্লাহ কি বলছেন? তখন উকবা (রাঃ) বললেন, তিনিই তা অধিক জানেন। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, আমার উম্মতের একটি দল আল্লাহর বিধানের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে লড়ে যাবে। তারা তাদের শত্রুদের মুকাবিলায় অত্যন্ত প্রতাপশালী হবে। যারা বিরোধিতা করবে, তারা তাদের কোন অনিষ্ট করতে পারবে না। এভাবে চলতে চলতে তাদের নিকট কেয়ামত এসে যাবে আর তারা এর উপরই প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তারপর আল্লাহ একটি বায়ু প্রবাহ প্রেরণ করবেন, সে বায়ু প্রবাহটি হবে কস্তুরীর সুঘ্রাণের ন্যায় এবং তার পরশ হবে রেশমের পরশের মত। সে বায়ু এমন একটি লোককেও অবশিষ্ট রাখবে না যার অন্তরে একটি দানা পরিমাণ ঈমান থাকবে। তাদের সকলকে তা কবজ করে নেবে। তারপর কেবল নিকৃষ্ট লোকগুলোই বাকী থাকবে এবং তাদের উপরই কেয়ামত কায়েম হবে।
৪৮৫২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ আমার উম্মতের একদল লোক হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে তাদের বিরোধিতা তাদের ক্ষতিসাধন করতে পারবে না পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পশ্চিম দেশীয়রা বরাবর হকের উপর বিজয়ী থাকবে কেয়ামত পর্যন্ত।
৪৮৫৩
সফরের সময় জীবজন্তুর সুবিধাদি লক্ষ্য করা ও পথে রাত্রি যাপন নিষিদ্ধ হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা উর্বর ভূমি দিয়ে চলাচল করো তখন উটকে ভূমি থেকে তার পাওনা আদায় করতে দিও। আর যখন দুর্ভিক্ষগ্রস্ত ভূমি দিয়ে পথ অতিক্রম করো তখন তাড়াতাড়ি অতিক্রম করবে এবং যখন কোথাও রাত্রিযাপনের জন্য অবতরণ করবে, তখন রাস্তায় অবস্থান করবে না। কেননা তা হচ্ছে জন্তুদের রাতে চলার পথ এবং ছোট ছোট অনিষ্টকর প্রাণীদের রাত্রিকালীন আশ্রয়স্থল।
৪৮৫৪
সফরের সময় জীবজন্তুর সুবিধাদি লক্ষ্য করা ও পথে রাত্রি যাপন নিষিদ্ধ হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা যখন উর্বর ভূমি দিয়ে পথ অতিক্রম কর, তখন উটকে ভূমি থেকে তার অংশ দাও (অর্থাৎ তাদেরকে কিছুক্ষণ বিচরণের জন্যে ছেড়ে দাও)। আর যখন দুর্ভিক্ষগ্রস্ত বা অনুর্বর ভূমি দিয়ে পথ অতিক্রম কর তখন তাড়াতাড়ি (তাদের চলার শক্তি বাকী থাকতে) তা অতিক্রম করে যাও। আর যখন রাত্রি যাপনের জন্য কোথাও অবতরণ কর, তখন পথ (তাঁবু খাটানো) থেকে সরে থাকবে। কেননা তা হচ্ছে জীবজন্তু ও সাপ বিচ্ছু ইত্যাদির রাত্রিবেলার আশ্রয়স্থল।
৪৮৫৫
সফর কষ্টের একটা অংশ, প্রয়োজন সেরে মুসাফিরের তাড়াতাড়ি পরিজনদের কাছে ফিরে আসা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: সফর ক্লেশের অংশ, তা তোমাদের কোন ব্যক্তির ঘুম ও পানাহারে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং তোমাদের কাজ শেষ হয়ে গেলেই সে যেন দ্রুততার সাথে পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে যায়।রাবী ইয়াহিয়া ইবনু ইয়াহিয়া তামীমী (রহঃ) বলেন, আমি (রাবী) মালিককে বললাম, সুমাই কি আপনাকে আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন? তখন তিনি বললেন, হ্যাঁ।
৪৮৫৬
সফর থেকে রাতে অতর্কিতে ঘরে ফেরা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কখনো (গভীর) রাতে (সফর থেকে ঘরে) পরিবার-পরিজনের নিকট আসতেন না; বরং সকালে বা সন্ধ্যায় তাঁদের নিকট আসতেন।
৪৮৫৭
সফর থেকে রাতে অতর্কিতে ঘরে ফেরা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবি (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, তবে এতে لاَ يَطْرُقُ এর স্থলেلاَ يَدْخُلُ বর্ণনা করেছেন।
৪৮৫৮
সফর থেকে রাতে অতর্কিতে ঘরে ফেরা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাঃ)
একদা আমরা এক অভিযানে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তারপর আমরা যখন মদীনায় আসলাম এবং ঘরে ফিরতে উদ্যত হলাম তখন তিনি বললেন, “একটু অপেক্ষা কর, আমরা রাতে বা সন্ধ্যায় বাড়িতে প্রবেশ করব। এতে যাদের সহধর্মিণীদের চুল অবিন্যস্ত তারা নিজেদের চুল বিন্যস্ত করে নিবে এবং যাদের স্বামী প্রবাসে ছিল তারা গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার অবকাশ পাবে।”
৪৮৫৯
সফর থেকে রাতে অতর্কিতে ঘরে ফেরা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি রাতের বেলা সফর থেকে ফিরে তখন সে যেন রাতের আগন্তুকের মতো অতর্কিতভাবে পরিবারবর্গের কাছে গিয়ে উপস্থিত না হয় যাতে দীর্ঘকাল অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী তার গুপ্তাঙ্গের লোম পরিষ্কার করার এবং এলোমেলো চুলবিশিষ্টা নারী তার চুল বিন্যাস করার সুযোগ পায়।
৪৮৬০
সফর থেকে রাতে অতর্কিতে ঘরে ফেরা মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
সাইয়্যার (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।