৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৮৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৮৫১
ইমামের আগে রুকূ'-সাজদাহ্ ও অন্যান্য কাজ করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
এ সানাদে উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবি ইবনু মুসলিম-এর বর্ণনায় এ হাদিসের শেষের অংশ নিম্নরূপঃ আল্লাহ তার মুখমণ্ডল গাধার মুখমণ্ডলের মতোই করে দিবেন।
৮৫২
সালাত আদায়ের সময় আকাশের দিকে তাকানো নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যেসব লোক সালাতে আকাশের দিকে তাকায় তাদের এমন করা থেকে বিরত থাকা উচিত, অন্যথায় তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে না।
৮৫৩
সালাত আদায়ের সময় আকাশের দিকে তাকানো নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ লোকদের উচিত, তারা যেন সালাতের মধ্যে দোয়ার সময় আকাশের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে। অন্যথায় তাদের দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নেয়া হবে।
৮৫৪
সালাতরত অবস্থায় শান্ত থাকার নির্দেশ, হাত দিয়ে ইশারা করা এবং সালামের সময় হাত উত্তোলন করা নিষেধ, প্রথম লাইন পূর্ণ করা এবং একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের হাত উঠাতে দেখি কেন? মনে হয় যেন তা দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। ধীরস্থিরভাবে সালাত আদায় করো, নড়াচড়া করো না।রাবি বলেন, তিনি আরেক দিন বের হয়ে আমাদের গোলাকারে দেখে বললেনঃ আমি তোমাদের পরস্পরকে বিচ্ছিন্ন দেখছি কেন?রাবি বলেন, তিনি পুনরায় বের হয়ে এসে বললেনঃ ফেরেশতারা যেভাবে তাঁদের প্রতিপালকের সামনে লাইন বেঁধে দাঁড়ায় তোমরা কি সেভাবে লাইন বাঁধবে না? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কিভাবে ফেরেশতারা তাঁদের রবের সামনে কাতারবন্দী হন? তিনি বললেনঃ তারা প্রথম লাইন (আগে) পূর্ণ করে এবং পরস্পরের সাথে মিলে দাঁড়ায়।
৮৫৫
সালাতরত অবস্থায় শান্ত থাকার নির্দেশ, হাত দিয়ে ইশারা করা এবং সালামের সময় হাত উত্তোলন করা নিষেধ, প্রথম লাইন পূর্ণ করা এবং একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আ'মাশ (রাঃ)
এই সনদেও উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৮৫৬
সালাতরত অবস্থায় শান্ত থাকার নির্দেশ, হাত দিয়ে ইশারা করা এবং সালামের সময় হাত উত্তোলন করা নিষেধ, প্রথম লাইন পূর্ণ করা এবং একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমরা যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করতাম তখন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বলে নামাজ শেষ করতাম। তিনি (জাবির) হাত দিয়ে উভয় দিকে ইশারা করে দেখালেন। (অর্থাৎ- সালামের সাথে সাথে হাতে ইশারাও করা হত)। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমরা (সালামের সময়) দুষ্ট ঘোড়ার লেজ ঘুরানোর মতো দুই হাত দিয়ে ইশারা করো কেন? তোমরা উরুর উপর হাত রেখে ডানে-বামে মুখ ফিরিয়ে তোমাদের ভাইদের সালাম দিবে। এরূপ করাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট।
৮৫৭
সালাতরত অবস্থায় শান্ত থাকার নির্দেশ, হাত দিয়ে ইশারা করা এবং সালামের সময় হাত উত্তোলন করা নিষেধ, প্রথম লাইন পূর্ণ করা এবং একে অপরের সাথে মিলিত হয়ে দাঁড়ানোর নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করেছি। আমরা যখন সালাম ফিরাতাম, হাত দিয়ে ইশারা করে বলতাম, ‘আসসালামু আলাইকুম, আসসালামু আলাইকুম।’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেনঃ কী ব্যাপার তোমরা হাত দিয়ে ইশারা করছ, মনে হচ্ছে যেন দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। তোমাদের কেউ যখন সালাম করে, সে যেন তার সাথের লোকের দিকে ফিরে সালাম করে এবং হাত দিয়ে ইশারা না করে।
৮৫৮
সালাতের লাইনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সমান করে সাজানো, প্রথম লাইনের মর্যাদা, প্রথম লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ভীড় করে অগ্রগামী হওয়া এবং মর্যাদাসম্পন্ন লোকেদের সামনে যাওয়া ও ইমামের কাছে দাঁড়ানো পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাস'ঊদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাতের সময় আমাদের কাঁধ স্পর্শ করে বলতেনঃ তোমরা সোজাসুজি দাঁড়াও এবং আগে পিছে ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে দাঁড়িও না। অন্যথায় তোমাদের অন্তর মতভেদে লিপ্ত হয়ে পড়বে। বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। অতঃপর এ গুণে যারা তাদের নিকটবর্তী তারা পর্যায়ক্রমে এদের কাছাকাছি দাঁড়াবে। আবু মাসউদ (রাঃ) বলেন, কিন্তু আজকাল তোমাদের মধ্যে চরম বিভেদ-বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে।
৮৫৯
সালাতের লাইনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সমান করে সাজানো, প্রথম লাইনের মর্যাদা, প্রথম লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ভীড় করে অগ্রগামী হওয়া এবং মর্যাদাসম্পন্ন লোকেদের সামনে যাওয়া ও ইমামের কাছে দাঁড়ানো পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু 'উয়াইনাহ্‌ (রাঃ)
তিনি এ সূত্রেও উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন।
৮৬০
সালাতের লাইনগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সমান করে সাজানো, প্রথম লাইনের মর্যাদা, প্রথম লাইনে দাঁড়ানোর জন্য ভীড় করে অগ্রগামী হওয়া এবং মর্যাদাসম্পন্ন লোকেদের সামনে যাওয়া ও ইমামের কাছে দাঁড়ানো পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ ও জ্ঞানী লোকেরা আমার নিকটবর্তী হয়ে দাঁড়াবে। অতঃপর পর্যায়ক্রমে তাদের কাছাকাছি যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেরা দাঁড়াবে। তিনি এ কথা তিনবার বলেছেন। সাবধান! তোমরা (মসজিদে) বাজারের মত শোরগোল করবে না।