৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৩৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৩৭১
‘হিন্দার ঘটনা’ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
হিন্দ নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহর কসম, পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্ছিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। আর এখন পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তা আরো বাড়বে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আবু সুফিয়ান একজন কৃপণ স্বভাবের লোক। তবে আমি যদি তার বিনা অনুমতিতে তার সন্তান-সন্ততির জন্য তার সম্পদ থেকে খরচ করি, এতে কি আমার কোন অন্যায় হবে? তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ তাদের জন্য তুমি যথাবিধি খরচ করলে কোন দোষ হবে না।
৪৩৭২
‘হিন্দার ঘটনা’ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
হিন্দ বিনত উতবা ইবনু রাবিআ (রাঃ) এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! (ইসলাম গ্রহণের পূর্বে) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে লাঞ্ছিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই ছিল না। আর আজ (ইসলাম গ্রহণের পর) পৃথিবীর মধ্যে অন্য কোন পরিবার-পরিজনের চেয়ে আল্লাহ আপনার পরিবার-পরিজনকে সম্মানিত করুন- এর চেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমার কাছে আর কিছুই নেই।”তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “সে মহান আল্লাহর কসম যাঁর হাতে আমার জীবন, তা আরো বৃদ্ধি পাবে।”তারপর হিন্দ (রাঃ) বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আবু সুফিয়ান একজন বড় কৃপণ স্বভাবের লোক। এমতাবস্থায় আমি যদি আমাদের সন্তানাদির খাবার (তারই অজান্তে) তার সম্পদ থেকে প্রদান করি তবে কি এতে আমার কোন দোষ হবে?”তিনি বললেনঃ “না। তবে তা যথাবিধি হতে হবে।
৪৩৭৩
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলা তিনটি কাজ পছন্দ করেন এবং তিনটি কাজ অপছন্দ করেন। তোমাদের জন্য তিনি যা পছন্দ করেন, তা হলোঃ১. তোমরা তাঁরই ইবাদত করবে,২. তাঁর সঙ্গে কিছুই শরীক করবে না এবং৩. তোমরা সম্মিলিতভাবে আল্লাহর রজ্জু মজবুতভাবে ধারণ করবে ও পরস্পর বিচ্ছিন্ন হবে না।আর যে সকল বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেনঃ১. নিরর্থক কথাবার্তা বলা,২. অধিক প্রশ্ন করা এবং৩. সম্পদ বিনষ্ট করা।
৪৩৭৪
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেছেনঃ “এবং তিনি তোমাদের তিনটি কাজে রাগান্বিত হন”। “এবং তোমরা পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না” বাক্যটি তিনি উল্লেখ করেননি।
৪৩৭৫
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন মায়েদের অবাধ্য হওয়া, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে ফেলা এবং অন্যের হক আদায় না করা এবং না-হক কোন বস্তু প্রার্থনা করা। আর তিনটি বিষয় তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেন। তা হলঃ১. নিরর্থক কথা-বার্তা বলা,২. অধিক প্রশ্ন করা এবং৩. সম্পদ বিনষ্ট করা।
৪৩৭৬
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
মানসূর (রহঃ)
অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের উপর হারাম করেছেন” স্থলে বলেছেন “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের উপর হারাম করেছেন।”
৪৩৭৭
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
শা’বি (রহঃ)
মুগীরাহ ইবনু শু’আবাহ (রাঃ)-এর লেখক আমাকে বলেছেন যে, মু’আবিয়া (রাঃ) মুগীরাহ (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখলেন, “আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছেন, এমন কিছু বিষয় আমাকে লিখে অবহিত করুন।”তখন তিনি তাঁকে লিখলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য তিনটি কাজ অপছন্দ করেনঃ১. অনর্থক কথা-বার্তা বলা,২. সম্পদ বিনষ্ট করা এবং৩. বেশি বেশি প্রশ্ন করা।”
৪৩৭৮
বিনা প্রয়োজনে অধিক প্রশ্ন করা, প্রাপ্য হক না দেয়া এবং অন্যায় কিছু চাওয়া নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ওয়ার্‌রাদ (রহঃ)
মুগীরা (রাঃ) মু’আবিয়া (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেনঃ “আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তিনটি বিষয় হারাম করেছেন এবং তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন।তিনি হারাম করেছেনঃ পিতা-মাতার নাফরমানি, জীবন্ত কন্যা সন্তানকে মাটিতে পুঁতে রাখা এবং পাওনাদারের হক আদায় না করা।আর তিনি তিনটি কাজ নিষিদ্ধ করেছেন, তা হলোঃ১. অনর্থক কথাবার্তা বলা,২. অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং৩. ধন-সম্পদ বিনষ্ট করা।
৪৩৭৯
বিচারকের প্রতিদান, প্রচেষ্টার পর সে যথাযথ সমাধানে পৌঁছুক বা ভুল করুক পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু ‘আস (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কোন বিচারক যথাযথ চিন্তা-গবেষণার পর সমাধান প্রদান করেন, অতঃপর তিনি সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেন, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার। আর যদি তিনি চিন্তা-গবেষণা করে রায় প্রদান করেন তারপরও তিনি ভুল করেন, তবুও তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার।
৪৩৮০
বিচারকের প্রতিদান, প্রচেষ্টার পর সে যথাযথ সমাধানে পৌঁছুক বা ভুল করুক পরিচ্ছেদ নাই
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। হাদিসের শেষাংশে অতিরিক্ত উল্লেখ রয়েছে, রাবী ইয়াজিদ বলেন, আমি হাদিসটি আবু বকর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু হাজম (রহঃ)-এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন যে, আমার কাছে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে আবু সালামা (রহঃ) এরূপ বলেছেন।