৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৯০১
হজ্জের মাসসমূহে ‘উমরাহ্‌ পালন করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্‌ (রহঃ)
এ সূত্রে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাওহ (রহঃ) ও ইয়াহিয়া ইবনু কাসীর (রহঃ)-এর বর্ণনায় নাস্‌র (রহঃ)-এর অনুরূপ কথা আছে: “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হজের ইহরাম বাঁধলেন।”আবু শিহাব (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে: “আমরা হজের ইহরাম বেঁধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম।” তাদের সকলের বর্ণনায় আছে: “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল বাত্‌হা নামক স্থানে ফজরের সালাত আদায় করলেন।” কিন্তু আল জাহযামী (রহঃ)-এর বর্ণনায় এ কথার উল্লেখ নেই।
২৯০২
হজ্জের মাসসমূহে ‘উমরাহ্‌ পালন করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ হজের ইহরাম বেঁধে (যিলহজ মাসের প্রথম) দশ দিনের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মক্কায় উপনীত হন। তিনি তাঁদেরকে নির্দেশ দিলেন, তাঁরা যেন এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করেন।
২৯০৩
হজ্জের মাসসমূহে ‘উমরাহ্‌ পালন করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘যি তুওয়া’ নামক স্থানে ফজরের সালাত আদায় করলেন। যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর (মক্কায়) পৌঁছলেন এবং তাঁর সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন, তারা যেন নিজেদের ইহরামকে উমরায় পরিণত করে- কিন্তু যার সাথে কুরবানির পশু আছে, সে ব্যতীত।
২৯০৪
হজ্জের মাসসমূহে ‘উমরাহ্‌ পালন করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এই সে উমরাহ যা থেকে আমরা ফায়দা উঠিয়েছি। অতএব যার সাথে কুরবানির পশু নেই- সে যেন সম্পূর্ণরূপে ইহরাম খুলে ফেলে। কেননা উমরাহকে কেয়ামত পর্যন্ত হজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২৯০৫
হজ্জের মাসসমূহে ‘উমরাহ্‌ পালন করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবূ জামরাহ্‌ আয্‌ যুবা’ঈ (রহঃ)
আমি তামাত্তু হজ্জ করলাম। কতিপয় লোক আমাকে তা করতে নিষেধ করল। আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা করার নির্দেশ দিলেন। এরপর আমি বায়তুল্লাহতে আসলাম এবং ঘুমালাম। স্বপ্নে আমার কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘উমরা কবুল হয়েছে এবং হজ্জও কবুল হয়েছে’। আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ স্বপ্নের কথা বললাম। তিনি বললেন, ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার! এতো আবুল কাসিম রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাত’।
২৯০৬
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) 'যুল হুলাইফা' নামক স্থানে যুহরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর নিজের (কুরবানির) উষ্ট্রী নিয়ে আসতে বললেন এবং কুঁজের ডান দিক দিয়ে ফেড়ে দিলেন। ফলে রক্ত প্রবাহিত হল। অতঃপর তিনি এর গলায় দুইটি পাদুকার মালা পরিয়ে দিলেন। এরপর নিজের বাহনে আরোহণ করলেন। অতঃপর তা যখন তাঁকে নিয়ে আল বায়দায় পৌঁছল, তখন তিনি হজ্জের তালবিয়া পাঠ করলেন।
২৯০৭
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাতাদাহ্‌ (রহঃ)
এ সূত্রে শু'বাহ (রহঃ)-এর হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, অবশ্য তিনি এখানে বলেছেন, “যখন নবী (ﷺ) 'যুল হুলাইফা' এলেন”, তবে “যুহরের সালাত আদায় করেছেন” এ কথা উল্লেখ করেননি।
২৯০৮
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো পরিচ্ছেদ নাই
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ)
আমি আবু হাসসান আ‘রাজ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আল হুজাইম গোত্রের এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বলল, আপনি এ কী ফাতওয়া দিচ্ছেন যা নিয়ে লোকেরা জটিলতায় পড়েছে? (তা এই) যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে, সে ইহরামমুক্ত হতে পারবে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা তোমাদের নবী (ﷺ)-এর সুন্নাত, তা তোমাদের মনঃপূত হোক বা না হোক।
২৯০৯
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হাস্সান (রহঃ)
ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে বলা হল, এ ব্যাপারটি লোকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ করে, সে হালাল হয়ে যায় এবং তার ইহরাম উমরায় পরিণত হয় (যদিও হজ্জের ইহরাম হয়ে থাকে)। ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা তোমাদের নবী (ﷺ)-এর সুন্নাত, যদিও তোমাদের নাক ধূলিমলিন হয়।
২৯১০
ইহরাম বাঁধার সময় কুরবানীর পশুর কুঁজের কিছু অংশ ফেঁড়ে দেয়া এবং গলায় মালা পরানো পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি (মক্কায় পৌঁছে) বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করল, সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেল - সে হজ্জ পালনকারী হোক অথবা অন্য কিছু (উমরা) পালনকারী। আমি (ইবনু জুরায়জ) আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কিসের ভিত্তিতে এ কথা বলেন? তিনি বললেন, আল্লাহর কালামের ভিত্তিতে : “অতঃপর এগুলো কুরবানীর স্থান মর্যাদাবান ঘরের নিকট” – (সূরা হজ্জ ২২ : ৩৩)। আমি বললাম, তা তো আরাফা থেকে ফেরার পর।তিনি বললেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলতেন, (কুরবানীর স্থান সম্মানিত ঘরের নিকট) তা আরাফায় উকূফের পর হোক অথবা পূর্বে। তিনি নবী (ﷺ)-এর কার্যক্রম থেকে প্রমাণ গ্রহণ করেছেন। নবী (ﷺ) স্বয়ং বিদায় হজ্জের সময়ে ইহরাম খোলার নির্দেশ দেন।