৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৭৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৭৩১
ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে তাঁর ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং কুরবানির দিন বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে কস্তুরী মিশ্রিত সুগন্ধি মেখে দিতাম।
২৭৩২
ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার পরিচ্ছেদ নাই
ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে
তিনি (মুহাম্মাদ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম- যে সুগন্ধি মেখেছে, অতঃপর মুহরিম অবস্থায় ভোরে উপনীত হয়েছে। তিনি বললেন, আমি ভোর বেলা এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধা পছন্দ করি না যে, আমি সুগন্ধি ঝেড়ে ফেলতে ব্যস্ত থাকব। এ কাজ (সুগন্ধি লাগানো) অপেক্ষা আমি আমার দেহে আলকাতরা মাখা অধিক পছন্দনীয় মনে করি।অতঃপর আমি (মুহাম্মাদ) আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে অবহিত করলাম যে, ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, “আমি ভোরবেলা এমন অবস্থায় ইহরাম বাঁধা পছন্দ করি না যে, আমি সুগন্ধি ঝেড়ে ফেলতে ব্যস্ত থাকব। এ কাজ (সুগন্ধি লাগানো) অপেক্ষা আমি আমার দেহে আলকাতরা লাগানো অধিক শ্রেয় মনে করি।”তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, আমি নিজে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর ইহরাম বাঁধার সময় সুগন্ধি মেখে দিয়েছি। এরপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের নিকট চক্কর দিলেন, এরপর ভোরবেলা ইহরাম বাঁধলেন।
২৭৩৩
ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দেহে সুগন্ধি মেখে দিতাম। অতঃপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের নিকট চক্কর দিতেন, অতঃপর ভোরবেলা সুগন্ধি ঝাড়তে ঝাড়তে ইহরাম বাঁধতেন।
২৭৩৪
ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার পরিচ্ছেদ নাই
ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মুনতাশির (রহঃ)
আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ ভোরবেলা সুগন্ধির চিহ্ন দূরীভূত করা অবস্থায় ইহরাম বাঁধার তুলনায় ভোরবেলা আলকাতরা মাখা অবস্থায় ইহরাম বাঁধা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। রাবী বলেন, এরপর আমি আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাঁকে ইবন উমরের উক্তি সম্পর্কে অবহিত করলাম। তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দেহে খুশবু লাগিয়েছি। এরপর তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে গেলেন। অতঃপর তিনি ইহরাম অবস্থায় ভোর করলেন।
২৭৩৫
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
সা’ব ইবনু জাসসামাহ্ আল লায়সী (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বন্য গাধা (গোশত) হাদিয়া স্বরূপ দিলেন। আর তিনি তখন আবওয়া অথবা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। তিনি তার কাছে তা ফেরত পাঠালেন।সা‘ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার চেহারা মলিন দেখে বললেন, “আমি তোমাকে তা ফেরত দিতাম না, শুধু ইহরামের কারণেই তা ফেরত দিয়েছি।”
২৭৩৬
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
আমি (সা'ব) তাঁকে বন্য গাধার গোশত হাদিয়া দিয়েছিলাম। ইমাম মালিক (রহঃ) যেরূপ বর্ণনা করেছেন। লায়স ও সালেহ-এর বর্ণনায় রয়েছে- সা'ব ইবন জাসসামা (রাঃ) তাকে অবহিত করেছেন।
২৭৩৭
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
আমি তাঁকে বন্য গাধার গোশত হাদিয়া দিয়েছিলাম।
২৭৩৮
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
সাব ইবনু জাসসামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। সাব ইবনু জাসসামা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য বন্য গাধার গোশত উপঢৌকন পাঠিয়েছিলেন। আর তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। রাবী বলেন, তাই তিনি এ উপঢৌকন তাঁকে ফেরত দিলেন এবং বললেন, আমরা যদি ইহরাম অবস্থায় না থাকতাম তবে তোমার এ উপঢৌকন অবশ্যই গ্রহণ করতাম।
২৭৩৯
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
সাব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে বন্য গাধার পায়ের গোশত হাদিয়া দেন। তখন তা থেকে রক্ত ঝরছিল। আর হাকাম–এর সূত্রে শুআবাহ কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে বন্য গাধার পেছনের অংশের কথা উল্লেখ আছে। আর হাবীব–এর সূত্রে শুআবাহ কর্তৃক অপর বর্ণনায় আছে, তিনি (সাব) বন্য গাধার উরুর পার্শ্বের গোশত নবী (ﷺ)-এর জন্য উপঢৌকন পাঠান। কিন্তু তিনি তা ফেরত দেন।
২৭৪০
মুহরিমের জন্য শিকার করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আব্বাস (রাঃ)
যায়দ ইবন আরকাম (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বললেন, ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে শিকার করা জন্তুর গোশত উপহার দেয়া হয়েছিল। সেটা যে হারাম এ কথা আপনি আমাকে কিভাবে অবহিত করেছিলেন?রাবী (ত্বাউস) বলেন, তিনি বললেন, তাকে শিকারকৃত জন্তুর একটি অঙ্গ হাদিয়া দেয়া হয়েছিল, তিনি তা ফেরত দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, আমরা এ গোশত খেতে পারি না, কারণ আমরা ইহরাম অবস্থায় আছি।