৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৭০০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৯৯১
মু’মিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের মতো পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, গাছ-গাছালির মধ্যে এমন একটি গাছ আছে, যার পাতা ঝরে পড়ে না এবং তা হলো মু’মিনের দৃষ্টান্ত। তোমরা আমাকে বলতে পার, সেটা কোন গাছ? তারপর লোকজনের ধারণা জঙ্গলের কোন গাছের প্রতি নিবদ্ধ হল। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমার মনে হতে লাগল যে, তা হলো খেজুর গাছ। কিন্তু আমি লজ্জাবোধ করলাম। সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনিই আমাদের তা বলে দিন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তা হলো খর্জুর বৃক্ষ। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এরপর আমি আমার পিতাকে আমার মনে যা এসেছিল তা বললাম। তিনি বললেন, তুমি যদি তখন তা বলে দিতে যে, সেটা হলো খেজুর গাছ, তবে আমি অমুক অমুক জিনিস লাভ করার চাইতেও অধিক খুশী হতাম।
৬৯৯২
মু’মিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের মতো পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সাহাবীদেরকে বললেন, “এমন একটি গাছ আছে, যার দৃষ্টান্ত মুমিনের মতো, এ গাছটি কি গাছ, তোমরা কি আমাকে বলতে পার?” তখন লোকেরা জঙ্গলের গাছসমূহ থেকে এক একটি গাছের কথা বর্ণনা করল। ইবন উমর (রাঃ) বলেন, “আমার মনে হতে লাগল, তা হলো খেজুর গাছ। তখন আমি বলার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু সেখানে যেহেতু সমাজের বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তিগণও ছিলেন, তাই আমি কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলাম।” লোকজন চুপ হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তা হলো খেজুর গাছ।”
৬৯৯৩
মু’মিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের মতো পরিচ্ছেদ নাই
মুজাহিদ (রহঃ)
আমি ইবন উমর (রাঃ)-এর সাথে মদিনায় গিয়েছিলাম। একটি হাদীস ছাড়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে কোন হাদীস বর্ণনা করতে তাঁকে আমি শুনিনি। আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে বসা ছিলাম। তখন তাঁর নিকট খেজুর গাছের মাথি আনা হলো। তারপর তিনি পূর্বোক্ত হাদীস দুইটির মতো এ হাদীসটি বর্ণনা করলেন।
৬৯৯৪
মু’মিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের মতো পরিচ্ছেদ নাই
মুজাহিদ (রহঃ)
আমি ইবন উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে খেজুর গাছের মাথি আনা হলো। তারপর তিনি পূর্বোক্তদের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন।
৬৯৯৫
মু’মিনের দৃষ্টান্ত খেজুর গাছের মতো পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এ সময় তিনি বললেন, “এমন একটি গাছ আছে যা মুসলিম লোকের ন্যায়, যার পাতা কখনো ঝরে পড়ে না, গাছটি কি গাছ তোমরা কি আমাকে বলতে পার?” ইব্রাহীম ইবনু সুফ্ইয়ান (রহঃ) বলেন, সম্ভবতঃ ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেছেন, وَتُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ যা প্রত্যেক মৌসুমে ফল প্রদান করে। তবে আমি ছাড়া অন্যান্যদের বর্ণনায়ও আমি পেয়েছি وَلاَ تُؤْتِي أُكُلَهَا كُلَّ حِينٍ অর্থাৎ- لاَ ছাড়া। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেনঃ, “আমার মনে হতে লাগল, তা হলো খেজুর গাছ। কিন্তু তখন আমি দেখলাম যে, আবূ বকর ও ‘উমার (রাঃ) কিছুই বলছেন না। তাই কোন কথা বা কিছু বলা আমার ভালো লাগালো না।” কিন্তু ‘উমার (রাঃ) এ কথা শুনে বললেন, “যদি তুমি বলে দিতে তবে অমুক অমুক জিনিস লাভ করা হতেও আমি বেশি খুশী হতাম।”
৬৯৯৬
শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, আরব ভূখণ্ডে মুসল্লিগণ শয়তানের উপাসনা করবে, এ বিষয়ে শয়তান নিরাশ হয়ে পড়েছে। তবে তাদের একজনকে অন্যের বিরুদ্ধে উস্কিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে নিরাশ হয়নি।
৬৯৯৭
শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
আ‘মাশ (রহঃ)
অবিকল হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৬৯৯৮
শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জারীর (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ) হতে শুনেছি। নিশ্চয়ই ইবলিসের আরশ সমুদ্রের উপর স্থিরকৃত। সে লোকেদেরকে ফিতনায় নিপতিত করার উদ্দেশে তার বাহিনী পাঠায়। শয়তানের কাছে সবচেয়ে বড় সে-ই, যে সবচেয়ে বেশি ফিতনা সৃষ্টিকারী।
৬৯৯৯
শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইবলীস পানির উপর তার আরশ স্থাপন করে; অতঃপর তার বাহিনী প্রেরণ করে। তাদের মধ্যে তার সর্বাধিক নৈকট্য অর্জনকারী সেই, যে সবচেয়ে বেশি ফিতনা সৃষ্টিকারী। তাদের একজন এসে বলে, আমি অমুক অমুক কাজ করেছি। সে বলে, তুমি কিছুই করোনি। অতঃপর অন্যজন এসে বলে, আমি তাকে তার স্ত্রী থেকে তালাক করে দিয়েছি। তারপর শয়তান তাকে তার নিকটবর্তী করে নেয় এবং বলে, হ্যাঁ, তুমি খুব ভাল। রাবী আ‘মাশ বলেন, আমার মনে হয় তিনি বলেছেনঃ অতঃপর শয়তান তার সাথে আলিঙ্গন করে।
৭০০০
শাইতানের উস্কিয়ে দেয়া, মানুষের মাঝে ফিত্নাহ্ সৃষ্টি করার উদ্দেশে শাইতান কর্তৃক সেনাদল পাঠানো এবং প্রতিটি মানুষের সঙ্গে একজন সাথী রয়েছে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, শয়তান তার সৈন্য বাহিনীকে পাঠিয়ে লোকেদেরকে ফিতনায় নিপতিত করে। তাদের মধ্যে সে-ই তার নিকট সবচেয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী, যে অধিক ফিতনা সৃষ্টিকারী।