৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৪৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৪৮১
মিনায় সালাত ক্বস্‌র করা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
উসমান মিনাতে অবস্থানকালে আমাদের সাথে নিয়ে ফরজ সালাত চার রাকাত আদায় করলেন। বিষয়টি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদকে অবহিত করা হলে তিনি ''ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন'' পড়লেন। পরে তিনি বললেনঃ আমি মিনাতে অবস্থানকালে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছি। আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর সাথেও দুই রাকাত সালাত আদায় করেছি। আমি মিনাতে অবস্থানকালে উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথেও দুই রাকাত সালাত আদায় করেছি। চার রাকাতের পরিবর্তে দুই রাকাত সালাতই যদি আমার জন্য মাকবূল হত তাহলে কতই না ভাল হত।
১৪৮২
মিনায় সালাত ক্বস্‌র করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ)
একই সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৪৮৩
মিনায় সালাত ক্বস্‌র করা পরিচ্ছেদ নাই
হারিসাহ্‌ ইবনু ওয়াহ্‌ব (রহঃ)
মিনাতে অবস্থানকালে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দুই রাকাত সালাত আদায় করেছি। অথচ লোকজন নিরাপদ ও আতংকহীন ছিল।
১৪৮৪
মিনায় সালাত ক্বস্‌র করা পরিচ্ছেদ নাই
হারিসাহ্‌ ইবনু ওয়াহ্‌ব আল খুযা‘ঈ (রহঃ)
আমি বিদায় হজ্জের সময় মিনাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। তিনি তখন দুই রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন। তখন তাঁর পিছনে বহু সংখ্যক লোক ছিল। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন: হারিসা ইবনু ওহ্ব খুযাঈ উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর ইবনুল খাত্তাবের ভাই। তারা একই মায়ের গর্ভজাত সন্তান।
১৪৮৫
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
নাফি ‘ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)
একদিন ঝড় ও শীতের রাতে আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) সালাতে আজান দিলেন। আজানে তিনি বললেনঃ তোমরা যার যার বাড়িতে সালাত আদায় করে নাও। পরে তিনি বললেন যে, শীতের রাত অথবা মেঘাচ্ছন্ন রাত হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুয়াজ্জিনকে এ কথা ঘোষণা করতে আদেশ দিতেনঃ ‘তোমরা বাড়িতে সালাত আদায় কর।’
১৪৮৬
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার
তিনি শীত ও ঝড়-বৃষ্টি কবলিত এক রাতে সালাতের আজান দিলেন। তিনি তার আজানের শেষে উচ্চৈঃস্বরে বলেন, "শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানস্থলে সালাত আদায় করে নাও। শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানস্থলে সালাত আদায় করে নাও।" অতঃপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) সফররত অবস্থায় শীত বা বৃষ্টিমুখর রাতে মুয়াজ্জিনকে নির্দেশ দিতেন, সে যেন বলে, "শোন! তোমরা নিজ নিজ অবস্থানে সালাত আদায় করে নাও।"
১৪৮৭
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
একবার তিনি 'দাজনান' নামক স্থানে সালাতের আযান দিলেন। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে এতটুকু কথা অধিক বর্ণনা করলেন যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেন: তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সালাত আদায় করে নাও। তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কথা, “তোমরা যার যার অবস্থান স্থলেই সালাত আদায় করে নাও” কথাটি দ্বিতীয়বার বললেন না।
১৪৮৮
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি এক সফরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গী ছিলাম। ইতোমধ্যে বৃষ্টি হলে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “তোমরা কেউ চাইলে নিজের জায়গাতে অবস্থান করে সেখানেই সালাত আদায় করে নিতে পারো।”
১৪৮৯
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
এক বৃষ্টিজড়া দিনে তিনি মুয়াজ্জিনকে বললেনঃ আজকের আজানে যখন তুমি “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ” বলে শেষ করবে তার পরে কিন্তু “হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ” বলবে না। বরং বলবে, “সল্লু ফী বুয়ূতিকুম” অর্থাৎ তোমরা তোমাদের বাড়িতেই সালাত আদায় করে নাও।হাদীসের বর্ণনাকারী (আবদুল্লাহ ইবন হারিস) বলেছেনঃ এরূপ করা লোকজন পছন্দ করল না বলে মনে হল। তা দেখে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ তোমরা এ কাজকে আজগুবি মনে করছ? অথচ যিনি আমার চেয়ে উত্তম তিনি এরূপ করেছেন। জুমু‘আর সালাত আদায় করা ফরজ। কিন্তু তোমরা কাদাযুক্ত পিচ্ছিল পথে কষ্ট করে চলবে তা আমি পছন্দ করিনি।
১৪৯০
বর্ষণমুখর দিনে গৃহে সালাত আদায় পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল হামীদ (রহঃ)
আমি আব্দুল্লাহ ইবন হারিস (রহঃ) কে বলতে শুনেছি। এক বৃষ্টিঝরা দিনে আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) আমাদের সামনে বক্তৃতা করলেন। এতটুকু বর্ণনা করে তিনি পূর্বোক্ত ইবন উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি জুমআর দিনের কথা উল্লেখ করেননি। যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী (ﷺ) এরূপ করেছেন। আবূ কামিল বলেছেনঃ হাম্মাদ আসিম-এর মাধ্যমে আব্দুল্লাহ ইবন হারিস থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।