৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২৩৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২৩৭১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্‌ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্‌ ইবনু হারিস (রাঃ)
একদা রাবিয়া ইবন হারিস ও আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দুটিকে অর্থাৎ আমি ও ফজল ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তাঁর কাছে গিয়ে তাঁদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিত এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রমিক পায়, তারাও সেভাবে পারিশ্রমিক পেত। রাবি বলেন, তাঁরা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় আলি ইবন আবু তালিব (রাঃ) এসে তাঁদের মাঝে দাঁড়ালেন। তাঁরা এ প্রস্তাবটি তাঁর কাছে উত্থাপন করলেন। আলি (রাঃ) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ! তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রাবিয়া ইবন হারিস (রাঃ) তাঁর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! “তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো, এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না!” তখন আলি (রাঃ) বললেন, এদের দু’জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তাঁরা উভয়ে চলে গেল এবং আলি (রাঃ) বিছানায় শুয়ে থাকলেন। আবদুল মুত্তালিব ইবন রাবিয়া বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুহরের সালাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তাঁর অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু’জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কন্ঠে) বললেন, “কোন মতলবে এসেছো, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।” তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি জয়নব বিনতে জাহশ (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। রাবি বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! “আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরণাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রমিক পাব।” এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার কথা বলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে জয়নব (রাঃ) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য ‘যাকাত’ গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহমিয়্যাহ এবং নওফাল ইবন হারিস ইবন আবদুল মুত্তালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবি বলেন, তাঁরা দু’জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (ﷺ) মাহমিয়্যাহ বললেনঃ “তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফায্‌ল ইবন আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও।” তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নওফাল ইবন হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহমিয়্যাহকে বললেন, এ দু’জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মোহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও। যুহরী বলেন, আমার শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ আমার কাছে মোহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি।
২৩৭২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বংশধরকে সদাক্বাহ্‌ উসূলকারী নিযুক্ত না করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী’আহ্‌ ইবনু হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব (রাঃ)
আবদুল মুত্তালিব ইবন রাবিআ ইবন হারিস ও আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র আবদুল মুত্তালিব ইবন রাবিআ ও ফায্‌ল ইবন আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু’জন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর আলী (রাঃ) নিজের চাদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেন এবং বললেন, “আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না। এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ “যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর বংশধরদের জন্য হালাল নয়।” অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ মাহমিয়্যাহ ইবন জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন।
২৩৭৩
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী জুওয়াইরিয়্যাহ্ (রাঃ)
তাঁকে এ হাদীস অবহিত করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘরে এসে বললেনঃ খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! আমাদের খাওয়ার কিছু নেই। তবে বকরির কয়েকটি হাড় আছে, যা আমার মুক্ত দাসীকে সদাকা হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা আমার কাছে নিয়ে এসো, কেননা সদাকা তার নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে গেছে।
২৩৭৪
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
এ সূত্রেও উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
২৩৭৫
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
বারীরা (রাঃ) নবী (ﷺ)-কে কিছু গোশত উপহার দিলেন। এটা তাকে সদাকা হিসেবে দেয়া হয়েছিল। নবী (ﷺ) বললেনঃ এ গোশত তার (বারীরার) জন্য সদাকা কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন হিসেবে গণ্য।
২৩৭৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
একদা নবী (ﷺ)-এর কাছে কিছু গরুর গোশত আনা হলো। অতঃপর বলা হলো এ গোশত বারীরা (রাঃ)-কে সদাকা হিসেবে দান করা হয়েছে। তখন নবী (ﷺ) বললেন, “এটা তার জন্য সদাকা কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়া বা উপঢৌকন।”
২৩৭৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
বারীরা (রাঃ)-কে কেন্দ্র করে শরীয়তের তিনটি বিধান প্রবর্তিত হয়। লোকজন তাকে সদাকা দিত এবং তিনি তা আমাদেরকে উপহার হিসেবে দান করতেন। এ ব্যাপারে আমি নবী (ﷺ)-কে জানালাম। তিনি বললেন, এটা তার জন্য সদাকা এবং তোমাদের জন্য হাদিয়া। সুতরাং তোমরা তা খাও।
২৩৭৮
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে আর একটি হাদিস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদিসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তার পক্ষ থেকে হাদিয়া।”
২৩৭৯
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ আর একটি হাদিস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদিসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, “এ তো আমাদের জন্য তাঁর পক্ষ থেকে হাদিয়া।”
২৩৮০
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), বানী হাশিম ও বানী মুত্ত্বালিবের জন্য হাদিয়্যাহ্‌ উপঢৌকন গ্রহণ করা জায়িয যদিও হাদিয়্যাহ্‌ দাতা তা সদাক্বাহ্‌ সরূপ পেয়ে থাকে, সদাক্বাহ্‌ যখন গ্রহীতার হস্তগত হয় তখন তা থেকে সদাক্বার বৈশিষ্ট্য দূরীভূত হয়ে যায় এমনকি যাদের জন্য সদাক্বাহ্‌ ভক্ষণ করা হারাম তাদের জন্যও তা হালাল হয়ে যায় পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার জন্য সদাকার একটি বকরী পাঠালেন। অতঃপর আমি এ থেকে কিছু গোস্ত আয়িশা (রাঃ)-এর জন্য পাঠালাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেন, তোমাদের কাছে খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি উত্তরে বললেন, না; তবে নুসাইবা (উম্মু আতিয়্যাহ) এর কাছে সদাকা বকরী পাঠিয়ে ছিলেন। এ থেকে সে আমার জন্য কিছু গোস্ত পাঠিয়েছে। তিনি বললেন, এ সদাকা তো তাঁর যথাযথ স্থানে পৌঁছে গেছে (অর্থাৎ উম্মু আতিয়্যাহর জন্য সদাকা ছিল। সে তা হস্তান্তর করার পর এখন তোমার জন্য এটা হাদিয়া। কাজেই তুমি খাও, আমাকে দাও)।