৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৫০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৪৯১
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আইয়ূব ও 'আসিম আল-আহ্ওয়াল (রহঃ)
একই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের নবী (ﷺ) কথাটি উল্লেখ করেননি।
১৪৯২
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ)
এক বৃষ্টিবহুল জুমা দিনের দিনে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিন আজান দিলেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি ইবনু উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস) বললেন: তোমরা কর্দমময় ও পিচ্ছিল পথে চলা আমার কাছে অপছন্দনীয় ছিল।
১৪৯৩
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বৃষ্টিঝরা জুমু’আর দিনে তার মুয়াজ্জিনকে আজান দেয়ার আদেশ দিলেন। মা’মার-এর হাদিসে রয়েছে, বৃষ্টিঝরা জুমু’আর দিনে উক্ত হাদিসের অনুরূপ এবং মা’মার-এর বর্ণিত হাদিসে এ কথাও আছে যে, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী (ﷺ) এরূপ করেছেন।
১৪৯৪
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) বৃষ্টিঝরা জুমার দিনে তাঁর (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিনকে আযান দেওয়ার আদেশ দিলেন। এভাবে তিনি অন্য বর্ণনাকারীদের অনুরূপ বর্ণনা করলেন।
১৪৯৫
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাকুক না কেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সওয়ারীর পিঠে বসে নফল সালাত আদায় করতেন।
১৪৯৬
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
উটের মুখ যেদিকেই থাকুক না কেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উটের পিঠে বসেই নফল সালাত আদায় করতেন।
১৪৯৭
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা থেকে মদীনায় আসার পথে যে দিকেই তাঁর মুখ হোক না কেন সওয়ারিতে বসে সালাত আদায় করতেন। এ ব্যাপারেই আয়াত (অর্থ) “তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাবে সেটিই আল্লাহর দিক” – (সূরা আল বাকারা ২ : ১১৫) অবতীর্ণ হয়।
১৪৯৮
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ...... সকলে ‘আবদুল মালিক (রহঃ)
একই সানাদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুবারক ও ইবনু আবু যায়িদা বর্ণিত হাদিসে এ কথা উল্লেখিত হয়েছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) “তোমরা যেদিকেই মুখ কর না কেন সবই আল্লাহর দিক” – (সূরা আল বাকারা ২ : ১১৫)। এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে বললেন, এ আয়াতটি এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়।
১৪৯৯
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একটি গাধার পিঠে আরোহণ করে খায়বারের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে দেখেছি।
১৫০০
সফরে সওয়ারী জন্তুর উপর নফল সালাত আদায় বৈধ, তারটি মুখটি যেদিকে হোক না কেন পরিচ্ছেদ নাই
সা‘ঈদ ইবনু ইয়াসার (রহঃ)
একদিন আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) এর সাথে মক্কার পথ ধরে চলছিলাম। ভোর হয়ে যাচ্ছে মনে করে এক সময় সওয়ারি থেকে নেমে বিতরের সালাত আদায় করলাম এবং পরে তাঁর কাছে গিয়ে পৌঁছলাম। তখন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম, ফজরের সময় হয়ে যাচ্ছে দেখে সওয়ারি থেকে নেমে বিতরের সালাত আদায় করলাম। এ কথা শুনে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জীবনে কি তোমার অনুসরণের জন্য উত্তম আদর্শ নেই? আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! তা অবশ্যই আছে। তিনি বললেন, উটের পিঠে বসেই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিতর সালাত আদায় করতেন।