৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৬৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৬৫১
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর কতিপয় সাহাবীকে স্বপ্ন দেখানো হল যে, (রমজানের) শেষ সাত দিনের মধ্যে কদরের রাত নিহিত রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি মনে করি যে, শেষের সাতদিন সম্পর্কে তোমাদের সকলের স্বপ্ন পরস্পর সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব যে ব্যক্তি তা অন্বেষণ করবে, সে যেন রমজানের শেষ সাতদিনের রাতগুলোতে তা অন্বেষণ করে।
২৬৫২
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
(রমজানের) শেষ সাত দিনের রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর অন্বেষণ কর।
২৬৫৩
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
সালিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত তার পিতার সূত্র হতে
তিনি (পিতা) বলেন, এক ব্যক্তি (রমজানের) ২৭তম রাতে লায়লাতুল কদর দেখতে পেল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আমাকেও তোমাদের মতো স্বপ্ন দেখানো হয়েছে যে, তা রমজানের শেষ দশকে নিহিত আছে। অতএব এর বেজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান করো।’
২৬৫৪
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
তাঁর পিতা [আবদুল্লাহ (রাঃ)] বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কতিপয় লোককে দেখানো হল যে, তা রমজানের প্রথম সাতদিনের মধ্যে, আবার কতিপয় লোককে দেখানো হয়েছে যে, তা শেষ সাতদিনের মধ্যে। অতএব (রমজানের) শেষ দশকের মধ্যে তা অন্বেষণ কর।
২৬৫৫
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
উক্ববাহ্ ইবনু হুরায়স (রহঃ)
আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা (রমজানের) শেষ দশ দিনে কদরের রাত অনুসন্ধান কর। তোমাদের কেউ যদি দুর্বল অথবা অপারগ হয়ে পড়ে, তবে সে যেন শেষের সাত রাতে অলসতা না করে।
২৬৫৬
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
জাবালাহ্ (রহঃ)
আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কদরের রাত অনুসন্ধান করতে চায়, সে যেন (রমজানের) শেষ দশকে তা অনুসন্ধান করে।
২৬৫৭
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা রমজানের শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধান কর অথবা তিনি বলেছেন, শেষের নয় রাতে।
২৬৫৮
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: আমাকে স্বপ্নে কদরের রাত দেখানো হয়েছিল। অতঃপর আমার পরিবারের কেউ আমাকে ঘুম থেকে জাগানোর ফলে আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা তা শেষ দশকে অন্বেষণ কর। রাবী হারমালাহ (রহঃ) বলেছেন: “আমি তা ভুলে গেছি”।
২৬৫৯
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (রমজানের) মাঝের দশকে ইতিকাফ করতেন। অতঃপর ২০ তম দিন অতিবাহিত হবার পর এবং ২১ তম দিনের সূচনাতে তিনি নিজ বাসস্থানে ফিরে আসেন এবং তাঁর সঙ্গে যারা ইতিকাফ করতেন, তারাও নিজ নিজ আবাসে প্রত্যাবর্তন করেন। অতঃপর একবার রমযান মাসের মাঝের দশকে তিনি ইতিকাফ করলেন- যে রাতে তাঁর ইতিকাফ হতে ফিরে আসার কথা, সে রাতে (পুনরায়) ইতিকাফ আরম্ভ করলেন ও লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেন, “আমি সাধারণত এ (মধ্যম) দশকে ইতিকাফ করতাম। এরপর শেষ দশকেও ইতিকাফ করা আমার কাছে সমীচীন মনে হল। অতএব যে ব্যক্তি আমার সাথে ইতিকাফ করতে চায়, যেন নিজ ইতিকাফের স্থানে অবস্থান করে। আমি এ (কদরের) রাত স্বপ্নে দেখেছিলাম, কিন্তু আমাকে তা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব তোমরা শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে তা অনুসন্ধান কর। আমি স্বপ্নে নিজেকে পানি ও কাদার মধ্যে সিজদা করতে দেখেছি।” আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) বলেন, ২১তম রাতে আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়। তিনি যখন ফজরের সালাত থেকে ফিরলেন, তখন আমি তাঁর মুখমণ্ডল কাদা ও পানিতে সিক্ত দেখলাম।
২৬৬০
লায়লাতুল ক্বদর-এর ফযীলাত, এর অনুসন্ধানের প্রতি উৎসাহ প্রদান, তা কখন হবে তার বর্ণনা এবং তার অনুসন্ধানের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক সময় পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমজান মাসের মাঝের দশকে ইতিকাফ করতেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববর্তী হাদিসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, “সে যেন তার ইতিকাফের স্থানে অবস্থান করে।” তিনি আরো বলেন, “তাঁর কপাল মুবারক কাদা ও পানিতে সিক্ত ছিল।”