৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৬৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৬৬১
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
আমাদের নিকট এ খবর পৌঁছেছে যে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে তাঁদের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩৬৬২
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরীক (যৌথ মালিকানাধীন) ক্রীতদাসের বেলায় তার নিজের অংশটুকু মুক্ত করে দেয় এবং তার (মুক্তিদাতার) কাছে এ পরিমাণ ধন-সম্পদ থাকে যা উক্ত ক্রীতদাসের মূল্য সমান হয়- তবে ন্যায়সঙ্গতভাবে মূল্য নিরূপণ করবে এবং বাকি অংশীদারদের অংশের মূল্যও তাকে পরিশোধ করতে হবে। আর ক্রীতদাসটি পুরোপুরি ভাবে তার পক্ষ থেকেই মুক্ত করা হবে। তবে যদি সে (পুরো অংশের মূল্য পরিশোধে) সক্ষম না হয় তাহলে সে যতটুকু অংশ মুক্ত করেছে ততটুকু মুক্ত হয়ে যাবে।
৩৬৬৩
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
কুতাইবা ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ, শাইবান ইবনু ফাররূখ, আবু রাবী, আবু কামিল, ইবনু নুমাইর, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইসহাক ইবনু মানসুর, হারুন ইবনে সাঈদ আইলী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। মালিক (রহঃ) নাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
৩৬৬৪
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ক্রীতদাসটি দুইজনের মালিকানাধীন, তার একজন নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে অপরজনের অংশেরও সে যিম্মাদার হবে (যদি সে বিত্তবান হয়)।
৩৬৬৫
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানাধীন ক্রীতদাসের বেলায় নিজের অংশ মুক্ত করে দিবে বাকি অংশ তার সম্পদ দ্বারাই মুক্ত করবে। আর যদি সে বিত্তশালী না হয় তাহলে সে ক্রীতদাসকে উপার্জনের মাধ্যমে মুক্ত হওয়ার চেষ্টায় নিযুক্ত করতে হবে। তবে তার উপর তার সামর্থ্যের বাইরে বোঝা চাপানো যাবে না।
৩৬৬৬
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু আবূ ‘আরূবাহ্ (রহঃ)
সাঈদ ইবন আবূ আরূবাহ (রহঃ) হতে সানাদে বর্ণিত। তবে তিনি তার বর্ণনায় এতটুকু বেশী উল্লেখ করেছেন যে, "যদি সে মুক্তিদাতা বিত্তবান না হয় তখন ঐ ক্রীতদাসের প্রচলিত মূল্য স্থির করতে হবে। এরপর সে (দাস) তার অবশিষ্টাংশ মুক্ত করার লক্ষ্যে উপার্জনে নিয়োজিত হবে। তবে এ ব্যাপারে তাকে (মুক্তিদাতাকে) সাধ্যাতীত কষ্টে ফেলা যাবে না।
৩৬৬৭
দাসের প্রয়োজন পূরণের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ওয়াহ্‌ব ইবনু জারীর (রহঃ)
আমি কাতাদা (রহঃ)-কে এ সানাদে ইবনু আবু আরুবা-র হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনায় উল্লেখ করেন, “ক্রীতদাসের ন্যায্য মূল্য নিরূপণ করতে হবে।”
৩৬৬৮
প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতা পাবে মুক্তদাসের ওয়ালা পরিত্যক্ত সম্পদ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
আয়িশা (রাঃ) একবার একটি ক্রীতদাসী ক্রয় করে তাকে মুক্ত করে দিবেন বলে ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। তখন সে ক্রীতদাসীর মনিবেরা তাকে জানালেন যে, আমরা আপনার এ শর্তে ক্রীতদাসীটি বিক্রয় করতে পারি যে, আমরাই হব তার ওয়ালার অধিকারী। এরপর বিষয়টি আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উপস্থিত করলাম। তিনি বললেনঃ এ শর্ত তোমাকে ‘ওয়ালা’ থেকে বঞ্চিত করবে না। কেননা প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতার জন্যই ‘ওয়ালার হক’ নির্ধারিত।
৩৬৬৯
প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতা পাবে মুক্তদাসের ওয়ালা পরিত্যক্ত সম্পদ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাযিঃ)
বারিরা (রাঃ) তার লিখিত মুক্তিপণ পরিশোধের ব্যাপারে সাহায্যের জন্যে আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এল। সে তার লিখিত মুক্তিপণের কিছুই আদায় করেনি। তখন আয়িশা (রাঃ) তাকে বললেনঃ তুমি তোমার মুনিবের কাছে ফিরে যাও। যদি তারা এ শর্তে রাজি হয় যে, আমি তোমার লিখিত মুক্তিপণের যাবতীয় পাওনা আদায় করলে তোমার ওয়ালা আমার প্রাপ্য হবে, তবে তা আমি করতে পারি।বারিরা তার মনিবের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করল। কিন্তু তারা সে প্রস্তাব মেনে নিল না এবং বলে দিল, যদি তিনি সওয়াবের আশায় তোমার লিখিত মুক্তিপণ আদায়ের দায়িত্ব নেন তাহলে নিতে পারেন, তবে তোমার ওয়ালা আমাদের জন্যই থাকবে।এরপর তিনি [আয়িশা (রাঃ)] বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উঠালেন। তখন তিনি তাকে বললেনঃ তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিতে পার, কেননা ওয়ালা মুক্তিদাতারই প্রাপ্য।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে গেলেন এবং বললেনঃ লোকদের কী হয়েছে তারা এমন কিছু শর্তারোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই। যে ব্যক্তি এমন শর্তারোপ করবে যা আল্লাহর কিতাবে নেই- সে শর্তের কোন মূল্য নেই যদিও সে একশো বার শর্তারোপ করে। আল্লাহর শর্তই কেবল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য।
৩৬৭০
প্রকৃতপক্ষে মুক্তিদাতা পাবে মুক্তদাসের ওয়ালা পরিত্যক্ত সম্পদ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
বারীরা (রাঃ) আমার কাছে এল। এরপর সে বলল, হে আয়িশা! আমি আমার মুনিবের কাছে লিখিত চুক্তি করেছি যে, বছরে এক উকিয়া (চল্লিশ দিরহামে এক উকিয়া) করে নয় বছরে সর্বমোট নয় উকিয়া পরিশোধ করব। এরপর লায়স (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় এতটুকু বেশি উল্লেখ আছে: “তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) বললেন, তাদের এ শর্ত করা তোমাকে ওয়ালা প্রাপ্তি হতে বাধা দিবে না। তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দিতে পার।" উরওয়া ইবন যুবাইর (রহঃ) এ হাদীসে উল্লেখ করেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকদের সামনে দাঁড়িয়ে যান এবং আল্লাহর প্রশংসা ও তার মহিমা বর্ণনা করেন।