৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৩৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৩৮১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক হাদিয়া গ্রহণ এবং সদকা প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ)-এর কাছে কোন প্রকার খাদ্যদ্রব্য আসলে তিনি এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেন। যদি বলা হত, এটা হাদিয়া হিসেবে দেয়া হয়েছে, তাহলে তিনি এটা খেতেন, আর যদি বলা হত এটা সদাকা, তাহলে তিনি তা খেতেন না।
২৩৮২
সদাক্বাহ্‌ প্রদানকারীর জন্য দু’আ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কোন গোত্র তাদের সদাকা নিয়ে আসলে তিনি তাদের জন্য দোয়া করতেন, “হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর সদয় হোন।”একবার আমার পিতা আবু আওফা (রাঃ) তাঁর সদাকা নিয়ে তাঁর কাছে আসলে তিনি দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আবু আওফার পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করুন।”
২৩৮৩
সদাক্বাহ্‌ প্রদানকারীর জন্য দু’আ করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু এ বর্ণনায় আছে: (হে আল্লাহ)! তাদের প্রতি অনুগ্রহ করুন।
২৩৮৪
যাকাত আদায়কারীর সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কাছে যাকাত আদায়কারী আসলে তার সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার কর, যাতে সে তোমাদের উপর সন্তুষ্ট অবস্থায় ফিরে যেতে পারে।
২৩৮৫
রমাযান মাসের ফাযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রমজান মাস আসলে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলে বন্দী করা হয়।
২৩৮৬
রমাযান মাসের ফাযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমাযান মাস উপস্থিত হলে রহমতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানগুলোকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়।
২৩৮৭
রমাযান মাসের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রমজান মাস আসে ... এরপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
২৩৮৮
চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) রমজান মাস প্রসঙ্গে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তোমরা (রমজানের) চাঁদ না দেখে রোজা শুরু করবে না এবং চাঁদ (শাওয়াল মাসের চাঁদ) না দেখা পর্যন্ত ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করো।
২৩৮৯
চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমজান সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি এক হাতের উপর অন্য হাত মেরে (ইঙ্গিত করে) বললেন, মাস এ রকম, এ রকম এবং তৃতীয়বারে বুড়ো আঙ্গুলটি বন্ধ করে হাত মারলেন (অর্থাৎ মাস ঊনত্রিশ দিনে)। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম পালন কর এবং চাঁদ দেখে ইফতার কর (অর্থাৎ ‘ঈদ কর)। আর যদি আকাশ মেঘে ঢাকা থাকে তাহলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।
২৩৯০
চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। পরিচ্ছেদ নাই
উবায়দুল্লাহ (রাঃ)
আবূ উসামা বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আছেঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। তিনি আরো বলেন, যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিন পূর্ণ কর। হাদীসটি আবূ উসামা কর্তৃক বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ।