৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
১৪০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
১৩৯১
জামাআতে নাফ্‌ল সালাত এবং চাটাই, মুসল্লা ও কাপড় ইত্যাদি পবিত্র বস্তুর উপর সালাত আদায় জায়িয পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ
তিনি (একদিন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি (ﷺ) চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করছেন এবং চাটাইয়ের উপরই সিজদা করছেন।
১৩৯২
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি মসজিদে জামাতের সাথে সালাত আদায় করলে তা তার বাড়িতে বা বাজারে সালাত আদায় করার চেয়ে বিশগুণেরও অধিক মর্যাদাসম্পন্ন। কারণ কোনো লোক যখন সালাতের জন্য ওযু করে এবং ভালোভাবে ওযু করে মসজিদে আসে, তাকে সালাত ছাড়া আর কিছুই মসজিদে আনে না; আর সে সালাত ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যও পোষণ করে না। সুতরাং এ উদ্দেশে সে যখনই পদক্ষেপ করে, তখন থেকে মসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার প্রতিটি নেকির বদলে ঐ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি করে পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করার পর যতক্ষণ সে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, ততক্ষণ যেন সে সালাতরত থাকে। আর তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করার পর সালাতের স্থানেই বসে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতাগণ তার জন্য এ বলে দু‘আ করতে থাকে যে—হে আল্লাহ! তুমি তার তওবা কবুল করো। এরূপ দু‘আ ততক্ষণ পর্যন্ত করতে থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ওযু নষ্ট না করে।’ [১]
১৩৯৩
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
অনুরূপ অর্থবোধক হাদিস বর্ণনা করেছেন।
১৩৯৪
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের পর উক্ত স্থানে বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতা এ বলে তার জন্য দোয়া করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহমত দান করো। আর তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি ততক্ষণ সালাতরত বলেই গণ্য হবে যতক্ষণ সে সালাতের জন্য অপেক্ষামান থাকে।
১৩৯৫
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য বসে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতরত থাকে আর ফেরেশতাগণ ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য এ বলে দোয়া করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহম করো। (আর ফেরেশতাগণ) ততক্ষণ পর্যন্ত এরূপ দোয়া করতে থাকে যতক্ষণ সে সেখান থেকে উঠে চলে না যায় কিংবা যতক্ষণ ওজু নষ্ট না করে। হাদীস বর্ণনাকারী রাফি' বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম ‘হাদাস বা ওজু নষ্ট করা কাকে বলে? তিনি বললেন: নিঃশব্দে বা সশব্দে বায়ু নিঃসরণ করা।
১৩৯৬
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য কোন ব্যক্তি অপেক্ষা করে এবং শুধু সালাতের কারণেই সে ঘরে (পরিবার-পরিজনের কাছে) ফিরে যায় না, ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন সালাতরত অবস্থায়ই থাকে (অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতের জন্য অপেক্ষা করল, ততক্ষণ সে সালাত আদায় করল বলেই ধরে নেয়া হবে)।
১৩৯৭
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতের জন্য অপেক্ষা করে, তখন ওজু ভঙ্গ না করা পর্যন্ত সে যেন সালাতরত থাকল। এ সময়ে ফেরেশতাগণ এ বলে তার জন্য দোয়া করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি রহম করো।
১৩৯৮
ফরজ সালাত জামাআতে আদায়ের ফাযীলত এবং সালাতের জন্য অপেক্ষা করা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
১৩৯৯
মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা ও যাতায়াতের ফাযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ-ঘর) মসজিদ থেকে বেশি দূরে, সে সালাতের অধিক সওয়াব লাভের হকদার। আর যে ব্যক্তি সালাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামাতে) সালাত আদায় করে, সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশি সওয়াবের হকদার, যে একাকি সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আবু কুরাইবের বর্ণনায় “জামাতে ইমামের সাথে সালাত আদায় করে” কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে।
১৪০০
মসজিদের দিকে অধিক পদচারণা ও যাতায়াতের ফাযীলত পরিচ্ছেদ নাই
উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ)
আমি এক লোক সম্পর্কে জানি, যার বাড়ি অপেক্ষা কারো বাড়ি মসজিদ থেকে অধিক দূরে ছিল বলে আমার জানা নেই। জামাতের সাথে কোন ওয়াক্তের সালাত আদায় করা তিনি ছাড়তেন না। উবাই ইবনু কাব (রাঃ) বলেন: তাকে বলা হলো অথবা (বর্ণনাকারী আবূ উসমান নাহদীর সন্দেহ) আমি বললাম: যদি তুমি একটি গাধা কিনে নাও এবং তার পিঠে আরোহণ করে রাতের অন্ধকারে এবং রোদের মধ্যে সালাত আদায় করতে আসো তাহলে তো বেশ ভালোই হয়। একথা শুনে সে বলল: আমার বাড়ি মসজিদের পাশে হোক, তা আমি পছন্দ করি না। আমি চাই মসজিদে হেঁটে আসা এবং মসজিদ থেকে ঘরে আমার পরিবার-পরিজনের কাছে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপ আমার জন্য (আমলনামায়) লিপিবদ্ধ হোক। তার এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মহান আল্লাহ তোমার জন্য অনুরূপ সাওয়াবই একত্রিত করে রেখেছেন।