৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬৮২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬৮১১
দিনের শুরুতে ও ঘুমানোর সময়ের তাসবীহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
একবার ফাতিমা (রাঃ) একজন খাদিমের জন্য নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলেন এবং অনেক কর্মের অভিযোগ করলেন। তিনি (ﷺ) বললেন, “আমার নিকটে তো কোন খাদিম নেই।” তিনি বললেন, “তবে আমি কি তোমাকে এমন বিষয়ের নির্দেশনা করব না, যা তোমার খাদিমের তুলনায় অতি উত্তম? যখন তুমি শয্যাগ্রহণ করবে তখন ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ পড়ে নিবে।”
৬৮১২
দিনের শুরুতে ও ঘুমানোর সময়ের তাসবীহ পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল (রাঃ)
এ সনদটি হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছে।
৬৮১৩
মোরগ ডাকার সময় দু‘আ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে সময় তোমরা মোরগের ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর কাছে অনুগ্রহ প্রার্থনা করবে। কেননা সে ফেরেশতা দেখতে পায়। আর যে সময় তোমরা গাধার বিকট ডাক শুনতে পাবে তখন আল্লাহর নিকট শয়তান থেকে আশ্রয় চাইবে। কেননা সে শয়তান দেখতে পায়।
৬৮১৪
কঠিন বিপদাপদের দু‘আ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) কঠিন বিপদাপদের সময় বলতেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হুল আযীমুল হালীমু লা ইলাহা ইল্লাল্ল-হু রব্বুল আরশিল আযীমি লা ইলাহা ইল্লাল্ল-হু রব্বুস সামা ওয়া-তি ওয়া রব্বুল আরযি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান, ধৈর্যশীল আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। মহান ‘আরশের পালনকর্তা আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই। আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর রব এবং সম্মানিত ‘আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোন মা‘বূদ নেই।”
৬৮১৫
কঠিন বিপদাপদের দু‘আ পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রাঃ)
এ সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর মু‘আজ ইবন হিশামের বর্ণিত হাদীসটি অধিক পরিপূর্ণ।
৬৮১৬
কঠিন বিপদাপদের দু‘আ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ বাক্যগুলোর সাহায্যে দোয়া করতেন এবং কঠিন বিপদাপদের সময় এগুলো পড়তেন। তারপর তিনি কাতাদার (রহঃ)-এর সানাদে মু’আয ইবনু হিশামের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, “রব্বুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বি”, অর্থাৎ- “আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক”।
৬৮১৭
কঠিন বিপদাপদের দু‘আ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন কোন গুরুত্বপূর্ণ কর্ম (বিপদ) তাঁর সামনে আসতো তখন তিনি বলতেন .....। এরপর তিনি মু‘আয-এর বাবার বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন এবং এর সঙ্গে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রব্বুল ‘আরশিল কারীম”, অর্থাৎ- “মহান ‘আরশের প্রতিপালক আল্লাহ ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই” বর্ধিত বর্ণনা করেছেন।
৬৮১৮
‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্‌দিহি’-এর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে প্রশ্ন করা হলো কোন কালাম সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ফেরেশতা কিংবা তাঁর বান্দাদের জন্য যে কালাম নির্বাচন করেছেন, আর তা হলো, “সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহি” অর্থাৎ, “আমি আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি”।
৬৮১৯
‘সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হাম্‌দিহি’-এর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হে আবূ যার! আমি কি তোমাকে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি অবহিত করব না? আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালামটি আমাকে বলে দিন। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালাম হলো, "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হামদিহি", অর্থাৎ- “আমি আল্লাহর প্রশংসা ও পবিত্রতা ঘোষণা করছি।”
৬৮২০
মুসলিমদের অনুপস্থিতিতে তাদের জন্য দু‘আর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ দারদা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মুসলিম বান্দা তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দোয়া করলে একজন ফেরেশতা তার জবাবে বলে “আর তোমার জন্যও অনুরূপ”।