৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৯২১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু শিহাব (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। “সে সত্তার শপথ! যাঁর হাতে মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রাণ।”
২৯২২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ সেই সত্তার শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
২৯২৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চারবার উমরাহ করেছেন এবং হজ্জের সাথে উমরাহ ব্যতীত সকল উমরাহই জুল-ক্বাদায় করেন।(১) হুদাইবিয়াহ থেকে বা হুদাইবিয়ার সময়ের উমরাহ জুল-ক্বাদাহ মাসে,(২) পরবর্তী বছরের উমরাহ জুল-ক্বাদাহ মাসে,(৩) জি‘রানা থেকে করা উমরাহ, যেখানে হুনাইনের গনিমতের সম্পদ বণ্টন করা হয়েছিল, সে উমরাহ জুল-ক্বাদাহ মাসে এবং(৪) আর একটি উমরাহ যা হজ্জের সাথে করেন।
২৯২৪
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাতাদাহ্‌ (রহঃ)
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কতবার হজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, একবার এবং উমরাহ করেছেন চারবার।... অবশিষ্ট বর্ণনা হাদ্দাবের হাদীসের অনুরূপ।
২৯২৫
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ইসহাক্ব (রহঃ)
আমি যায়দ ইবন আরকাম (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে থেকে কয়বার যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরবার।রাবী বলেন, যায়দ ইবন আরকাম (রাঃ) আমাকে আরও বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উনিশবার যুদ্ধ করেছেন এবং তিনি হিজরত করার পরে একবার হজ্জ করেছেন, তা হলো বিদায় হজ্জ। আবূ ইসহাক (রহঃ) আরও বলেন, তিনি মক্কা থেকেও একবার হজ্জ করেছেন।
২৯২৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় পরিচ্ছেদ নাই
উরওয়াহ্‌ ইবনু যুবায়র (রহঃ)
আমি ও ইবনু উমর (রাঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর ঘরে ঠেস দিয়ে বসেছিলাম এবং আমরা মিসওয়াক দিয়ে তার দাঁত মাজার আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম।রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আবু আব্দুর রহমান (ইবনু উমর)! নবী (ﷺ) কি রজব মাসে উমরাহ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (উরওয়া) বললাম, হে আম্মা! আপনি কি শুনতে পাচ্ছেন আবু আব্দুর রহমান কী বলছেন? তিনি বললেন, সে কী বলছে? আমি বললাম, তিনি বলছেন, নবী (ﷺ) রজব মাসে উমরাহ করেছেন। তিনি বললেন, আল্লাহ আবু আব্দুর রহমানকে ক্ষমা করুন। আমার জীবনের শপথ, তিনি রজব মাসে কখনও উমরাহ করেননি। আর তিনি যখনই উমরাহ করেছেন, অবশ্যই আবু আব্দুর রহমান তাঁর সঙ্গে ছিলেন।রাবী বলেন, ইবনু উমর (রাঃ) কথাগুলো শুনছিলেন, কিন্তু তিনি হ্যাঁ-ও বলেননি এবং না-ও বলেননি, বরং নীরব ছিলেন।
২৯২৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ‘উমরার সংখ্যা ও সময় পরিচ্ছেদ নাই
মুজাহিদ (রহঃ)
আমি ও উরওয়া ইবনু যুবাইর মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) আয়িশার (রাঃ) হুজরায় বসা ছিলেন এবং লোকেরা মসজিদে চাশতের সালাত আদায় করছিল। আমরা এদের সালাত সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তা বিদআত।তাকে উরওয়া বললেন, হে আবু আব্দুর রহমান! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কতবার উমরাহ করেছেন? তিনি বললেন, চারটি উমরাহ, এর একটি রজব মাসে। আমরা তার কথা অসত্য মনে করা ও তা রদ করা অপছন্দ করলাম। আমরা হুজরা থেকে আয়িশা (রাঃ)-এর মিসওয়াক করার শব্দ শুনতে পেলাম।উরওয়া বললেন, হে উম্মুল মু’মিনীন! আবু আব্দুর রহমান কী বলেছেন তা কি আপনি শুনছেন না? তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কী বলে? উরওয়া বললেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চারবার উমরাহ করেছেন, এর একটি ছিল রজব মাসে। আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহ আবু আব্দুর রহমানকে রহম করুন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখনই উমরাহ করেছেন, সে তার সাথেই ছিল। তিনি কখনও রজব মাসে উমরাহ করেননি।
২৯২৮
রমাযান মাসের ‘উমরার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক আনসারী মহিলাকে বললেন যার নাম ইবন আব্বাস (রাঃ) উল্লেখ করেছিলেন কিন্তু আমি তার নাম ভুলে গেছি- “আমাদের সাথে হজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল?”মহিলা বলল, “আমাদের পানি বহনকারী মাত্র দুইটি উট আছে। আমার ছেলের বাপ (স্বামী) ও তার ছেলে এর একটিতে চড়ে হজ্জ করেন এবং অপরটি আমাদের জন্য রেখে যান পানি বহনের উদ্দেশে।”তিনি বললেন, “রমযান মাস এলে তুমি উমরা কর। কারণ এ মাসের উমরা একটা হজ্জের সমান।
২৯২৯
রমাযান মাসের ‘উমরার ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) উম্মু সিনান নামের এক আনসারী মহিলাকে বললেন: আমাদের সাথে হজ্জ করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? মহিলা বলল, অমুকের পিতা- তার স্বামীর দুইটি পানি বহনকারী উট আছে। এর একটি নিয়ে সে ও তার ছেলে হজ্জে গিয়েছে। অপরটির সাহায্যে আমাদের গোলাম পানি বহন করছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাহলে রমজান মাসের উমরাহ হজ্জের সমান অথবা তিনি বলেছেন, আমাদের সঙ্গে একটি হজ্জের সমান।
২৯৩০
উচ্চ গিরিপথ দিয়ে মক্কায় প্রবেশ, নিম্নপথ দিয়ে সেখান থেকে প্রস্থান এবং যে পথ দিয়ে শহর থেকে বের হয়েছে তার বিপরীত পথ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শাজারার পথ দিয়ে (মদিনা থেকে) বের হতেন এবং মুআররাস-এর পথ দিয়ে সেখানে প্রবেশ করতেন। তিনি মক্কায় প্রবেশকালে উচ্চ গিরিপথ দিয়ে প্রবেশ করতেন এবং নিম্নপথ দিয়ে বের হতেন।