৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪২৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪২২১
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
‘আমর আন নাকিদ ও ইবনু ‘উমার (রাযিঃ) ..... উভয়েই.. ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি এমন গোলামকে আযাদ করল যার মধ্যে তার এবং অপরের অংশীদারিত্ব আছে, তবে তার সম্পদ থেকে অন্যের অংশ ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিশোধ করা কর্তব্য। যদি সে প্রাচুর্যশালী হয়, নিজ দায়িত্বে স্বীয় সম্পদ দ্বারা তাকে মুক্ত করে দেয়া উচিত।
৪২২২
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি যৌথভাবে ক্রয় করা কোন গোলামের নিজ অংশ আযাদ করল, বাকী অংশটুকু তার সম্পদ থেকে আযাদ করে দেয়া কর্তব্য, যদি তার এমন সম্পদ থাকে যা দিয়ে গোলামের মূল্য পরিশোধ করা যায়।
৪২২৩
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ)
দুইজনের অংশীদারিত্বে কোন গোলামের একজন মালিক যদি তার অংশ আযাদ করে দেয়, তবে সে (অপরের অংশের) যামিন হবে।
৪২২৪
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রহঃ)
যদি কেউ যৌথভাবে ক্রয় করা কোনো গোলামের এক অংশ আযাদ করল, সে স্বাধীন হবে তার মাল দ্বারাই (অর্থাৎ নিজ দায়িত্বে স্বীয় সম্পদ দ্বারা তাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেয়া কর্তব্য)।
৪২২৫
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ)
যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানার কোন গোলামের নিজ অংশ মুক্ত করল, তবে তার মাল থেকেই তাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেয়া কর্তব্য, যদি সে সম্পদশালী হয়। আর যদি তার সম্পদ না থাকে তবে গোলামের দ্বারা সেবা কার্য আদায় করা হবে, তবে তার ওপর কোনো কঠোরতা আরোপ করা যাবে না।
৪২২৬
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ ‘আরূবাহ্ (রহঃ)
উল্লেখিত হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর ‘ঈসা (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসে “এরপর যে অংশ আযাদ হয়নি সে অংশ মুক্ত করানোর চেষ্টা করবে, কিন্তু তার ওপর কোনো কঠোরতা আরোপ করা যাবে না” বর্ণিত রয়েছে।
৪২২৭
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ)
এক ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে নিজের ছয়জন গোলামকে আযাদ করল। অথচ গোলামগুলো ব্যতীত তার আর কোন সম্পদও ছিল না। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে ডাকালেন এবং তাদেরকে তিনভাগে ভাগ করলেন। তারপর তাদের মধ্যে লটারি করে দুইজনকে সম্পূর্ণভাবে আযাদ করলেন এবং বাকী চারজনকে গোলাম বানিয়ে রাখলেন। আর তার (মৃতের) প্রতি শক্ত ভাষা প্রয়োগ করলেন।
৪২২৮
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
আইয়ূব (রহঃ)
উক্ত সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। আর হাম্মাদ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসটি ইবন উলাইয়াহ (রহঃ)-এর হাদিসের অনুরূপ। আর সাকাফী (রহঃ)-এর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, “আনসারী এক লোক তার মৃত্যুর সময় ওসিয়ত করায় তার ছয়জন গোলামকে মুক্ত করা হলো”।
৪২২৯
অংশীদারিত্ব আছে এমন গোলাম মুক্ত করা পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু মিনহাল দারীর ও আহমদ ইবনু ‘আবদাহ্ (রহঃ) .....
ইবন উলাইয়্যাহ (রহঃ) ও হাম্মাদ-এর হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪২৩০
মুদাব্বারকে [২৫] বিক্রি করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
আনসারী একজন লোক তাঁর গোলামকে এ শর্তে আযাদ করলেন যে, তুমি আমার মৃত্যুর পর স্বাধীন। সে গোলাম ব্যতীত তাঁর আর কোনো সম্পদও ছিল না। এ সংবাদ যখন নবী (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছল, তখন তিনি বললেন: আমার কাছ থেকে তাকে কিনে নিবে, এমন কে আছে? তখন নুআয়ম ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) আটশো দিরহামের বিনিময়ে তাকে কিনে নিলেন। তখন নবী (ﷺ) ঐ অর্থ আনসারীকে দিয়েছিলেন। আমর (রহঃ) বলেন, আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, সে ছিল একজন কিবতি গোলাম। সে (আবদুল্লাহ ইবন যুবাইর (রাঃ)-এর খিলাফতের) প্রথম বছর মৃত্যুবরণ করে।