৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৯৪১
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাজরে আসওয়াদ থেকে শুরু করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন চক্কর দ্রুত পদক্ষেপে এবং চার চক্কর স্বাভাবিক গতিতে সম্পন্ন করেছেন।
২৯৪২
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
নাফি‘ (রহঃ)
ইবন উমর (রাঃ) হাজরে আসওয়াদ থেকে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপে তাওয়াফ করেছেন এবং উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ করেছেন।
২৯৪৩
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি দেখেছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাজরে আসওয়াদ থেকে দ্রুত পদক্ষেপে তিন চক্কর দিয়েছেন এবং হাজরে আসওয়াদে পৌঁছে শেষ করেছেন।
২৯৪৪
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দ্রুত পদক্ষেপে হাজরে আসওয়াদ থেকে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন তওয়াফ সম্পন্ন করেছেন।
২৯৪৫
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ তুফায়ল (রাঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, বায়তুল্লাহর চারদিক তিনবার দ্রুত গতিতে এবং চারবার স্বাভাবিক গতিতে প্রদক্ষিণ করা কি আপনি সুন্নত মনে করেন? আপনার সম্প্রদায়ের লোকেরা তা সুন্নত মনে করে। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং অসত্যও বলেছে।রাবী বলেন, আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম- “তারা সত্য বলেছে এবং অসত্য বলেছে”-আপনার এ কথার ব্যাখ্যা কী? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কায় আগমন করলে মুশরিকরা বলল, মুহাম্মাদ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ শারীরিক দুর্বলতার কারণে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে সক্ষম হবে না। তারা তাঁর প্রতি হিংসা পোষণ করত। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণকে দ্রুত পদক্ষেপে তিনবার এবং স্বাভাবিক গতিতে চারবার (বায়তুল্লাহ) প্রদক্ষিণ করার নির্দেশ দেন।আমি তাঁকে (পুনরায়) বললাম, আপনি আমাকে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাওয়ার অবস্থায় প্রদক্ষিণ সম্পর্কে অবহিত করুন, তা কি সুন্নত? কারণ আপনার সম্প্রদায়ের লোকেরা মনে করে তা সুন্নত। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং অসত্যও বলেছে। আমি তাকে বললাম, “তারা সত্য বলেছে এবং অসত্য বলেছে”-আপনার এ কথার ব্যাখ্যা কী? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কায় এলেন। তাঁর আশেপাশে প্রচুর লোক সমাগম হলো। এমনকি যুবতী মেয়েরা পর্যন্ত (তাঁকে একটু দেখার জন্য) ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। লোকেরা বলাবলি করছিল, ইনি মুহাম্মাদ, ইনি মুহাম্মাদ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে থেকে লোকদেরকে হটিয়ে দেয়া হতো না। তাঁর আশেপাশে প্রচুর লোক সমাগম হবার কারণে তিনি (উটনীতে) আরোহণ করেন, অথচ স্বাভাবিক গতিতে পদব্রজে যাওয়া ও সাঈ করা উত্তম।
২৯৪৬
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আল জুরায়রী (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণিত। “তারা মক্কাবাসী হিংসুক সম্প্রদায়”। তবে তিনি يَحْسُدُونَهُ বলেননি তারা তার সঙ্গে হিংসা করে।
২৯৪৭
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ তুফায়ল (রাঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আপনার সম্প্রদায় বলে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়তুল্লাহর তাওয়াফে ও সাফা-মারওয়ার সাঈতে রামাল করেছেন, আর এটা সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং অসত্য বলেছে।
২৯৪৮
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবুত্ব-তুফায়ল (রাঃ)
আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আমি যেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখেছি। তিনি বললেন, আমার কাছে তাঁর বর্ণনা দাও। তিনি বললেন, আমি তাঁকে মারওয়ার কাছে একটি উটের পিঠে আরোহণরত অবস্থায় দেখেছি। তাঁর চারপাশে লোকের ভিড় ছিল। ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, তিনিই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)। কারণ সাহাবীদের তাড়িয়ে দেয়া হতো না এবং তাঁদের ধমকও দেয়া হতো না।
২৯৪৯
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ মক্কায় আগমন করলেন। ইয়াসরিবের জ্বর তাঁদেরকে দুর্বল করে দিয়েছিল। মুশরিকরা বলল, আগামীকাল তোমাদের এখানে একদল লোক আসবে—যাদেরকে জ্বরে দুর্বল করে দিয়েছে এবং তারা এতে ভীষণভাবে আক্রান্ত হয়েছে।মুশরিকরা হাতীমে বসে থাকল। নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীদেরকে নির্দেশ দিলেন, তারা যেন তিন চক্কর দ্রুতপদে এবং হাজরে আসওয়াদ ও রুকনে ইয়ামানীর মাঝখানে স্বাভাবিক গতিতে চলে—যাতে মুশরিকদেরকে তাঁদের বীরত্ব দেখানো যায়।মুশরিকরা বলল, তোমরা তো এদের সম্পর্কে ধারণা করেছিলে যে, জ্বর তাঁদেরকে দুর্বল করে দিয়েছে, অথচ তারা এমন শক্তিশালী। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দয়াপরবশ হয়ে তাঁদেরকে সাত চক্কর দ্রুত পদক্ষেপে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেননি (যাতে তারা ক্লান্ত হয়ে না যায়)।
২৯৫০
উমরার ত্বওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম ত্বওয়াফে রামাল (দ্রুত পদক্ষেপে অতিক্রম) করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এজন্য দ্রুত পদক্ষেপে বায়তুল্লাহর তওয়াফ করেছেন- যাতে তিনি মুশরিকদেরকে স্বীয় শক্তি প্রদর্শন করতে পারেন।