৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
২২৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
২২২১
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
মু’‘আবিয়াহ (রাঃ)
এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস বর্ণিত আছে। আমার ভাই যায়দ এ সানাদে উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এখানে “আও আম্‌রা বিল মা’রূফ” (সৎকাজের আদেশ দিবে” এ কথাটি ব্যতীত উল্লেখ করেছেন এবং অন্য সূত্রে তিনি বলেছেন যে, “সে ঐ দিন ঐ অবস্থায় সন্ধ্যা করবে।”
২২২২
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রতিটি মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে। অতঃপর রাবী যায়দের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর হাদিসের মধ্যে “সেদিন সে চলাফেরা করবে” কথাটি বর্ণিত হয়েছে।
২২২৩
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু আবূ বুরদাহ (রহঃ) তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর দাদা
তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (ﷺ) বলেন: প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদাকা করা ফরজ। প্রশ্ন করা হলো, যদি সদাকা করার জন্য কিছু না পায় তবে? তিনি বললেন, তবে সে নিজ হাতে উপার্জন করবে এবং নিজে উপকৃত হবে ও সদাকা করবে। পুনরায় জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয় তবে কী হবে? তিনি বললেন, তাহলে সে অসহায় আর্ত মানুষের সাহায্য করবে। রাবী বলেন, আবার জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে এতেও সক্ষম না হয়? তিনি বললেন, তাহলে সৎ কাজের কিংবা কল্যাণের আদেশ করবে। আবারও জিজ্ঞেস করা হল, যদি সে তাও না করে? তিনি বললেন, তবে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবে। কেননা এটাও সদাকা।
২২২৪
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
এই সনদ হতে হাদিসটি বর্ণিত।
২২২৫
সকল প্রকার সৎ কাজই সদাক্বাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাদ ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করলেন। এর মধ্যে একটি হলো- রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রত্যেক ব্যক্তির শরীরের প্রত্যেকটি গ্রন্থির উপর প্রতিদিনের সদাকা ধার্য রয়েছে। দুইজন ব্যক্তির মধ্যে ইনসাফ করে দেয়াও একটি সদাকা। কোনো ব্যক্তিকে সওয়ারির উপর আরোহণে সাহায্য করা অথবা তার মালামাল সওয়ারির উপরে তুলে দেয়াও একটি সদাকা। তিনি আরও বলেন, সকল প্রকার ভালো কথাই এক একটি সদাকা, সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে যেতে যতটি পদক্ষেপ ফেলা হয় তার প্রতিটিই এক একটি সদাকা এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও একটি সদাকা।
২২২৬
আল্লাহর রাস্তায় ব্যয়কারী ও ব্যয় করতে কৃপণতাপ্রকাশকারী সম্পর্ক পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক বান্দা যখন সকালে ওঠে দুইজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হন। তাদের একজন বলেন, “হে আল্লাহ! খরচকারীর ধন আরো বাড়িয়ে দাও” এবং দ্বিতীয়জন বলেন, “হে আল্লাহ! কৃপণকে ধ্বংস করে দাও।”
২২২৭
যে সময় সদাক্বাহ্‌ গ্রহণকারী পাওয়া যাবে না সে সময় আসার পূর্বে দান করার প্রতি উৎসাহিত করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
হারিসাহ্ ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: তোমরা সদাকা দাও, এমন এক সময় আসবে মানুষ তার সদাকা নিয়ে যাকে দিতে যাবে সে বলবে, “যদি তুমি গতকাল আসতে তাহলে আমি এটা গ্রহণ করতাম। এখন আমার আর প্রয়োজন নেই।” অতঃপর সে সদাকা নেয়ার মতো কোন লোক পাবে না।
২২২৮
যে সময় সদাক্বাহ্‌ গ্রহণকারী পাওয়া যাবে না সে সময় আসার পূর্বে দান করার প্রতি উৎসাহিত করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে যখন কোন লোক তার স্বর্ণের সদাকা নিয়ে ঘুরতে থাকবে কিন্তু নেয়ার মতো কোন লোক পাবে না। আর একজন পুরুষের পিছনে চল্লিশ জন করে নারীকে অনুসরণ করতে দেখা যাবে। পুরুষের সংখ্যা কম এবং নারী লোকের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারণে তারা এদের কাছে আশ্রয় নিবে। আর ইবনু বারাদের বর্ণনায় বলা হয়েছে-“তুমি দেখতে পাবে কোন ব্যক্তিকে”।
২২২৯
যে সময় সদাক্বাহ্‌ গ্রহণকারী পাওয়া যাবে না সে সময় আসার পূর্বে দান করার প্রতি উৎসাহিত করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে না যে পর্যন্ত সম্পদের প্রাচুর্য না আসবে। এমনকি কোন ব্যক্তি সম্পদের যাকাত নিয়ে ঘুরবে কিন্তু নেয়ার মত লোক পাবে না। আরবের মাঠ-ঘাট তখন চারণভূমি ও নদী-নালায় পরিণত হবে।
২২৩০
যে সময় সদাক্বাহ্‌ গ্রহণকারী পাওয়া যাবে না সে সময় আসার পূর্বে দান করার প্রতি উৎসাহিত করা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হূরায়রাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: যতক্ষণ পর্যন্ত ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে এর প্লাবন সৃষ্টি না হবে ততক্ষণ কেয়ামত সংঘটিত হবে না। আর তখন মানুষের প্রাচুর্য এমন চরম রূপ লাভ করবে যে, ধন-সম্পদের মালিকেরা এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়বে যে, তার যাকাত কে গ্রহণ করবে ও এমন লোক কোথায় পাওয়া যাবে। সদাকা গ্রহণের জন্য কাউকে ডাকা হলে সে বলবে, আমার এর প্রয়োজন নেই।