৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৭৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৭৬১
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু জুবায়র (রহঃ)
এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করল, মুহরিম ব্যক্তি কোন কোন জন্তু হত্যা করতে পারে? তিনি বললেন, নবী (ﷺ)-এর জনৈকা সহধর্মিণী বলেছেন যে, তিনি হিংস্র কুকুর, ইঁদুর, বিচ্ছু, চিল, কাক ও সাপ হত্যা করার নির্দেশ দিতেন, এমনকি সালাতরত অবস্থায়ও তা হত্যা করা যায়।
২৭৬২
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এমন পাঁচটি জন্তু আছে যা মুহরিম ব্যক্তি হত্যা করলে কোনো দোষ হবে না: কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর এবং হিংস্র কুকুর।
২৭৬৩
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
আমি নাফি (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, আপনি ইবন উমর (রাঃ)-কে মুহরিম ব্যক্তির জন্য কোন কোন প্রাণী হত্যার বৈধতা ঘোষণা করতে শুনেছেন? নাফি (রহঃ) আমাকে বললেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, এমন পাঁচ প্রকারের প্রাণী আছে, কোন ব্যক্তি তা হত্যা করলে তার কোন গুনাহ হবে না— কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর ও হিংস্র কুকুর।
২৭৬৪
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে মালিক (রহঃ) ও ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং একমাত্র ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ব্যতীত নাফি “ইবনু উমর (রাঃ) থেকে নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি” কথাটি আর কেউ বলেননি। এ বর্ণনায় ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ইবনু ইসহাক (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
২৭৬৫
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, পাঁচ ধরনের প্রাণী, এর কোন একটি হারাম শরীফে বা ইহরাম অবস্থায় হত্যা করা হলে কোন দোষ নেই.... পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।
২৭৬৬
হারাম এবং হারামের বাইরে ইহরাম কিংবা ইহরামমুক্ত অবস্থায় কোন্ কোন্ জন্তু হত্যা করা জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: এমন পাঁচ ধরনের প্রাণী আছে, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি সেগুলো হত্যা করলে তাতে তার কোন গুনাহ হবে না: বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, কাক ও চিল। হাদীসের মূল পাঠ ইয়াহিয়া ইবনু ইয়াহিয়ার বর্ণনা থেকে নেয়া হয়েছে।
২৭৬৭
কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ পরিচ্ছেদ নাই
কা‘ব ইবনু 'উজরাহ্‌ (রাঃ)
হুদায়বিয়ার সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার কাছে এলেন এবং আমি তখন চুলায় আমার হাঁড়ি বা পাতিলের নিচে আগুন জ্বালাচ্ছিলাম—আর উকুন আমার চেহারার উপর গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (ﷺ) বললেন, তোমার মাথার পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং তিন দিন সাওম পালন কর অথবা ছয় জন মিসকিনকে আহার করাও অথবা একটি কুরবানী কর। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, আমার মনে নেই তিনি (মুজাহিদ) কোন শব্দটি আগে বলেছেন।
২৭৬৮
কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ পরিচ্ছেদ নাই
আইয়ূব (রহঃ)
সূত্রে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২৭৬৯
কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ পরিচ্ছেদ নাই
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ)
আমার সম্পর্কে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে, “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে এবং এ কারণে সে মাথা মুড়িয়ে ফেলে, তবে তাকে ফিদিয়াহ হিসেবে সাওম পালন করতে হবে অথবা সদাকা দিতে হবে অথবা কুরবানি করতে হবে”- (সূরা আল বাকারাঃ ১৯৬)। রাবী বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এলাম এবং তিনি বললেন, আরও নিকটে আসো। অতএব আমি নিকটবর্তী হলাম এবং তিনি বললেন, পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? ইবনু ‘আউন (রহঃ) (নিজস্ব সূত্র পরম্পরায়) বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, হ্যাঁ। কা‘ব (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে সাওম অথবা সদাকা কর ছয়জন মিসকিনের মাঝে এক ফারাক (তিন সা’) পরিমাণ, অথবা সহজলভ্য হলে কুরবানির মাধ্যমে ফিদিয়াহ আদায়ের নির্দেশ দিলেন।
২৭৭০
কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ পরিচ্ছেদ নাই
কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার নিকট দাঁড়ালেন এবং তখন তার মাথা থেকে উকুন ঝরে পড়ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে তোমার মাথা কামিয়ে ফেল।রাবী বলেন, অতএব আমার সম্পর্কে এ আয়াত নাজিল হয়ঃ “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হবে অথবা যার মাথায় কোন অসুখ হবে (এবং এ কারণে মাথা মুড়িয়ে ফেলবে) তবে তাকে ফিদইয়াহ হিসেবে সাওম পালন করতে হবে অথবা সদাকা দিতে হবে অথবা কুরবানী করতে হবে”-(সূরা আল বাকারা ২:১৯৬)।অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি তিনদিন সাওম পালন কর অথবা এক ফারাক (তিন সা’) খাদ্য ছয়জন মিসকিনকে দান কর অথবা কুরবানী কর- যা সহজলভ্য হয়।