৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৯২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৯১১
উমরায় চুল খাটো করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
মুয়াবিয়া (রাঃ) আমাকে বললেন, তুমি কি জান আমি কাঁচি দিয়ে মারওয়া পাহাড়ের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাথার চুল ছেঁটে দিয়েছি? আমি তাঁকে বললাম, এটা আপনার বিরুদ্ধে দলীল।
২৯১২
উমরায় চুল খাটো করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
মুয়াবিয়া ইবন আবু সুফিয়ান (রাঃ) তাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি মারওয়া পাহাড়ে একটি কাঁচির সাহায্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মাথার চুল ছেঁটে দিয়েছি। অথবা আমি (অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ) মারওয়া পাহাড়ের উপর কাঁচির সাহায্যে তাঁর মাথার চুল ছাঁটতে দেখেছি।
২৯১৩
উমরায় চুল খাটো করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ (রাঃ)
আমরা উচ্চৈঃস্বরে হজ্জের তালবিয়া পাঠ করতে করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা মক্কায় পৌঁছলে তিনি আমাদের তা উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন। তাওয়াফের দিন এলে আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে মিনার দিকে রওনা হলাম।
২৯১৪
উমরায় চুল খাটো করা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ) ও আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
তারা বলেন, আমরা উচ্চৈঃস্বরে হজ্জের তালবিয়া পাঠ করতে করতে রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে মাক্কায় উপনীত হলাম।
২৯১৫
উমরায় চুল খাটো করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ নায্রাহ্ (রহঃ)
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, (তামাত্তু হজ্জ ও মুতআ বিবাহ) সম্পর্কে ইবন আব্বাস ও ইবন যুবাইর (রাঃ)-এর মধ্যে মতবিরোধ চলছে।জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে তা করেছি। এরপর উমর (রাঃ) আমাদের তা করতে নিষেধ করেন। অতএব আমরা আর কখনও তা করিনি।
২৯১৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আলী (রাঃ) ইয়ামান থেকে আগমন করলে নবী (ﷺ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন : তুমি কিসের ইহরাম বেঁধেছ? তিনি বললেন, আমি নবী (ﷺ)-এর অনুরূপ উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধেছি। নবী (ﷺ) বললেন, আমার সাথে কুরবানির পশু না থাকলে আমি (উমরাহ করার পর) ইহরাম খুলে ফেলতাম।
২৯১৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সালীম ইবনু হাইয়্যান (রহঃ)
পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২৯১৮
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এভাবে হজ্জ ও উমরা উভয়ের তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি : “লাব্বায়কা উমরাতান ওয়া হজ্জান, লাব্বায়কা উমরাতান ওয়া হজ্জান”।
২৯১৯
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি : “লাব্বাইকা উমরাহ ও হজ্জান” অর্থাৎ আমি উমরাহ ও হজ্জ উভয়ের ইহরাম বাঁধছি।
২৯২০
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর তালবিয়াহ্ পাঠ এবং কুরবানীর জন্তু প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, সে সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ! মারইয়াম পুত্র ঈসা (আঃ) নিশ্চিত রাওহা উপত্যকায় হজ্জ অথবা উমরাহ অথবা উভয়ের তালবিয়াহ পাঠ করবেন।