৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৬২৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৬২৮১
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)
আমি হাসান ইবন সাবিতের উদ্দেশে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “তুমি তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা রচনা করো” অথবা বলেছেন, “তুমি তাদের ব্যঙ্গ কবিতার জবাব দাও। জিবরীল (আঃ) তোমার সাথে আছেন।”
৬২৮২
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্ (রাঃ)
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন।
৬২৮৩
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
হাসান ইবন সাবিত (রাঃ) সেসব ব্যক্তির মাঝে শামিল ছিলেন, যাঁরা আয়িশার বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেছেন (দুর্নাম করেছেন)। তাই আমি তাঁকে ভর্ৎসনা করেছিলাম। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, “হে আমার ভগ্নিপুত্র! তাঁকে ছেড়ে দাও। কারণ তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পক্ষ হতে কাফিরদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপ কবিতা দিয়ে উত্তর দিতেন।”
৬২৮৪
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
হিশাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে রিওয়ায়াত রয়েছে।
৬২৮৫
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রাঃ)
একদিন আমি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। তখন তাঁর নিকট হাসান ইবন সাবিত (রাঃ) উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি তখন তাঁর জন্য কবিতা তৈরি করছিলেন এবং তাঁর কবিতাটির কয়েকটি পংক্তি দ্বারা গান গাচ্ছিলেন। তিনি বলেছিলেন: “তিনি পবিত্র আত্মা! বুদ্ধিমতী, সন্দেহজনক বিষয়ে তাঁকে কোন অপবাদ দেওয়া যায় না। তিনি উদাসীনদের গোশ্ত হতে অভুক্ত হতে ক্ষুধার্ত অবস্থায় শয্যা ত্যাগ করেন।” তখন আয়িশা (রাঃ) তাঁকে বললেন, কিন্তু আপনি তো এমন নন।মাসরুক (রাঃ) বলেন, আমি তাঁকে (আয়েশাকে) বললাম, আপনি তাঁকে আপনার নিকট ঢুকতে অনুমতি দিলেন কেন? অথচ আল্লাহ বলেছেন- “এবং তাদের মাঝে যে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা গ্রহণ করেছেন, তার জন্য আছে মহাশাস্তি”-(সূরা আন-নূর ২৪:১১)। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেন, এর চাইতে ভয়ঙ্কর শাস্তি আর কি হতে পারে যে, সে অন্ধ হয়ে গেছে? অতঃপর তিনি বললেন, তিনি তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর তরফ হতে তাদের (কাফিরদের) বিরুদ্ধে উত্তর দিতেন অথবা বিদ্রূপ করে কবিতার মাধ্যমে সমুচিত জবাব দিতেন।
৬২৮৬
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ
অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর তরফ হতে উত্তর দিতেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় حَصَانٌ (পবিত্র) ও رَزَانٌ (পবিত্র আত্মা, বুদ্ধিমতী) শব্দটুকু বর্ণনা করেননি।
৬২৮৭
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
হাসান (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাকে আবু সুফিয়ানের তিরস্কার করার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, কিভাবে অনুমতি দিব? তার সাথে আমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে? তখন তিনি বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন, আটার খামির হতে যেভাবে চুল আলাদা করে নেয়া হয়, আমি ঠিক সেভাবে আপনাকে আলাদা করে নিব। তারপর হাসান (রাঃ) বললেন: “মান-সম্মান ও আভিজাত্য বনু হাশিমের বংশধরদের মাঝে, বিনতু মাখযুমের সন্তানদের জন্য এবং তোমার পিতা তো দাস ছিল।” এ হলো তার কাসিদাহ (দীর্ঘ কবিতা)।
৬২৮৮
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম উবনু ‘উরওয়াহ্ (রাঃ)
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হাসান ইবন সাবিত (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট মুশরিকদের বিরুদ্ধে বিদ্রূপাত্মক কবিতা রচনার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু তাঁরা এ বর্ণনায় আবু সুফিয়ান-এর কথা বর্ণনা করেননি। ‘আবদা-র বর্ণনায় الْخَمِيرِ (আটার খামির)-এর স্থলে الْعَجِينِ (ঘোলা আটা) আছে।
৬২৮৯
হাস্সান ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কুরায়শদের বিপক্ষে তোমরা বিদ্রূপ কবিতা তৈরি কর। কারণ, তা তাদের বিপক্ষে তীর ছোড়ার চেয়ে সর্বাধিক শক্তিশালী। তারপর তিনি আবদুল্লাহ ইবনু রাওয়াহা (রাঃ)-এর নিকট জনৈক লোককে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, ওদের বিপক্ষে বিদ্রূপ করে কবিতা তৈরি কর। অতঃপর তিনি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা রচনা করলেন। কিন্তু তাতে তিনি সন্তুষ্ট হলেন না। তখন তিনি কাব ইবনু মালিককে ডেকে পাঠালেন। তারপর তিনি হাসান ইবনু সাবিতের নিকট এক ব্যক্তি প্রেরণ করলেন। সে যখন তার নিকট গেল তখন হাসান (রাঃ) বললেন, তোমাদের জন্য সঠিক সময় হয়েছে যে, তোমরা সে সিংহকে ডেকে পাঠিয়েছ, যে তার লেজ দিয়ে আঘাত করে দেয়।তারপর তিনি তার জিহ্বা বের করে নাড়াতে লাগলেন এবং বললেন, সে মহান সত্তার শপথ, তিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি আমার জিহ্বার মাধ্যমে তাদেরকে এমনভাবে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিব, যেমনভাবে হিংস্র বাঘ তার থাবা দিয়ে চামড়া টেনে ছিঁড়ে ফেলে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: হে হাসান! তুমি তাড়াতাড়ি করো না। কারণ আবু বকর (রাঃ) কুরায়শদের বংশ তালিকা সম্বন্ধে সবচেয়ে বেশী অভিজ্ঞ। কেননা, তাদের সাথে আমারও আত্মীয়তার বন্ধন বিদ্যমান। অতএব তিনি এসে আমার বংশ তোমাকে আলাদা করে বলে দিবেন। তারপর হাসান (রাঃ) তাঁর [আবু বকর (রাঃ)]-এর নিকট গেলেন এবং (বংশ তালিকা সম্বন্ধে জ্ঞাত হয়ে) ফিরে এলেন।সে মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন আমি আপনাকে তাদের মাঝখান হতে এমন সুকৌশলে বের করে আনব, যেমনভাবে আটার খামির থেকে সূক্ষ্ম চুল বের করা হয়। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তারপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে হাসানের ব্যাপারে বলতে শুনেছি যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের তরফ হতে কাফিরদের দাঁতভাঙ্গা উত্তর দিতে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত ‘রূহুল কুদুস’ অর্থাৎ জিবরীল (আঃ) সারাক্ষণ তোমাকে সহযোগিতা করতে থাকবেন। আর তিনি [আয়েশা (রাঃ)] বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, হাসান তাদের (কাফিরদের বিরুদ্ধে) ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে মু’মিনদের অন্তরে প্রশান্তি এনে দিলেন এবং কাফিরদের মান-সম্মানকে ভূলুণ্ঠিত করে আত্মতৃপ্তি লাভ করলেন।হাসান (রাঃ) বললেন: তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর দুর্নাম করছ, আর আমি তাঁর পক্ষ হতে জবাব দিচ্ছি। এর পুরস্কার প্রতিদান আল্লাহর কাছে। তুমি দুর্নাম করছ এমন মুহাম্মাদের, যিনি নেক লোক, সর্বশ্রেষ্ঠ পরহেজগার; তিনি হচ্ছেন আল্লাহর রসূল, যাঁর চরিত্র মাধুর্য অনুপম। আমার পিতা-মাতা আমার ইজ্জত-আবরু মুহাম্মাদের সম্মানের খাতিরে উৎসর্গিত হোক। আমি শপথ করে বলছি, কাদ্দা নামক পাহাড়ের দু’পান্তে (মুসলিম মুজাহিদ বাহিনীর) বিজয় ধূলি উড়বে তা তোমরা দেখতে পাবে, কিংবা আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাব। আনসারগণ পর্বত শৃঙ্গ থেকে কাঁধে ধারণ করবেন বর্শা এবং তাঁরা থাকবেন তৃষ্ণা-কাতর জানোয়ারের মতো ওঁত পেতে (অর্থাৎ- আনসারগণ শত্রু মুকাবিলায় সতত প্রস্তুত থাকেন)।আমাদের অশ্বারোহীরা এত দ্রুতবেগে চলে যেন মুষলধারে বারি বর্ষিত হচ্ছে। আর নারীরা তা হতে মুক্ত হওয়ার জন্যে পর্দা করে তাদের মুখমণ্ডল ঢেকে নিচ্ছে। তোমরা যদি আমাদের (ইসলামের) বিমুখ হও, তাহলেও ইসলামের বিজয় নিশান উড়বে আর অন্ধকার চিরদিনের জন্য বিদূরিত হয়ে যাবে। কিংবা তোমরা অপেক্ষায় থাকো ঐ সময়ের, যেদিন মুসলিমদের সঙ্গে কাফিরদের মুকাবিলা হবে; আর সেদিন আল্লাহ যাকে চান বিজয় মালা পরাবেন।আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, আমি আমার বান্দাকে রসূল হিসেবে প্রেরণ করেছি; আর তিনি সবসময় লোকদের সত্যের দিকে ডাকেন, যাঁর মধ্যে নেই কোন কপটতা, অস্পষ্টতা। আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন, আমি এমন মুজাহিদদের মদদ করি, যারা আনসার এবং যাদের একমাত্র লক্ষ হচ্ছে শত্রু মুকাবিলা করা। প্রত্যহ তারা শত্রু মুকাবিলায় থাকে সতত প্রস্তুত। কখনও বা গালমন্দ, যুদ্ধবিগ্রহ অথবা নিন্দাবাদ দ্বারা। তোমাদের মাঝে এমন কারো দুঃসাহস আছে যে, আল্লাহর রসূলের বিদ্রূপ করে; অথচ মাখলুকাত ব্যতীতও এক মহান সত্তা রয়েছেন, যিনি তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এবং সর্বাবস্থায় তাঁর সহায়ক। জিবরীল(আঃ) আমাদের জন্য আল্লাহর তরফ হতে নির্বাচিত সম্মানিত বাণীবাহক (দূত) এবং তিনি রূহুল কুদুস (পূতঃ-পবিত্র আত্মা) যাঁর সাদৃশ্য ফেরেশতাকুলে দ্বিতীয় কেউ নেই।
৬২৯০
আবূ হুরাইরাহ্ আদ্-দুসী (রাঃ)-এর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কাসীর (রাঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) রিওয়ায়াত করেছেন যে, আমি আমার মাকে ইসলামের দিকে আহ্বান করতাম, তখন তিনি মুশরিক ছিলেন। একদা আমি তাঁকে ইসলাম গ্রহণের জন্য আহ্বান জানালে তখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ব্যাপারে আমাকে এমন কথা শুনালেন, যা আমার নিকট অনেক অপছন্দনীয় মনে হচ্ছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার মাকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছিলাম আর তিনি আমার দাওয়াত অস্বীকার করে আসছেন।তারপর আমি তাঁকে আজ দাওয়াত দেওয়াতে তিনি আমাকে আপনার ব্যাপারে এমন কথা শুনালেন, যা আমি সর্বদাই অপছন্দ করি। অতএব আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন যেন তিনি আবু হুরায়রার মাকে হিদায়াত দান করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “হে আল্লাহ! আবু হুরায়রার মাকে হিদায়াত দান করো।”তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দোয়ার কারণে আমি খুশী মনে বেরিয়ে এলাম। যখন আমি ঘরে পৌঁছলাম তখন তার দরজা বন্ধ দেখতে পেলাম। আমার মা আমার পায়ের আওয়াজ শুনতে পেলেন। তারপর তিনি বললেন, আবু হুরায়রা! একটু দাঁড়াও (থামো)। তখন আমি পানির কলকল শব্দ শুনছিলাম।এরপর তিনি (আমার মা) গোসল করলেন এবং শরীরে চাদর দিলেন। আর তাড়াতাড়ি করে ওড়না জড়িয়ে নিলেন, তারপর বাড়ীর দরজা খুলে দিলেন। অতঃপর বললেন, “হে আবু হুরায়রা! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রাসূল।”তিনি বলেন, তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে উপস্থিত হলাম। তারপর তাঁর নিকট গেলাম এবং আমি তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কাঁদছিলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সুখবর শুনুন। আল্লাহ আপনার দোয়া কবূল করেছেন এবং আবু হুরায়রার মাকে হিদায়াতপ্রাপ্ত করেছেন। তারপর তিনি (ﷺ) আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলেন ও তাঁর প্রশংসা করলেন। আর বললেন, ‘উত্তম’।তারপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। আপনি আল্লাহর নিকট দোয়া করুন, তিনি যেন আমাকে এবং আমার মাকে মুমিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করেন এবং তাঁদের ভালবাসা আমাদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেন। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার এ বান্দা আবু হুরায়রাকে এবং তাঁর মাকে মুমিন বান্দাদের নিকট প্রিয়পাত্র করে দাও এবং তাঁদের নিকটও মুমিন বান্দাদের প্রিয়পাত্র করে দাও।” তারপর এমন কোন মুমিন বান্দা পয়দা হয়নি, যে আমার কথা শুনেছে কিংবা আমাকে দেখেছে অথচ আমাকে ভালবাসেনি।