৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৪৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৪৩১
যুদ্ধের মধ্যে শত্রুকে ধোঁকা দেয়ার বৈধতা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যুদ্ধ কৌশল ও ছলনারই নাম।
৪৪৩২
যুদ্ধের মধ্যে শত্রুকে ধোঁকা দেয়ার বৈধতা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যুদ্ধ কূটকৌশলেরই নাম।
৪৪৩৩
শত্রুর সাথে সম্মুখ যুদ্ধের আকাঙ্খা করা নিষেধ; তবে যুদ্ধের মুখোমুখির বেলায় ধৈর্যধারণ করার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না, আর যখন মুখোমুখি হয়ে পড়ো তখন ধৈর্যধারণ করবে।
৪৪৩৪
শত্রুর সাথে সম্মুখ যুদ্ধের আকাঙ্খা করা নিষেধ; তবে যুদ্ধের মুখোমুখির বেলায় ধৈর্যধারণ করার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ নাযর (রাঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-এর সাহাবীদের মধ্য থেকে আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তির—যার নাম ছিল আবদুল্লাহ ইবন আবু আওফা—চিঠি থেকে বর্ণনা করেছেন। এ চিঠি তিনি লিখেছিলেন উমর ইবন উবাইদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট, যখন তিনি হারুরিয়্যাহ (খারিজীদের বিরুদ্ধে) অভিযানে যাচ্ছিলেন। এতে তিনি তাঁকে অবহিত করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেসব যুদ্ধে শত্রু বাহিনীর মুখোমুখি হয়েছিলেন তার কোনো এক যুদ্ধে অপেক্ষা করতে লাগলেন। অবশেষে যখন সূর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি সঙ্গীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে বললেনঃ“হে লোকজন! তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না। বরং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার প্রার্থনা করো। আর যখন তোমরা শত্রুর সামনা-সামনি হয়ে যাও তখন ধৈর্য ধারণ করবে। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তরবারির ছায়াতলে।”তারপর নবী (ﷺ) দাঁড়িয়ে দোয়া করলেন, “ইয়া আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শত্রুদলকে পরাস্তকারী। তুমি তাদের পরাস্ত করো এবং তাদের উপর আমাদেরকে সাহায্য করো।”
৪৪৩৫
শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময় (আল্লাহর কাছে বিজয়ের জন্য সাহায্য) প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে (খন্দকের যুদ্ধে) এভাবে দোয়া করলেন যে, “হে আল্লাহ! কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী, তুমি সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাদের পরাজিত করে দাও এবং তাদের কম্পমান করে দাও।”
৪৪৩৬
শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময় (আল্লাহর কাছে বিজয়ের জন্য সাহায্য) প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এভাবে দোয়া করলেন ..... পরবর্তী অংশ উল্লিখিত খালিদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ اهْزِمْهُمْ বাক্যের পরিবর্তে هَازِمَ الأَحْزَابِ বাক্যটি এনেছেন অর্থ শত্রু সৈন্যদের পরাস্তকারী। আর তিনি اللَّهُمَّ “হে আল্লাহ!” শব্দটির উল্লেখ করেননি।
৪৪৩৭
শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময় (আল্লাহর কাছে বিজয়ের জন্য সাহায্য) প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইসমা’ঈল (রহঃ)
তবে ইবনু আবু উমর (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় مُجْرِيَ السَّحَابِ “মেঘমালা পরিচালনাকারী” বাক্যটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন।
৪৪৩৮
শত্রুর সাথে যুদ্ধের সময় (আল্লাহর কাছে বিজয়ের জন্য সাহায্য) প্রার্থনা করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উহুদের যুদ্ধের দিন বলেছিলেন, “হে আল্লাহ! তুমি যদি চাও পৃথিবীতে তোমার ইবাদত করা হবে না।”
৪৪৩৯
যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কোন এক যুদ্ধে একজন মহিলাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। তিনি তখন নারী ও শিশুদের হত্যা করতে বারণ করেছিলেন।
৪৪৪০
যুদ্ধে নারী ও শিশুদের হত্যা করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
কোনো এক মহিলাকে কোনো এক যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নারী ও শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেছিলেন।